১। সকালবেলা উঠে স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান আরেকটা দিন বেঁচে থাকার জন্য, ফ্রি অক্সিজেনের জন্য, খাবার এবং পানির জন্য, কাছের মানুষগুলোকে ভালোবাসতে পারার জন্য, তাদের ভালোবাসা পাওয়ার জন্য।
২। প্রতি মাসে অন্তত একটা দিন একবার হাসপাতালে ঘুরে আসুন। মানুষের দুঃখ-কষ্ট, যন্ত্রনা নিজ চোখে দেখে বিচার করুন আপনি কতটা ভালো আছেন। আপনার স্বাস্থ্যের মূল্য যে বস্তুগত অন্য সব কিছুর থেকে বেশী সেটাও বুঝতে পারবেন।
৩। জীবনে কোনকিছুই স্থায়ী নয়। প্রকৃতির মৌলিক বৈশিষ্ট্যই পরিবর্তন। এটা যত ভালোভাবে উপলব্ধি করতে পারবেন তত ভালো থাকতে পারবেন। এতে আপনি কোন বস্তু বা ব্যক্তিকে হারানোর ভয় থেকে মুক্তি পাবেন।
৪। জীবনের ছোট ছোট অর্জনে খুশি/সন্তুষ্ট হতে শিখুন।
৫। কারো উপরে রাগ পুষে রাখবেন না, ক্ষমা করতে শিখুন।
৬। কারো উপকার করার সময় প্রতিদানের আশা করবেন না।
৭। নিজের আয়ের কিছু অংশ তা সামান্য হলেও দান করে দিন। অন্যকে সাহায্য করার বিনিময়ে যে মানসিক প্রশান্তি এবং আত্নতৃপ্তি পাওয়া যায় তা অমূল্য। নিজের কাছে নিজের সম্মান বাড়বে এতে।
৮। সেই কাজটাকে পেশা হিসেবে নিন যা আপনি করতে ভালোবাসেন।
৯। সবসময় অর্থ/খ্যাতি উপার্জনে ব্যস্ত থাকবেন না, বিশ্রাম নিন, নিজেকে সময় দিন, বেঁচে থাকাকে উপভোগ করুন।
১০। নিজের সাথে অন্যের তুলনা করে দূখী হবেন না।
No comments:
Post a Comment