Saturday, May 16, 2020

নারী সাথে কিছু সুন্নত সমূহ।


১. #বয়স্ক মহিলাকে বিবাহ করা সুন্নত
২. #ডিভোর্সী নারীকে বিবাহ করা সুন্নত
৩. #বিধবা নারীকে বিবাহ করা সুন্নত
৪. #স্ত্রী 'র সাথে রান্না করার কাজে,পরিস্কারের কাজে,
ধোয়া-মোছার কাজে সহায়তা করা সুন্নত
৫. #ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ হিসেবে স্ত্রী 'কে মুখে হাত দিয়ে খাবার তুলে খাওয়ানো সুন্নত
৬.#স্ত্রী 'র প্রতি ভালোবাসা এবং শ্রদ্ধা প্রকাশ করা সুন্নত
৭.#স্ত্রী 'র ভুল ক্ষমা করা সুন্নত
৮.#স্ত্রী'র জন্য নিজেকে পরিচ্ছন্ন রাখা সুন্নত
৯.#স্ত্রী 'র অনুভূতিগুলো জানার চেষ্টা করা এবং
তাকে যখন প্রয়োজন হয় স্বান্তনা দেওয়া সুন্নত
১০.#স্ত্রী 'র সাথে খেলা করা,গল্প করা,ঘুরতে নিয়ে যাওয়া সুন্নত
১১.#স্ত্রী 'র কোলে আবদ্ধ হওয়া এবং শিথিল করা সুন্নত
১২.#স্ত্রী 'কে সুন্দর নাম নিয়ে ডাকা সুন্নত
১৩. #পরিবারের ব্যক্তিগত সদস্য এবং
বন্ধুদের কাছে তার ব্যক্তিগত কথা প্রকাশ না করা সুন্নত
১৪.#স্ত্রী 'র পিতা-মাতাকে ভালোবাসা এবং শ্রদ্ধা করা সুন্নত
১৫. #স্ত্রীর এটো খাবার খাওয়া সুন্নত
১৬. #স্ত্রীর অভিমান ভাংগানো সুন্নত
১৭. #স্ত্রীর কোলে শোয়ে কুর'আন তেলাওয়াত করা সুন্নত
১৮. #স্ত্রীকে সালাম দেওয়া সুন্নত

ঈদে চট্টগ্রামের বিনোদন কেন্দ্র গুলোতে ভিড় করলে জেল জরিমানা


চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন জানিয়েছে এবারের ঈদুল ফিতরে চট্টগ্রামের বিনোদনকেন্দ্রগুলোতে ভিড় করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে জেল-জরিমানাসহ আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে ।

করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে জারি করা গণবিজ্ঞপ্তি মেনে ফয়’স লেক, চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানা, পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত, পারকি সমুদ্র সৈকত, গুলিয়াখালী সমুদ্র সৈকতসহ চট্টগ্রামের সব ধরণের বিনোদনকেন্দ্র বন্ধ রাখার নির্দেশনাও রয়েছে প্রশাসনের পক্ষ থেকে।

করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী চট্টগ্রামে সব ধরণের জনসমাগম নিষিদ্ধ রয়েছে জানিয়ে চট্টগ্রামের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বদিউল আলম গনমাধ্যমকে বলেন, এই নির্দেশনা অমান্য করে কেউ বিনোদনকেন্দ্রগুলোতে ভিড় করতে পারবেন না। ফয়’স লেকসহ বেসরকারি মালিকানাধীন বিনোদন কেন্দ্রগুলো বন্ধ রাখতে আমাদের নির্দেশনা রয়েছে। সরকারি মালিকানাধীন বিনোদনকেন্দ্রগুলোও বন্ধ থাকছে।

সৈকতসহ খোলা জায়গার বিনোদনকেন্দ্রগুলোতে যাতে মানুষ যেতে না পারে সে জন্য ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হবে জানান চট্টগ্রামের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বদিউল আলম।

রিপোট : মো:আরিফ হোসেন।

Tuesday, May 12, 2020

আপনি হুমায়যাতিল লুমাইযার মধ্যে পড়ছেন নাতো?


#হুমাযাহ হচ্ছে কারও পেছনে কথা লাগানো, গীবত করা। আর লুমাযাহ হচ্ছে কাউকে সামনা-সামনি দোষ ধরে অপমান করা, বাজে আচরণ করা।[৫][১৮] কিছু উদাহরণ দেই—
#
#হুমাযাতিল লুমাযাহ হচ্ছে এমন এক ধরনের মানুষ, যে অন্যকে তুচ্ছ, তাচ্ছিল্য করে। মানুষের দিকে তাচ্ছিল্য ভরে আঙ্গুল দেখায়। চোখের ইশারা করে ব্যাঙ্গ করে। কারও চরিত্রের কোনো দিক নিয়ে ব্যঙ্গ করে। কারও মুখের উপর তার বিরুদ্ধে মন্তব্য করে। কারও পেছনে তার দোষ বলে বেড়ায়। এর নামে ওর কাছে কথা লাগায়। মানুষে-মানুষে সম্পর্কে ফাটল ধরায়। —এটা তারা একবার দুইবার করে না। বরং এরকম করা তার অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। এরা হচ্ছে হুমাজাতিল লুমাযাহ।[১৮][৭]
#ফোন এসেছে। ওপাশ থেকে বলছে, “ভাবী, কেমন আছেন? আপনাকে অনেকদিন ফোন করে পাই না।” ভাবী উত্তর দিলেন, “আমার ফোনটা নষ্ট ছিল। ঠিক করতে দিয়েছিলাম।” ওপাশ থেকে, “ঠিক করতে? কেন ভাইসাহেব কি আপনাকে নতুন ফোন কিনে দেয় না? আজকাল সবার হাতে আমি-ফোন ৭। আমাকে ও নতুন মডেল বের হলেই কিনে দেয়। আপনারটা তো বোধহয় এখনও আমি-ফোন ৪ তাই না?” ভাবী বললেন, “না, না, অবশ্যই দেয়। আমি নিজেই কিনি না। আগেরটা তো চলছেই।” ওপাশ থেকে, “এটা কেমন কথা হলো? আপনি ঘরের সব কাজ করেন। বাচ্চাদের পালেন। আবার আপনাকে ভাঙ্গা ফোনও চালাতে হবে? ভাই মনে হচ্ছে আপনাকে ঠিকমতো কদর করেন না।”

ব্যাস, ভাবীর মাথায় ঢুকে গেলো, “ভাই আপনাকে ঠিকমতো কদর করেন না।” প্রথমে একটু মন খারাপ হলো। তারপর অভিমান। অভিমান বাড়তে বাড়তে রাগে পরিণত হলো। রাগ থেকে ঘৃণা। সন্ধ্যায় স্বামী যখন ঘরে ঢুকল, তখন থমথমে অবস্থা। স্বামী যখন বলল, “ইয়ে, খুব ক্ষুধা লেগেছে, একটু নাস্তা দেবে?”, সাথে সাথে প্রচণ্ড বিস্ফোরণ!

—ফোন যে করেছিল, সে হচ্ছে হুমাযাহ। এরা মানুষে মানুষে কথা লাগায়। কানা-ঘুষা করে। অন্যের চরকায় তেল দেওয়া হচ্ছে এদের জীবিকা। এরা তাদের লিকলিকে জিভ দিয়ে অন্যের অন্তরে বিষ ঢেলে দেয়।

২.#
স্ত্রী গরমে ঘেমে অনেক সময় নিয়ে চা-নাস্তা বানিয়ে নিয়ে এসেছে। শ্বশুর, শাশুড়ি সবাই বসে খাচ্ছে। স্বামী চায়ে চুমুক দিয়ে বিরক্ত হয়ে বলছে, “নাহ, এখনও তুমি মা’র মত চা বানাতে শিখলে না। কতবার বললাম মা’র কাছ থেকে দেখো কতখানি লিকার দিতে হয়। মা! ওকে দেখিয়ে দিয়েন তো কীভাবে চা বানাতে হয়।” — এ হচ্ছে লুমাযাহ। এরা সুযোগ পেলেই মানুষের মুখের উপর তার বদনাম করে। কারও কোনো দোষ ধরার সুযোগ পেলে সহজে ছেড়ে দেয় না। সারাদিন একে ধমকানো, ওকে খোঁচা মারা, একে গালি দেওয়া, ওকে ব্যঙ্গ করা, এগুলো হচ্ছে এদের স্বভাব। এদের নিজেদের দোষের কোনো শেষ নেই। নিজের দোষ ঢাকার জন্য এরা সবসময় অন্যের দোষ নিয়ে ব্যস্ত থাকে। এদের জিভ হচ্ছে একটা ধারালো অস্ত্র। এই অস্ত্র দিয়ে সারাদিন এরা একের পর এক মানুষের হৃদয় ক্ষতবিক্ষত করতে থাকে।

# আর এক দল রয়েছে যারা অর্থ সম্পদ গচ্ছিত করে,সারাদিন তাদের সম্পদ নিয়ে ব্যস্ত থাকে,অথচ তারা জানেনা হাশরের দিন তাদের এ সম্পদ কোন কাজেই আসবেনা।মনে করে যে, তার সম্পদ তাকে অমর করে রাখবে।
রকম থাকবে। সম্পদ জমা করার এবং তা গুণে রাখার কাজে সে এতই মশগুল যে, নিজের মৃত্যুর কথা তার মনে নেই। তার মনে কখনও এই চিন্তার উদয় হয় না যে, এক সময় তাকে সব কিছু ছেড়ে দিয়ে খালি হাতে দুনিয়া থেকে বিদায় নিতে হবে। তাছাড়া তাকে তার সম্পদের হিসেবও দিতে হবে।[১৮] সূরাহ আশ-শুয়ারাহ’তে আল্লাহ تعالى এই মানসিকতাকে প্রশ্ন করেছেন—

কী কারনে তোমরা উঁচু জায়গায় যত সব অর্থহীন স্মৃতিচিহ্ন বানাও? আর নিজেদের জন্য বিশাল ভবন বানাও, তোমরা কি মনে করো যে, তোমরা চিরকাল বেঁচে থাকবে? — আশ-শুয়ারাহ ২৬:১২৮-১২৯

#এদের সাথে আল্লাহ কি করবেন তার বর্ননা করেছেন,সূরা হুমাযাহ তে।

সূরা হুমাযাহ:

অর্থঃ প্রত্যেক পশ্চাতে ও সম্মুখে পরনিন্দাকারীর দুর্ভোগ,
যে অর্থ সঞ্চিত করে ও গণনা করে।
সে মনে করে তার অর্থ চিরকাল তার সাথে থাকবে।
কখনোই না,সে অবশ্যই নিক্ষিপ্ত হবে পিষ্টকারীর মধ্য।
পিষ্টকারী হচ্ছে আল্লাহর প্রজ্জ্বলিত অগ্নি,যা হৃদয় পর্যন্ত পৌছাবে।

#আল্লাহ تعالى এদেরকে অভিশাপ দিচ্ছেন যে, এরা ধ্বংস হয়ে যাক। মহাবিশ্বের সৃষ্টিকর্তার কাছ থেকে অভিশাপ পাওয়া এক ভয়ংকর ব্যাপার। এর পরিণাম নিশ্চিত ধ্বংস এবং অনন্তকালের জন্য প্রচণ্ড কষ্ট। এমন কষ্ট যা কেউ কোনোদিন কল্পনাও করতে পারবে না।

#কুর‘আনে আল্লাহ تعالى রোজা না রাখার জন্য বা হাজ্জ না করার জন্য এমন ভয়াবহ শাস্তির বর্ণনা দেননি। এমনকি বেনামাজিদের জন্য তিনি যে বিশেষ আগুন ‘সাক্বর’ তৈরি করেছেন, সেটাকেও তিনি ‘আল্লাহর আগুন’ বলেননি। কিন্তু যারা পরনিন্দা করে বেড়ায়, মানুষকে সামনাসামনি অপমান করে, কৃপণের মতো নিজের সম্পত্তি আগলে রাখে — এদেরকে তিনি تعالى এতটাই ঘৃণা করেন যে, এদের জন্য তিনি تعالى বিশেষ শাস্তি নিজে তৈরি করে রেখেছেন। এখান থেকে আমরা দেখতে পাই যে, আমরা যতই নামাজী, রোজাদার, টুপি-দাঁড়িওলা হই না কেন, যদি সম্পদের কৃপণতা এবং মানুষের প্রতি অন্যায় করা আমাদের অভ্যাস হয়, তাহলে আমাদের জন্য সৃষ্টিজগতের ভয়ংকরতম শাস্তি অপেক্ষা করছে।

#আমরা সমাজের প্রতি ঘরেই এরকম বৈশিষ্ট্যময় মানুষ দেখতে পাই,যারা অন্যর অন্তর কে বিষিয়ে দিতে সদা প্রস্তুত থাকে,,,,,,,,,,আল্লাহ সবাইকে হেদায়েত দান করুন।।।


Monday, May 11, 2020

অলিখিত সামাজিক নিয়মগুলোর কয়েকটি কী কী, যেগুলো সকলের জানা উচিত



১) ডাইনিং টেবিলে বসে খাওয়ার সময় বাহাত টেবিলের উপর রাখবেন না। কেননা বিষয়টি আপনার বাদিকে বসা লোকটির জন্য বিরক্তিকর হতে পারে।

২) আপনার কাছে থাকা একাধিক কলম বা চিপসের প্যাকেট হতে যদি কাউকে দান করতে চান, তাহলে সর্বোত্তমটিই তাকে দান করবেন।

৩) যদি আপনি কোন ট্যাপের মুখ খোলা দেখেন তাহলে সেটা বন্ধ করার চেষ্ঠা করুন।

৪) নিকটবর্তী কোন ডাস্টবিন খুজেঁ না পাওয়া পর্যন্ত ময়লা আপনার ব্যাগে,হাতে কিংবা পকেটে রাখুন!

৫) কাজের সুবিধার্তে অনেক সময় আমাদেরকে লাইনে দাঁড়াতে হয় এবং সে সকল ক্ষেত্রে অবশ্যই লাইনের শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সচেষ্ট থাকুন।

৬) খাওয়ার মেস কিংবা অন্য যে কোন স্থানেই হোক আপনার নিয়ন্ত্রণে থাকা আসনটি ছাড়ার সময় পাশের কাউকে যদি সেটি দখলে রাখতে বলেন,তবে ফিরে এসে অবশ্যই তাকে কৃতজ্ঞতা জানাবেন।

৭) এটিএম বুথ থেকে টাকা তোলার সময় ভিতরে কাউকে সঙ্গে নিয়ে যাবেন না।

৮) যে লোককে আপনি চেনেন না তাকে নিয়ে উপহাস করবেন না।

৯) কারো কম্পিউটার থেকে কিছু কপি করতে হলে প্রথমে অবশ্যই তার কাছ থেকে অনুমতি নিবেন এবং কাজ শেষ হওয়ার পর তাকে ধন্যবাদ জানাতে ভুলবেন না।

১০) যদি কারো বোতল থেকে জল পান করতেই হয় তাহলে অবশ্যই সেটা পুনরায় ভরে দেওয়ার চেষ্টা করুন।

১১) পার্কে কিংবা অন্য কোথাও জুটিদের দেখলে তাদের একান্তে সময় কাটাতে দিন এবং যতটা সম্ভব দুরত্ব বজায় রাখুন…

১২) যদি কেউ পাসওয়ার্ড টাইপ করতে থাকে তবে অন্যদিকে মুখ ঘুরিয়ে রাখুন।

১৩) ঘর থেকে বাইরে বেরনোর সময় অবশ্যই অপ্রয়োজনীয় সুইচগুলি অফ করে দিন।

১৪) গণপরিবহনে গান শুনতে হলে অবশ্যই ইয়ারফোন ব্যবহার করা উচিত নচেত নয়।

১৫)শেষ মুহূর্তে পরিকল্পনা বাতিল করবেন না,সমস্যা থাকলে শুরুতেই সেটা জানিয়ে দিন।

১৬) যারা জরুরী কাজে ব্যস্ত তাদের রাস্তা করে দিন।

”প্রেরণা লেখার উৎসাহ বাড়িয়ে দেয়”

Arif

এমন কিছু মনস্তাত্ত্বিক ঘটনা কী যা মানুষ জানে না? insaf trust24.com



১) কাউকে কলম ধার দিলে ঢাকনা ছাড়াই দিবেন কেননা ঢাকনা বিহীন কলম পকেটে রাখার সম্ভাবনা খুবই কম।

২) স্বীয় নামে সম্বোধন করেই সহজে মানুষের আস্থা অর্জন করা সম্ভব।

৩) ফেসবুক প্রোফাইল দেখেই আপনার ব্যক্তিত্বকে সঠিকভাবে যাচাই করা সম্ভব।

৪) আমাদের মস্তিষ্ক ভাল স্মৃতির চেয়ে খারাপ স্মৃতিকেই বেশী মনে রাখে ।

৫) আপনি যখন সমস্যার দিকে মনোনিবেশ করবেন তখন সমস্যা আরও বাড়বে, অপরদিকে যখন সম্ভাবনার দিকে মনোনিবেশ করবেন তখন নতুন নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে।

৬) বয়স যত বাড়বে আপনার উপর লোকের আস্থাও তত কমবে।

৭) কারো সাথে সাক্ষাতের ৫ সেকেন্ডের মধ্যেই তার তাকানো,অভিব্যাক্তি আর কথা বলার ধরণ দেখেই ঐ ব্যক্তি সম্পর্কে একটি বদ্ধমূল ধারণা জন্মে।

৮) কেনাকাটা আপনার আত্মসম্মানকে যেমন দৃঢ় করে,তেমনি কোন কিছু পছন্দের ক্ষেত্রেও মনকে উদার করে ।

৯) মাত্রারিক্ত চিন্তাভাবনাই বিষন্নতার মূল কারণ। মন এমন কিছু সমস্যার তৈরি করে যেগুলির কোন অস্তিত্বই নেই।

১০) কাজে মনোনিবেশ করার একটি ভাল উপায় হলো নিজের সাথে নিজের কথা বলা ।

১১) যে সমস্ত লোকেরা নিয়মিতভাবে অন্যদের সহায়তা করেন,বয়স বাড়ার সাথে তাদের জীবন হয়ে উঠে শান্তিপূর্ণ ও কম বিষাদগ্রস্থ।

১২) যারা দ্রুত গতিতে হাঁটেন তাদেরকে সাধারণত ধীর গতিতে চলা লোকদের চেয়েও বেশি আত্মপ্রত্যয়ী ও সুখী দেখায়।

১৩) একজন মহিলা শুধুমাত্র তার সঙ্গেই তর্কে জড়াবেন যাকে তিনি পছন্দ করেন,অন্যথায় তর্কের কোন প্রশ্নই উঠেনা।

১৪। পূর্বের কৃত ভুলের জন্য কষ্ট না পেয়ে পরবর্তীতে করণীয় বিষয়ে মনোনিবেশ করাই দুঃচিন্তা মুক্ত থাকার সর্বত্তোম পন্থা।

১৫। উচ্চ বাজনার গান শোনার অনেক পরেও মস্তিষ্কের তরঙ্গগুলিকে উদ্দীপ্ত করে ।

১৬। আপন ভাইয়েরা সাধারণত একে অপরের প্রতি ভাল আচরণ করে।

১৭। ধুমায়িত কফির স্বাদ মানসিক অবসাদ কমাতে সাহায়তা করে।

১৮। কুকুরের মালিক,বিড়াল কিংবা কোন পোষা প্রাণী নেই এমন লোকদের চেয়ে বেশী হাসি-খুশি থাকে।

১৯) যাদের মধ্যে ছোটখাট বিষয় নিয়ে ঝগড়া হয়,তারা একে অপরের প্রতি বেশী যত্নশীল।

২০। যারা ভাল লোক হওয়ার পরও সুবিধা নিতে চান তারা প্রকৃত ভাল লোক নন ।

২১) যে সমস্ত লোকেরা সহজে বিব্রত হন তাদের বন্ধুর প্রতি অনুগত হওয়ার সম্ভবনা বেশী থাকে।

২২। স্বাক্ষরের আকৃতি তোমার আত্মবিশ্বাসের সাথে যুক্ত অর্থাৎ স্বাক্ষর যত বড় হবে তোমার আত্মবিশ্বাস তত বেশী হবে!

২৩) বিষন্নতাই বেশী ঘুমের কারণ।

২৪। আজ যারা তোমাকে বিদ্রূপ করছে কাল তোমাকে তাদের প্রয়োজন হবে।

২৫। তোমাকে যে সব থেকে বেশী সুখী করতে পারে তার নিকট থেকেই তুমি সবচেয়ে বেশী কষ্ট পেতে পার।

২৬। পছন্দের মানুষের কাছ থেকে পাওয়া ক্ষুদে বার্তাটি আপনার শরীর ও মনের উপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

২৭। দিবাস্বপ্নকারীরা জটিল সমস্যা সমাধানে পারদর্শী।

২৮। নিঃসঙ্গতা শরীর ও মন উভয়ের জন্যই ক্ষতিকর।

২৯। একই চিন্তা-ধারার লোকদের সাথেই আমরা সাধারণত মিশে থাকি।

৩০। নিজের লক্ষ্যে স্থির থাকলে লক্ষ্য অর্জনের সম্ভাবনা বেশী থাকে।

ধন্যবাদ সকলকে……

Arif hossain