Monday, February 1, 2021

কথা বলার সময় শব্দ চয়নের অভাব, জড়তা, সংকুচিতবোধ থেকে উত্তরণের উপায় জানাবেন কি?

প্রশ্নটির জন্য অনেক ধন্যবাদ। এর সমাধান খুবই সহজ।

  • নিয়মিত বই পড়ুন। এটি আপনার শব্দভাণ্ডার সমৃদ্ধ করতে সাহায্য করবে।
  • প্রতিদিন সংবাদপত্র পড়ুন। আপনার সাধারণ জ্ঞান এবং দৈনন্দিন খবরাখবরের জ্ঞান বৃদ্ধি পাবে। তার ফলে কোনো বিষয়ে কিছু বলতে গেলে আপনার আত্মবিশ্বাস অটুট থাকবে।
  • পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে অথবা বন্ধুবান্ধবদের সঙ্গে কোনো নির্দিষ্ট বিষয়ের উপর আলোচনা চালান এবং নিজের বক্তব্য রাখুন।
  • আয়নার সামনে কথা বলার অনুশীলন করতে পারেন।
  • মোবাইল ফোনে ভিডিও রেকর্ডিং করে কথা বলতে পারেন, কোনো ভুল হলে নিজেই দেখে শুধরে নেওয়া যাবে।
  • লোকজনের সঙ্গে আলাপচারিতার সময় যে বিষয়ে আপনি বিশেষ কিছু জানেন না সেটির ব্যাপারে তেমন কোনো বক্তব্য পেশ না করাই শ্রেয়। এতে আপনি নিজের বক্তব্য নিয়ে সন্দিহান থাকার কোনো সমস্যাই থাকবে না। একটা কথা মনে রাখবেন, সমাজে একজন ভালো শ্রোতার গুরুত্ব অনেক।
  • যে বিষয়ে আপনার জ্ঞান আছে সেটির ব্যাপারে কথা বলার সময় আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বলুন, অন্যান্যদের চোখের দিকে তাকিয়ে। দেখবেন সব জড়তা কেটে যাবে।

কাদের আমল আল্লাহ কবুল করেনা?

আল্লাহ সুবহানাহু আয়ালা পবিত্র কুরআনে বলেন,

“(হে রাসূল)! আপনি বলুন, আমি কি তোমাদেরকে সে সব লোকের সংবাদ দিব না, যারা কর্মের দিক দিয়ে খুবই ক্ষতিগ্রস্ত? ওরা তারাই পার্থিব জীবনে যাদের আমলবিনষ্ট হয়েছে,যদিও তারা মনে করে যে, তারা সৎ কাজইকরছে।” [সূরা কাহাফঃ১০৩-১০৪]

যাদের আমল কবুল হবে না —

১। কাফির ও মুরতাদের আমল।[নূরঃ৩৯,মায়িদাঃ৫, ইমরানঃ ২১, মুহাম্মাদঃ৮,বাকারাঃ২১৭, সহীহ মুসলিম]

২। যে শিরক করে তার সকল আমল। [আন’আমঃ৮৮,যুমারঃ৬৫]

৩। মুনাফিকের ইবাদাত। [আহযাবঃ১৯,তাওবাহঃ৫৩, মায়িদাহঃ৫২, মুহাম্মাদঃ২৮]

৪। বিদ’আতীর সকল আমল। [কাহাফঃ১০৪,মুহাম্মাদঃ৩৩, বুখারী, মুসলিম, তারগীব, আততারহীব; সহীহ ]

৫। যে বিদ’আতীকে আশ্রয় দেয়। [বুখারী ও মুসলিম]

৬। লোক দেখানোর উদ্দেশ্যে কৃত ইবাদাত। [সূরা হুদঃ১৫, মুসলিম, আবু-দাউদ, নাসাঈ, আহমাদ,বাইহাকি]

৭। তাকওয়া বিহীন উৎসর্গ [সূরা হাজ্জঃ ৩৭,মায়িদাঃ ২৭]

৮। গণক ও জ্যোতিষীর কাছে গমনকারী[সহীহ বুখারী, মুসলিম, আবূ-দাউদ সহীহ,তিরমিযী, নাসাঈ]

৯। মদ্যপায়ী [তিরমিযী হাসান, হাকিম,নাসাঈ]

১০। অপবিত্রাবস্থায় আদায়কৃত সালাত [সহীহ বুখারী, মুসলিম]

১১। ওড়না পরিধান ছাড়া প্রাপ্ত বয়স্কার সালাত [তিরমিযী, আবূ-দাউদ, ইবনু মাজাহ,হাকিম, আহমাদ]

১২। হারাম পন্থায় উপার্জিত সম্পদের ব্যয়

[মুসলিম, আবূ দাউদ, তিরমিযী, নাসাঈ, ইবনু মাজাহ; সহীহ]

১৩। হারাম খাদ্যের দ্বারা গঠিত দেহের ইবাদাত [সহীহ বুখারী, মুসলিম, আহমাদ,বাইহাকী]

১৪। যে তার মুসলমান ভাইয়ের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করে [সহীহ মুসলিম, মুয়াত্তা মালিক,আহমাদ, তিরমিযী]

১৫। জাহিলিয়্যাতের দিকে আহ্বানকারী [সূরা আল-মায়িদাঃ৫০, আল-ইমরানঃ ১৪৯, আহমাদ,হাকিম]

১৬। যে বিচারক আল্লাহর আইন মত ফয়সালা করে না [তিরমিযী, হাকিম; সহীহ]

১৭। মাতা-পিতার অবাধ্য সন্তান (শরিয়াত সম্মত নির্দেশে) [তাবারানী, তাওবাহঃ২৩]

১৮। দান করে বা উপকার করে যে খোটা দেয়

[সূরা বাকারাঃ ২৬৪, তাবারানী]

১৯। তাকদীর অস্বীকারকারী [ইবনু অনাবী আসিম- সুন্নাহ, তাবারানী, ইবনু আসাফির;হাসান]

২০। বেনামাযীর সৎকর্ম [তাবারানী, আহমাদ,বাইহাকী, দারেমী]

২১। জাফরান রং লাগানো বা এই রং-এর পোষাক পরিহিত পুরুষের সালাত [মুসলিম, মিশকাত]

২২। যে মহিলা সুগন্ধি লাগিয়ে বাইরে বা মাসজিদে যায় [সহীহ মুসলিম, আবু দাউদ]

২৩। যে জাতি নিজ হাতে অর্জন করা আযাবে পতিত হয় [মুসনাদে আহমাদ, ইবনু মাজাহ,তিরমিযী; সহীহ]

২৪। যে ব্যক্তি তার অভাবগ্রস্ত আত্মীয়ের

পরিবর্তে অন্যকে দান করে সে দান [তাবারানী,মিশকাত]

২৫। মাসজিদ ব্যতীত মাসজিদের প্রতিবেশীর

সালাত [হাকিম, বাইহাকী, আবূ দাউদ, ইবনু মাজাহ]

২৬। যে ব্যক্তি কোন মুমিনকে হত্যা করেও সন্তুষ্ট [আবু দাউদ; সহীহ]

২৭। মৃত্যু উপস্থিত হলে ঈমান ও তওবাহ কবুল হবে না [আন-নিসাঃ১৮, ইউনুসঃ৯০]

২৮। সূর্য পশ্চিম দিকে উদিত হলে ঈমান ও তওবাহ কবুল হবে না [সহীহ বুখারী, মুসলিম,নাসাঈ]

(সকল বিষয় সর্বাধিক জ্ঞাত একমাত্র আল্লাহ তায়ালা)

[সংক্ষেপিত]

গ্রন্থ নির্দেশিকাঃ

“যাদের ইবাদাত কবুল হয় না”

আহসানুল্লাহ বিন সানাউল্লাহ

একজন প্রবীণ হিসেবে নবীনদের প্রতি কিছু উপদেশ দিবেন কি?

১. সবকিছু ভাগ করুন।

২. ন্যায্য আচরণ করুন।

৩. মানুষকে আঘাত করবেন না।

৪. কোন জিনিস যেখানে আপনি খুঁজে পেয়েছেন সেখানে ফিরিয়ে দিন।

৫. আপনার নিজের অগোছালো জায়গা নিজে পরিষ্কার করুন

৬. যে জিনিস আপনার নয় সেগুলি নেবেন না।

৭. যখন আপনি কারও ক্ষতি করে ফেলেন অনিচ্ছাকৃত ভাবে তখন স্যরি বলুন।

৮. খাওয়ার আগে হাত ধুয়ে ফেলুন।

৯. ওয়াশ রুমে ফ্লাশ করুন।

১০. ঠান্ডা দুধ আপনার জন্য ভাল।

১১. ভারসাম্যপূর্ণ জীবনযাপন করুন - কিছু শিখুন এবং কিছু পান করুন এবং কিছু আঁকুন এবং কিছু আঁকুন এবং গান করুন এবং নাচবেন এবং খেলুন এবং প্রতিদিন কিছু কাজ করুন।

১২. প্রতি বিকেলে একটু ঘুমিয়ে নিন।

১৩. আপনি যখন বাসার বাইরে যান, ট্র্যাফিকের দিকে নজর রাখুন, হাত ধরে থাকুন এবং একসাথে থাকুন।

১৪. বিস্মিত ও সচেতন হন। ছোট্ট গাছের টবে ছোট বীজটিকে মনে রাখবেন: শিকড়গুলি নীচে নেমে যায় এবং গাছটি উপরে উঠে যায় এবং কীভাবে বা কেন সত্যই কেউ জানে না, তবে আমরা সবাই এরকম।

১৫. পড়াশোনার পাশাপাশি ক্যারিয়ার এর দিকে মনযোগ দিন। দিশ শেষে আপনার জীবন আপনাকেই চালাতে হবে।

আপনার মতে, পৃথিবীর 15 টি সেরা পরিচিত দেশ কী?

১. যুক্তরাষ্ট্রঃ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে বৈশ্বিক ভূরাজনৈতিক সকল সিদ্ধান্তে হস্তক্ষেপ কারী দেশ। এ দেশ সামরিক, আর্থিক, শিক্ষা, চিকিৎসা, চলচ্চিত্র, বিজ্ঞান গবেষনা, অলিম্পিকে পদক জয় সকল দিক দিয়েই নিজেদের সর্বোচ্চ স্থানে রেখেছে।

২. রাশিয়াঃ যুক্তরাষ্ট্রের পরেই যে দেশের নাম আসে তা রাশিয়া। যদিও সকল খাতে যুক্তরাষ্ট্রকে টেক্কা দেয়ার ক্ষমতা নেই, কিন্তু ভূরাজনৈতিক বেশির ভাগ সিদ্ধান্তে যুক্তরাষ্ট্রের বিরোধিতা করে সব সময়ই রাশিয়া সুপরিচিত।

৩. চীনঃ অর্থনৈতিক ও ভূরাজনৈতিক অংগনে দিন দিন শক্তিশালী হয়ে উঠা চীন সারাবিশ্বেই একটি পরিচিত নাম। তারা সকল ক্ষেত্রে না হলেও ব্যাবসা বাণিয্যের দিক দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে টেক্কা দেয়ার চেষ্টা করছে। বিভিন্ন দেশে সমুদ্র বন্দর গড়ে একটা ভিন্ন রকম ঔপনিবেশবাদ গড়ে তুলছে তারা।

৪. তুরষ্কঃ গেলো দশকে মুসলিম অধ্যুষিত দেশের মধ্যে তুরষ্ক একটি পরিচিত নাম যাকে আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে যথেষ্ট সমিহের চোখে দেখা হয়।

৫. ইরানঃ মধ্য প্রাচ্যের দেশ গুলোর মধ্যে ইরান বিভিন্ন আন্তর্জাতিক কারনে সব সময়ই সুপরিচিত।

৬. ইরাকঃ যুদ্ধ বিদ্ধস্ত দেশ গুলোর মধ্যে ইরাক সব সময়ই উপরের সাড়িতে। তাদের নেতা সাদ্দামের কারনে ও বিশ্ব মানচীত্রে ইরাক সুপরিচিত।

৭. ইসরাইলঃ যুদ্ধবাজ ও দখলবাজ দেশ হিসাবে সারা বিশ্বের কাছেই ঘৃনিত নাম ইসরাইল।

৮. সৌদি আরবঃ শেষ নবীর দেশ, মক্কা নগরীর হজ্জ পালন, তেল সমৃদ্ধ হওয়া ও আমেরিকার সাথে মিত্রতা সহ আরো অনেক কারনে সৌদি আরব সারা বিশ্বেই চেনা জানা নাম।

৯. জাপানঃ প্রযুক্তি গত ভাবে এগিয়ে থাকা দেশ গুলোর মধ্যে জাপান এক সুপরিচিত নাম।

১০. ইংল্যান্ডঃ সারা বিশ্ব শাসন, বিশ্বের প্রথম সাড়ির ও পুরনো ঐতিহ্য বাহী বিশ্ববিদ্যালয় এর দেশ ইংল্যান্ড। তাছাড়া আমেরিকার চ্যালা হিসাবে ও দেশটির সুনাম রয়েছে।

১১. ব্রাজিলঃ ফুটবলের দেশ হিসাবে সারা বিশ্বে এক নামে চিনে। ৫ বার বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হবার গৌরব রয়েছে তাদের। তাছাড়া কফির জন্যে ও সুনাম রয়েছে। এ দেশের মধ্যে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় রেইন ফরেস্ট আমাযন অবস্থিত।

১২. সুইজারল্যান্ডঃ ভুস্বর্গ, বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার সদর দপ্তর, নামি দামি ব্র্যান্ডের ঘড়ির জন্যে বিখ্যাত।

১৩. ফ্রান্সঃ সুগন্ধি, পর্যটন, জাদুঘর, আইফেল টাওয়ার এসব এর কারনে এক সুপরিচিত নাম। সর্বশেষ ফুটবল বিশ্বকাপ তাদের ঘরেই গেছে।

১৪. জার্মানিঃ হিটলারের দেশ, পড়াশোনাতে আন্তর্জাতিক স্টুডেন্টদের কাছে পছন্দের দেশ। গাড়ি নির্মান প্রযুক্তিতে উন্নত। মজবুত অর্থনীতির দেশ জার্মানি। খেলা ধুলায় ও অনেক এগিয়ে। বিশেষ করে ফর্মুলা ওয়ান আর ফুটবলে। ফুটবলে ৪ বার বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হয়েছে জার্মানি।

১৫. স্পেইনঃ ফুটবলের জনপ্রিয়তম ক্লাব দুটো এই স্পেইনেই অবস্থিত। তাছাড়া তাদের রয়েছে শত বছরের ঐতিহাসিক গৌরব।

এ ছাড়া ও কিছু পরিচিত দেশের মধ্যে রয়েছেঃ

ভারত

পাকিস্থান

সিরিয়া

আর্জেন্টিনা

অস্ট্রেলিয়া

কানাডা

ইটালি

সুইজারল্যান্ড

সিংগাপুর

মালয়েশিয়া

হংকং

একজন যুবকের নিজের জন্য কী কী করা উচিত?

১. স্বপ্ন পূরনে তাৎক্ষনিক উদ্যোগ নেয়া

২. বর্তমানে যা করছে তার উপর ১১০% প্রচেষ্টা চালানো।

৩. প্রতিদিন বেয়াম করা।

৪. প্রতিদিন কিছু পড়া, কিছু লেখা।

৫. অযথা পরামর্শ এড়িয়ে চলা

৬. অর্থনীতি কিভাবে কাজ করে জানা।

৭. কিছু জমা করা শুরু করে দেয়া এখনই।

৮. নিজের সবচেয়ে ভালো স্কিলকে টাকা উপার্জনের মাধ্যম হিসাবে ব্যাবহার করা।

৯. পরিবার আর বন্ধুদের সাথে সময় কাটান।

১০. ভ্রমন করুন।

Sunday, January 31, 2021

আমি 40 মিনিটের মধ্যে শিখতে পারি এমন কিছু দরকারি দক্ষতা কী কী?

১. সকাল দশটা থেকে বিকেল পাঁচটার মধ্যে যখনই প্রস্রাব করতে যাবেন তার আগে এক গ্লাস জল/ পানি পান করে নেবেন। এটা অবশ্যই স্বাস্থ্যকর অভ্যাস এবং আপনার জল পান করার পরিমাণ বৃদ্ধি হবে।

২. বিছানায় শোয়ার পরেও যদি অনেকক্ষণ ঘুম না আসে তাহলে বারবার চোখ খোলা বন্ধ করতে থাকুন। এতে চোখের ক্লান্তি হবে এবং তাড়াতাড়ি ঘুমিয়ে পড়বেন।

৩. প্রতিদিন আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে অন্তত 5 মিনিট নিজেকে খুব সূক্ষ্মভাবে পর্যবেক্ষণ করুন। নিজের আশা হতাশা সব ওই আয়নার সামনে প্রকাশ করুন। আপনি সবথেকে ভালো পরামর্শটি সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ মানুষটির কাছ থেকে পেয়ে যাবেন।

৪. বাইরে কোথাও ঘুরতে গেলে অথবা খাবার খেতে গেলে অবশ্যই ঘর থেকে জলের বোতল নিয়ে যাবেন। স্বাস্থ্য এবং অর্থ উভয়ই বৃদ্ধি পাবে।

৫. বাড়িতে আপনার সামর্থ্য অনুযায়ী ফুল গাছ লাগান। প্রজাপতি, পাখি, গাছপালা সমস্ত রকমের জীবজন্তু দের পর্যবেক্ষণ করুন মনের শান্তি অনেকাংশে বৃদ্ধি পাবে।

৬. মাঝে মাঝে পুকুর অথবা নদীতে স্নান করুন। গোসল করার আসল মজা উপভোগ করতে পারবেন।

৭. ফুটপাতের সবজি বিক্রেতাদের কাছে খুব বেশি দরদাম করবেন না। পারলে দরদাম নাই করুন। বড়লোক ধূর্ত ব্যবসায়ীদের মত 499/ 999 এই রকম দাম বলা এদের স্বভাবে নেই। আর এটাও মনে রাখবেন এরা এই সবজি বিক্রি করে কখনোই রাজপ্রাসাদ বানায় না।

৮. আপনার জীবনের বিশেষ দিনগুলোতে যেমন ধরুন বিবাহবার্ষিকী, জন্মদিন এসব দিনে গরিব বাচ্চাদের তাদের প্রয়োজনীয় সামগ্রী প্রদান করে সহযোগিতা করুন। অসহায় দুঃখী মানুষদের সাহায্য করুন।

৯. রাজনীতি থেকে যতটা সম্ভব নিজেকে দূরে রাখুন। যদি সত্যি মানুষের সেবা করার ইচ্ছে থাকে তাহলে সিভিল সার্ভিস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে মানুষের সেবা করুন। মনে রাখবেন উন্নত দেশে রাজনীতি নিয়ে সেভাবে মাতামাতি হয়না। ভারতবর্ষ যেহেতু একটি উন্নত দেশ হওয়ার পথে রয়েছে, তাই ভবিষ্যতে এখানেও রাজনীতির গুরুত্ব কমে যাবে।

১০. জীবনে যখনই সময়ের পাবেন রামায়ণ-মহাভারতের মত কাহিনীগুলো চলচ্চিত্রের মাধ্যমে দেখে নিন (যদি আগে না দেখে থাকেন)। এইসব পৌরাণিক কাহিনীগুলো আপনার চরিত্র গঠন করবে এবং জীবনের অনেক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতেও সাহায্য করবে।

১১. যেকোনো সময় খাবার আপনার খিদের ৮0 শতাংশই পূর্ণ করুন। যথাসম্ভব হাঁটাহাঁটি করুন, সাইকেল ব্যবহার করুন। আপনার দীর্ঘ সুস্থ জীবন কামনা সফল হবে।

১২. প্রতিদিনই Quora তে অন্তত একটি উত্তর লেখার চেষ্টা করুন মাসে 30 টি এবং বছরে 365 টি উত্তর হয়ে যাবে।

১৩. জীবনের যেকোনো গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার আগে জাপানিদের ব্যবহৃত "IKIGAI" পদ্ধতি অবলম্বন করতে পারেন।

১৪. ক্রিকেট খেলা দেখা বন্ধ করুন। মনে রাখবেন বড়লোকেরা এবং কিছু ব্যবসায়ী মানুষ ক্রিকেট খেলার মাধ্যমে প্রচুর অর্থ উপার্জন করেন। নিম্নবিত্ত এবং মধ্যবিত্ত সাধারণ মানুষ ক্রিকেট খেলা দেখে অর্থ এবং সময় দুই অপচয় করেন। যদি ক্রিকেট খেলা সত্যি ভালোবাসেন তাহলে ক্রিকেট খেলুন। খেলা কখনোই দেশের সাফল্যের পরিচয় হতে পারে না।

আর যদি আপনি মগজে শান দিতে চান তাহলে দাবা খেলার কোন বিকল্প নেই।

১৫. যেকোনো কথা বলার আগে অন্তত দুই সেকেন্ড ভাবুন। বিতর্কিত কথার প্রবণতা কমে যাবে এবং যুক্তিপূর্ণ সঠিক কথা বলার প্রবণতা বৃদ্ধি পাবে।

১৬. কারোর জীবন যাচাই করা এবং কারোর ব্যক্তিগত ব্যাপারে মতামত প্রকাশ করা উচিত নয়। এটি জীবনের জঘন্য কাজ গুলির মধ্যে একটি।

১৭. শৃঙ্খলাবদ্ধ জীবন যাপন করুন এবং প্রত্যেকদিন ধ্যান করুন।

১৮. প্রোগ্রামিং, ওয়েব ডিজাইনিং, গ্রাফিক ডিজাইনিং, ব্লগিং, ফটোগ্রাফির মতো সময় উপযোগী কৌশল রপ্ত করে নিজেকে উন্নত করো।

১৯. নিয়মিত বিভিন্ন রকম কর্মশালায় অংশগ্রহণ করুন এবং আপনার আগামীর জীবনকে আরো দক্ষতা পূর্ণ করে তুলুন।

২০. নিজের জীবনের গতিপথ নিজেই নির্ধারণ করুন এবং জীবনে নির্ণয় নেওয়া অভ্যাস করুন।

কোন জিনিসগুলি মানুষের জীবন থেকে ত্যাগ করা উচিত?

যা আপনার মন,আত্মা থেকে মনে হবে খারাপ তাই ত্যাগ করুন। আপনার ভেতর থেকে যদি মনে হয় এটা খারাপ তবে কেউ তা চাইলেও আপনার পছন্দের করতে পারবে না,আপনাকে দিয়ে করাতে পারবে না।

  • ইচ্ছাকৃত ভাবে কারো ক্ষতি থেকে বিরত থাকুন। একই ক্ষতি আপনার হবে তবে ভিন্ন মাধ্যমে, ভিন্ন উপায়ে।
  • কারো কথা কাীো কাছে প্রচার করবেন না। কেউ বিশ্বাস করে কিছু বললে তা নিজের মধ্যে রাখুন।
  • রাস্তায় চলার সময় মানুষের উপকার করুন। কে জানে আপনার একটা কাজে অনেকে জীবন বেঁচে যাবে।
  • কখনোই ধুমপান করবেন না। কারণ এতে পরিবেশের ক্ষতি এবং আপনার চারপাশের মানুষের ব্যাপক ক্ষতি হয়।
  • কারো ব্যাক্তিগত আচার-আচরণ, জীবন ধারা নিয়ে আলোচনা করবেন না। যারযার জীবন সে তার মতো চালানোর অধিকার তার আছে।
  • কারো অধিকার এর উপর হস্তক্ষেপ করবেন না। যে যা পাওয়ার যোগ্য সে তাই পাবে।
  • সমালোচনা না করে আত্ম আলোচনা করুন। নিজের ভুল গুলো শুধরানোর চেষ্টা করুন।
  • আপনি যে ধর্মে বিশ্বাসী সেই ধর্মের কাজ করুন। অন্য কারো চিন্তার উপর নিজের মতামত চাপাবেন না।এটা খুবই জঘন্য কাজ।
  • সবশেষে সময় নষ্ট, সময়কে হেলাফেলা না করে এখন যা করা উচিত তা করার জন্য লেগে পড়ুন। মানুষের পিছনে মোটেও লাগতে যাবেন না।

ধন্যবাদ। 🖋️