Monday, February 1, 2021

মৃত্যুর পর দেখলেন যে আপনি যেই ধর্মপালন করে গেছেন সেটা মিথ্যা। অন্য কোন ধর্ম সত্য? আপনার প্রতিক্রিয়া কী হবে?

খুবই সুন্দর প্রশ্ন। খুবই গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। এর চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন একজন মানুষের জন্য আর কিছু নেই বোধহয়।

মৃত্যুর পরে যদি দেখি যেই ধর্ম পালন করে গেছি সেটা মিথ্যা - তখন "আশ্চর্য" বা "হতাশ" রিয়্যাক্ট দেয়াই স্বাভাবিক। আসলে, পস্তানো ছাড়া কিছুই করার থাকবে না। তবে আমি নিশ্চয় দেখবো যে, আমার ধর্মই সত্য

কিন্তু, কেন?

কিসের ভিত্তিতে আমি আত্মবিশ্বাসী? সেই যুক্তিগুলো বিস্তারিত বলছি।

তার আগে বলে নিই। যে কোনো ধর্মবলম্বী হই না কেন, আমরা অনেকেই দু'একটি যুক্তির মাধ্যমে "নিজের ধর্মই উৎকৃষ্ট" এই সিদ্ধান্তে চলে আসে। কিন্তু আসলে তো আমার যুক্তি ভুলও হতে পারে, আমার যুক্তির উপর সত্য নির্ভর করে না, বরং সত্যকে চেনার জন্য কোন্‌ যুক্তি, কোন্‌ মাপকাঠি দিয়ে যাচাই করা দরকার, সেটা জানা জরুরী। সৃষ্টিকর্তা মানুষকে জ্ঞান-বুদ্ধি দিয়েছেন। আমি মনে করি, সেই জ্ঞান-বুদ্ধি লাভ করার প্রেক্ষিত্রে, আমাদের প্রতিটি সবচেয়ে বড় দায়িত্ব হলো "সত্যকে খুঁজে নেয়া"।

আর হ্যাঁ, ধর্মকে যাচাই করার জন্য আমার এই যুক্তিগুলোর চাইতে আরো ভালো যুক্তি যদি আপনার কাছে থাকে, জানাবেন।

কিভাবে যাচাই করা যায়?

অনেক মানুষই বিভিন্ন ধর্মের অনুসারীদেকে দেখে, তাদের দিয়ে ধর্মটিকে বিচার করে। এটা ভুল পদ্ধতি। কারণ: (ক) যে কোনো ধর্মেই খারাপ মানুষ থাকতে দেখা যায়। চোর-ডাকাত-খুনী ইত্যাদি। (খ) সাধারণ কোনো মানুষই একটি ধর্মকে পুরোপুরী পালন করে না। বরং কিছু মানুষ ভালাভাবে মানার চেষ্টা করে, কেও একটু আধটু মেনে যথেষ্ট মনে করে। (গ) তাছাড়া, মানুষই ধর্মকে অনুসরণ করে, ধর্ম মানুষকে জোর করে ভালো-মন্দ বানায় না। ধর্ম মানুষকে ততটুকু প্রভাবিত করতে পারে, মানুষ যতটুকু নিজেকে ধর্মের কাছে আত্মসমর্পন করে।

তাহলে, মানুষকে দিয়ে ধর্ম যাচাই ঠিক হবে না। কোনো ধর্মকে যাচাই করতে হলে সেটার মূল ধর্মগ্রন্থকে যাচাই করতে হবে। আসুন এই দাবীগুলো সত্য কিনা, সেটা চিন্তা করে দেখি:

দাবী১:

সৃষ্টিকর্তার বাণীই শ্রেষ্ঠ, মানুষের তৈরী ধর্ম নয়।

পর্যালোচনা/যাচাই:

সৃষ্টিকর্তা যদি নিজে কোনো জীবন বিধান (গাইডলাইন) দিয়ে থাকেন, তাহলে সেটার চাইতে ভালা বিধান কি মানুষ তৈরী করতে পারে? অবশ্যই নয়। তাহলে মানুষের তৈরী ধর্মগুলো অবশ্যই উৎকৃষ্ট হতে পারে না। সৃষ্টিকর্তার দেয়া বিধানই উৎকৃষ্ট হবে।

দাবী২:

ধর্মগ্রন্থগুলোর মেয়াদ বা সীমা: সৃষ্টিকর্তা যখন থেকে মানুষ পাঠিয়েছেন পৃথিবীতে তখন থেকেই যুগে যুগে নবী পাঠিয়েছেন। তবে, পূর্ববর্তী নবীদের পাঠানো হয়েছে একটা নির্দিষ্ট সময় বা একটি নির্দিষ্ট জাতীর জন্য। আর শেষ নবীকে পাঠানো হয়েছে, সমগ্র মানব জাতীর জন্য, সর্বশেষ নবী হিসেবে। আর আল-কুরআন হলো সর্বশেষ ও চুড়ান্ত ধর্মগ্রন্থ।

পর্যালোচনা/যাচাই:

আল-কুরআনে বলা হয়েছে আর কোনো নবী আসবে না, পৃথিবীর শেষ পর্যন্ত আল-কুরআনই সৃষ্টিকর্তার দেয়া চুড়ান্ত ধর্মগ্রন্থ। এছাড়াও, আল-কুরআনের আগের ধর্মগ্রন্থগুলোতে উল্লেখ আছে যে, পরবর্তীতে নবী আসবেন, আর তখন তাঁকেই অনুসরণ করতে হবে।

দাবী৩:

আল কুরআন অবিকৃত। অন্যদিকে, অন্যান্য ধর্মগ্রন্থগুলি বিকৃত বা পরিবর্তিত হয়েছে।

পর্যালোচনা/যাচাই:

আল কুরআনের দাবী হলো এটি অবিকৃত থাকবে এবং অবিকৃতই আছে। ওদিকে, অন্যান্য ধর্মগ্রন্থে এক অংশের সাথে অন্য অংশের কিছু কিছু ক্ষেত্রে খুবই স্পষ্ট বৈপরীত্য পাওয়া যায়। আর সেটা প্রমাণ করে যে, সেসব ধর্মগ্রন্থ মানুষের দ্বারা পরিবর্তিত ও বিকৃত হয়েছে। তাছাড়াও সেসব ধর্মের অনুসারী/পণ্ডিতরাও স্বীকার করেন যে এটা পরিবর্তি হয়েছে যুগে যুগে। যেমন:
খ্রিস্টান পণ্ডিতগণ বিভিন্ন সময় বাইবেল সংশোধন করে, নতুন সংস্করণ প্রকাশ করে আসছেন।
হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের স্বীকারোক্তি শুনেছি যে, তাদের ধর্ম সময়ের সাথে সাথে পরিবর্তিত হয়েছে।

দাবী৪:

আল-কুরআন সরাসরি দাবী করে যে, এটাই একমাত্র পূর্ণঙ্গ জীবন বিধান। এটাই সর্বশেষ ও চুড়ান্ত ধর্মগ্রন্থ।

পর্যালোচনা/যাচাই:

অন্য ধর্মাবলম্বিরা প্রত্যেক নিজের ধর্মকে সর্বোৎকৃষ্ট দাবী করতেই পারে। কিন্তু কোনো ধর্মগ্রন্থে এরকম দাবী নেই। আর যদি একাধিক ধর্মগ্রন্থ এরকম দাবী করে, তাহলে আমাদের যাচাই করার কাজটি আরো ব্যাপকভাবে করতে হবে।

এছাড়াও অন্য কোনো ধর্মগ্রন্থে উল্লেখও নাই, কিন্তু আল-কুরআনে উল্লেখ আছে যে, এটাই সর্বশেষ ও চুড়ান্ত ধর্মগ্রন্থ। লিখা থাকাটাই তো যথেষ্ট নয়, তবে এ কথাটির গুরুত্ব দেয়া জরুরী হয়ে যায় যদি আমরা দেখি যে, আল-কুরআন অবিকৃত এবং সৃষ্টিকর্তার বাণী।

দাবী৫:

আল-কুরআন সৃষ্টিকর্তার বাণী।

পর্যালোচনা/যাচাই:

"আল-কুরআন সৃষ্টিকর্তার বাণী" একথার প্রমাণ কি? এর অনেক অনেক প্রমাণ রয়েছে। খুব সংক্ষেত্রে কয়েকটির উল্লেখ করছি এখানে। (ক) আল-কুরআন বলছে, এর (আয়াতগুলো) অপরিবর্তি থাকবে, আর সেটা বজায় আছে। (খ) আল-কুরআনে উল্লিখিত অনেক অনেক তথ্য সত্য প্রমাণিত হয়েছে। কিন্তু আল-কুরআনের কোনো তথ্য আজ পর্যন্ত ভুল প্রমাণিত হয়নি। যেমন: (ক) মানব মানব ভ্রুণের শুরুর অবস্থাগুলো সম্পর্কে বিস্তারিত বর্ণনা। (খ) চাঁদের আলো তার নিজের আলো নয়, প্রতিফলিত আলো। (গ) সূর্য-পৃথিবী এসব গ্রহগুলো নিজের অক্ষের চারপাশে প্রদক্ষিণ করে। (ঘ) বিশ্বজগত প্রতিনিয়ত সম্প্রসারিত হচ্ছে। ইত্যাদি। এ বিষয়ে আরেকটু বিস্তারিত লিখেছি অন্য একটি উত্তরে, অনুগ্রহ করে সেই উত্তরটি দেখুন, এখানে: https://bn.quora.com/কুরআনের-আয়াত-যে/answers/258649058

তাহলে, আল-কুরআন অবশ্যই সৃষ্টিকর্তার বানী। আর, আল-কুরআনের এই কথাও সত্য যে, আল-কুরআন কেন্দ্রীক জীবন বিধান ইসলামই সর্বশেষ এবং চুড়ান্ত জীবন বিধান।

ধর্মকে যাচাই কররো জন্য, যদি আপনার কাছে আরো ভালো যুক্তি থাকে, আমি সেটা জানতে চাই, এবং আমার নিজের ধর্ম "ইসলাম"কে সেই যুক্তি দিয়ে যাচাই করতে চাই।

কিভাবে আমি নিজেকে শক্তিশালি করব?

ছবির উৎস,GETTY IMAGES

ছবির ক্যাপশান,

আপনি কি করছেন সেটি পরিষ্কার থাকলে এমন সুখী ভাব চলে আসবে

২. নিজেকে আরও সফল করে তুলুন

তালিকাটি আক্ষরিক অর্থেই আপনাকে সফল করে তুলতে পারে এবং এটিই হতে পারে বেশি কার্যকর।

মনোবিজ্ঞানী জর্ডান পিটারসন দেখিয়েছেন যে শিক্ষার্থীরা একটি প্রক্রিয়া অনুসরণ করলে তাদের পারফরমেন্স ভালো হয়।

তাই একটি কলম নিন, সাথে এক টুকরো কাগজ।

নিজের লক্ষ্যগুলো লিখতে শুরু করে দিন।

৩. অর্থ সঞ্চয় করুন

নিজের অর্থ সঞ্চয়ের বিষয়ে ভাবতে হবে।

অর্থাৎ কোথায় গেলে আপনার জন্য সাশ্রয় হবে সেটিও জানা থাকা উচিত।

তাই ধরুন শপিংয়ে যাবেন, তাহলে লিখে ফেলুন কি কি কিনবেন।

তারপর দেখুন কোথায় সেটা আপনার জন্য সাশ্রয়ী হবে।

এটি আপনাকে অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় থেকে রক্ষা করবে।

৪. আত্ম-সন্দেহ থেকে মুক্ত থাকুন ও আত্মবিশ্বাসকে আরও জাগ্রত করুন

ধরুন হঠাৎ যদি মনে হয় যে জীবন আপনি পার করছেন তা যথেষ্ট ভালো নয়, তাহলো একটি সঠিক তালিকাই আপনাকে সে পরিস্থিতি থেকে বের করে নিয়ে আসতে পারে।

আপনি আপনার ছোট বড় সব অর্জনগুলো তালিকায় তুলে ফেলুন।

দেখবেন সত্যিই কি দারুণ সময় গেছে আপনার।

মানুষ এ আত্মবিশ্বাস নিয়েই সমস্যায় ভোগে।

তাই এ তালিকাটি করুন সেটি যে ধরণের সাফল্যই হোকনা কেন।

এরপর দেখুন নিজের যোগ্যতা সম্পর্কে আত্মবিশ্বাস আরও কিভাবে বাড়ে।

ছবির উৎস,GETTY IMAGES

ছবির ক্যাপশান,

নিজের সফলতা গুলো

৫. নিশ্চিত করুন যে কোনো ভুল করছেন না

এটি আপনাকে কোনো বিপর্যয় থেকে রক্ষা করবে।

এ ধরণের একটি চেক লিস্ট তাই জরুরি।

বিয়ের পরিকল্পনা, বা ছুটিতে যাওয়ার পরিকল্পনা।

এ সময় লিখে ফেলুন কি কি দরকার।

দেখবেন দারুণ পরিকল্পনা হয়ে যাচ্ছে।

ছবির উৎস,GETTY IMAGES

ছবির ক্যাপশান,

নিজের সঞ্চয় কিভাবে ব্যয় করবেন ভাবুন

৬. সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনায় স্থির থাকতে নিজেকে সহায়তা করুন

আমাদের মস্তিষ্ক অনেক সময় মনে করিয়ে দেয় যে কোন কাজগুলো শুরু করেও আমরা শেষ করিনি।

আর এ কারণে যখন আপনি মনোযোগ দিয়ে কোনো কাজ করছেন তখন দেখবেন আরেকটি বিষয় মনে এসে আপনার কাজের ব্যাঘাত ঘটিয়ে দিচ্ছে।

এজন্য মনোবিজ্ঞানীরা বলেন কোনটা করবেন তা লিখে ফেলুন এবং সে অনুযায়ী কাজ করুন।

৭. যে জিনিসগুলো আপনাকে দমিয়ে রেখেছে সেগুলোর মুখোমুখি হোন

যেসব বিষয় আপনাকে এগুতে দিচ্ছেনা বা দমিয়ে রাখছে সেগুলোর মুখোমুখি হোন।

হয়তো মনে হবে বিষয়টি সুখকর নাও হতে পারে।

তারপরেও মোকাবেলা করুন।

দেখবেন শেষ পর্যন্ত সন্তুষ্টিই আসবে।

-বিবিসি এবং গুগল থেকে সংগৃহীত ।

কথা বলার সময় শব্দ চয়নের অভাব, জড়তা, সংকুচিতবোধ থেকে উত্তরণের উপায় জানাবেন কি?

প্রশ্নটির জন্য অনেক ধন্যবাদ। এর সমাধান খুবই সহজ।

  • নিয়মিত বই পড়ুন। এটি আপনার শব্দভাণ্ডার সমৃদ্ধ করতে সাহায্য করবে।
  • প্রতিদিন সংবাদপত্র পড়ুন। আপনার সাধারণ জ্ঞান এবং দৈনন্দিন খবরাখবরের জ্ঞান বৃদ্ধি পাবে। তার ফলে কোনো বিষয়ে কিছু বলতে গেলে আপনার আত্মবিশ্বাস অটুট থাকবে।
  • পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে অথবা বন্ধুবান্ধবদের সঙ্গে কোনো নির্দিষ্ট বিষয়ের উপর আলোচনা চালান এবং নিজের বক্তব্য রাখুন।
  • আয়নার সামনে কথা বলার অনুশীলন করতে পারেন।
  • মোবাইল ফোনে ভিডিও রেকর্ডিং করে কথা বলতে পারেন, কোনো ভুল হলে নিজেই দেখে শুধরে নেওয়া যাবে।
  • লোকজনের সঙ্গে আলাপচারিতার সময় যে বিষয়ে আপনি বিশেষ কিছু জানেন না সেটির ব্যাপারে তেমন কোনো বক্তব্য পেশ না করাই শ্রেয়। এতে আপনি নিজের বক্তব্য নিয়ে সন্দিহান থাকার কোনো সমস্যাই থাকবে না। একটা কথা মনে রাখবেন, সমাজে একজন ভালো শ্রোতার গুরুত্ব অনেক।
  • যে বিষয়ে আপনার জ্ঞান আছে সেটির ব্যাপারে কথা বলার সময় আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বলুন, অন্যান্যদের চোখের দিকে তাকিয়ে। দেখবেন সব জড়তা কেটে যাবে।

কাদের আমল আল্লাহ কবুল করেনা?

আল্লাহ সুবহানাহু আয়ালা পবিত্র কুরআনে বলেন,

“(হে রাসূল)! আপনি বলুন, আমি কি তোমাদেরকে সে সব লোকের সংবাদ দিব না, যারা কর্মের দিক দিয়ে খুবই ক্ষতিগ্রস্ত? ওরা তারাই পার্থিব জীবনে যাদের আমলবিনষ্ট হয়েছে,যদিও তারা মনে করে যে, তারা সৎ কাজইকরছে।” [সূরা কাহাফঃ১০৩-১০৪]

যাদের আমল কবুল হবে না —

১। কাফির ও মুরতাদের আমল।[নূরঃ৩৯,মায়িদাঃ৫, ইমরানঃ ২১, মুহাম্মাদঃ৮,বাকারাঃ২১৭, সহীহ মুসলিম]

২। যে শিরক করে তার সকল আমল। [আন’আমঃ৮৮,যুমারঃ৬৫]

৩। মুনাফিকের ইবাদাত। [আহযাবঃ১৯,তাওবাহঃ৫৩, মায়িদাহঃ৫২, মুহাম্মাদঃ২৮]

৪। বিদ’আতীর সকল আমল। [কাহাফঃ১০৪,মুহাম্মাদঃ৩৩, বুখারী, মুসলিম, তারগীব, আততারহীব; সহীহ ]

৫। যে বিদ’আতীকে আশ্রয় দেয়। [বুখারী ও মুসলিম]

৬। লোক দেখানোর উদ্দেশ্যে কৃত ইবাদাত। [সূরা হুদঃ১৫, মুসলিম, আবু-দাউদ, নাসাঈ, আহমাদ,বাইহাকি]

৭। তাকওয়া বিহীন উৎসর্গ [সূরা হাজ্জঃ ৩৭,মায়িদাঃ ২৭]

৮। গণক ও জ্যোতিষীর কাছে গমনকারী[সহীহ বুখারী, মুসলিম, আবূ-দাউদ সহীহ,তিরমিযী, নাসাঈ]

৯। মদ্যপায়ী [তিরমিযী হাসান, হাকিম,নাসাঈ]

১০। অপবিত্রাবস্থায় আদায়কৃত সালাত [সহীহ বুখারী, মুসলিম]

১১। ওড়না পরিধান ছাড়া প্রাপ্ত বয়স্কার সালাত [তিরমিযী, আবূ-দাউদ, ইবনু মাজাহ,হাকিম, আহমাদ]

১২। হারাম পন্থায় উপার্জিত সম্পদের ব্যয়

[মুসলিম, আবূ দাউদ, তিরমিযী, নাসাঈ, ইবনু মাজাহ; সহীহ]

১৩। হারাম খাদ্যের দ্বারা গঠিত দেহের ইবাদাত [সহীহ বুখারী, মুসলিম, আহমাদ,বাইহাকী]

১৪। যে তার মুসলমান ভাইয়ের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করে [সহীহ মুসলিম, মুয়াত্তা মালিক,আহমাদ, তিরমিযী]

১৫। জাহিলিয়্যাতের দিকে আহ্বানকারী [সূরা আল-মায়িদাঃ৫০, আল-ইমরানঃ ১৪৯, আহমাদ,হাকিম]

১৬। যে বিচারক আল্লাহর আইন মত ফয়সালা করে না [তিরমিযী, হাকিম; সহীহ]

১৭। মাতা-পিতার অবাধ্য সন্তান (শরিয়াত সম্মত নির্দেশে) [তাবারানী, তাওবাহঃ২৩]

১৮। দান করে বা উপকার করে যে খোটা দেয়

[সূরা বাকারাঃ ২৬৪, তাবারানী]

১৯। তাকদীর অস্বীকারকারী [ইবনু অনাবী আসিম- সুন্নাহ, তাবারানী, ইবনু আসাফির;হাসান]

২০। বেনামাযীর সৎকর্ম [তাবারানী, আহমাদ,বাইহাকী, দারেমী]

২১। জাফরান রং লাগানো বা এই রং-এর পোষাক পরিহিত পুরুষের সালাত [মুসলিম, মিশকাত]

২২। যে মহিলা সুগন্ধি লাগিয়ে বাইরে বা মাসজিদে যায় [সহীহ মুসলিম, আবু দাউদ]

২৩। যে জাতি নিজ হাতে অর্জন করা আযাবে পতিত হয় [মুসনাদে আহমাদ, ইবনু মাজাহ,তিরমিযী; সহীহ]

২৪। যে ব্যক্তি তার অভাবগ্রস্ত আত্মীয়ের

পরিবর্তে অন্যকে দান করে সে দান [তাবারানী,মিশকাত]

২৫। মাসজিদ ব্যতীত মাসজিদের প্রতিবেশীর

সালাত [হাকিম, বাইহাকী, আবূ দাউদ, ইবনু মাজাহ]

২৬। যে ব্যক্তি কোন মুমিনকে হত্যা করেও সন্তুষ্ট [আবু দাউদ; সহীহ]

২৭। মৃত্যু উপস্থিত হলে ঈমান ও তওবাহ কবুল হবে না [আন-নিসাঃ১৮, ইউনুসঃ৯০]

২৮। সূর্য পশ্চিম দিকে উদিত হলে ঈমান ও তওবাহ কবুল হবে না [সহীহ বুখারী, মুসলিম,নাসাঈ]

(সকল বিষয় সর্বাধিক জ্ঞাত একমাত্র আল্লাহ তায়ালা)

[সংক্ষেপিত]

গ্রন্থ নির্দেশিকাঃ

“যাদের ইবাদাত কবুল হয় না”

আহসানুল্লাহ বিন সানাউল্লাহ

একজন প্রবীণ হিসেবে নবীনদের প্রতি কিছু উপদেশ দিবেন কি?

১. সবকিছু ভাগ করুন।

২. ন্যায্য আচরণ করুন।

৩. মানুষকে আঘাত করবেন না।

৪. কোন জিনিস যেখানে আপনি খুঁজে পেয়েছেন সেখানে ফিরিয়ে দিন।

৫. আপনার নিজের অগোছালো জায়গা নিজে পরিষ্কার করুন

৬. যে জিনিস আপনার নয় সেগুলি নেবেন না।

৭. যখন আপনি কারও ক্ষতি করে ফেলেন অনিচ্ছাকৃত ভাবে তখন স্যরি বলুন।

৮. খাওয়ার আগে হাত ধুয়ে ফেলুন।

৯. ওয়াশ রুমে ফ্লাশ করুন।

১০. ঠান্ডা দুধ আপনার জন্য ভাল।

১১. ভারসাম্যপূর্ণ জীবনযাপন করুন - কিছু শিখুন এবং কিছু পান করুন এবং কিছু আঁকুন এবং কিছু আঁকুন এবং গান করুন এবং নাচবেন এবং খেলুন এবং প্রতিদিন কিছু কাজ করুন।

১২. প্রতি বিকেলে একটু ঘুমিয়ে নিন।

১৩. আপনি যখন বাসার বাইরে যান, ট্র্যাফিকের দিকে নজর রাখুন, হাত ধরে থাকুন এবং একসাথে থাকুন।

১৪. বিস্মিত ও সচেতন হন। ছোট্ট গাছের টবে ছোট বীজটিকে মনে রাখবেন: শিকড়গুলি নীচে নেমে যায় এবং গাছটি উপরে উঠে যায় এবং কীভাবে বা কেন সত্যই কেউ জানে না, তবে আমরা সবাই এরকম।

১৫. পড়াশোনার পাশাপাশি ক্যারিয়ার এর দিকে মনযোগ দিন। দিশ শেষে আপনার জীবন আপনাকেই চালাতে হবে।

আপনার মতে, পৃথিবীর 15 টি সেরা পরিচিত দেশ কী?

১. যুক্তরাষ্ট্রঃ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে বৈশ্বিক ভূরাজনৈতিক সকল সিদ্ধান্তে হস্তক্ষেপ কারী দেশ। এ দেশ সামরিক, আর্থিক, শিক্ষা, চিকিৎসা, চলচ্চিত্র, বিজ্ঞান গবেষনা, অলিম্পিকে পদক জয় সকল দিক দিয়েই নিজেদের সর্বোচ্চ স্থানে রেখেছে।

২. রাশিয়াঃ যুক্তরাষ্ট্রের পরেই যে দেশের নাম আসে তা রাশিয়া। যদিও সকল খাতে যুক্তরাষ্ট্রকে টেক্কা দেয়ার ক্ষমতা নেই, কিন্তু ভূরাজনৈতিক বেশির ভাগ সিদ্ধান্তে যুক্তরাষ্ট্রের বিরোধিতা করে সব সময়ই রাশিয়া সুপরিচিত।

৩. চীনঃ অর্থনৈতিক ও ভূরাজনৈতিক অংগনে দিন দিন শক্তিশালী হয়ে উঠা চীন সারাবিশ্বেই একটি পরিচিত নাম। তারা সকল ক্ষেত্রে না হলেও ব্যাবসা বাণিয্যের দিক দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে টেক্কা দেয়ার চেষ্টা করছে। বিভিন্ন দেশে সমুদ্র বন্দর গড়ে একটা ভিন্ন রকম ঔপনিবেশবাদ গড়ে তুলছে তারা।

৪. তুরষ্কঃ গেলো দশকে মুসলিম অধ্যুষিত দেশের মধ্যে তুরষ্ক একটি পরিচিত নাম যাকে আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে যথেষ্ট সমিহের চোখে দেখা হয়।

৫. ইরানঃ মধ্য প্রাচ্যের দেশ গুলোর মধ্যে ইরান বিভিন্ন আন্তর্জাতিক কারনে সব সময়ই সুপরিচিত।

৬. ইরাকঃ যুদ্ধ বিদ্ধস্ত দেশ গুলোর মধ্যে ইরাক সব সময়ই উপরের সাড়িতে। তাদের নেতা সাদ্দামের কারনে ও বিশ্ব মানচীত্রে ইরাক সুপরিচিত।

৭. ইসরাইলঃ যুদ্ধবাজ ও দখলবাজ দেশ হিসাবে সারা বিশ্বের কাছেই ঘৃনিত নাম ইসরাইল।

৮. সৌদি আরবঃ শেষ নবীর দেশ, মক্কা নগরীর হজ্জ পালন, তেল সমৃদ্ধ হওয়া ও আমেরিকার সাথে মিত্রতা সহ আরো অনেক কারনে সৌদি আরব সারা বিশ্বেই চেনা জানা নাম।

৯. জাপানঃ প্রযুক্তি গত ভাবে এগিয়ে থাকা দেশ গুলোর মধ্যে জাপান এক সুপরিচিত নাম।

১০. ইংল্যান্ডঃ সারা বিশ্ব শাসন, বিশ্বের প্রথম সাড়ির ও পুরনো ঐতিহ্য বাহী বিশ্ববিদ্যালয় এর দেশ ইংল্যান্ড। তাছাড়া আমেরিকার চ্যালা হিসাবে ও দেশটির সুনাম রয়েছে।

১১. ব্রাজিলঃ ফুটবলের দেশ হিসাবে সারা বিশ্বে এক নামে চিনে। ৫ বার বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হবার গৌরব রয়েছে তাদের। তাছাড়া কফির জন্যে ও সুনাম রয়েছে। এ দেশের মধ্যে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় রেইন ফরেস্ট আমাযন অবস্থিত।

১২. সুইজারল্যান্ডঃ ভুস্বর্গ, বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার সদর দপ্তর, নামি দামি ব্র্যান্ডের ঘড়ির জন্যে বিখ্যাত।

১৩. ফ্রান্সঃ সুগন্ধি, পর্যটন, জাদুঘর, আইফেল টাওয়ার এসব এর কারনে এক সুপরিচিত নাম। সর্বশেষ ফুটবল বিশ্বকাপ তাদের ঘরেই গেছে।

১৪. জার্মানিঃ হিটলারের দেশ, পড়াশোনাতে আন্তর্জাতিক স্টুডেন্টদের কাছে পছন্দের দেশ। গাড়ি নির্মান প্রযুক্তিতে উন্নত। মজবুত অর্থনীতির দেশ জার্মানি। খেলা ধুলায় ও অনেক এগিয়ে। বিশেষ করে ফর্মুলা ওয়ান আর ফুটবলে। ফুটবলে ৪ বার বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হয়েছে জার্মানি।

১৫. স্পেইনঃ ফুটবলের জনপ্রিয়তম ক্লাব দুটো এই স্পেইনেই অবস্থিত। তাছাড়া তাদের রয়েছে শত বছরের ঐতিহাসিক গৌরব।

এ ছাড়া ও কিছু পরিচিত দেশের মধ্যে রয়েছেঃ

ভারত

পাকিস্থান

সিরিয়া

আর্জেন্টিনা

অস্ট্রেলিয়া

কানাডা

ইটালি

সুইজারল্যান্ড

সিংগাপুর

মালয়েশিয়া

হংকং

একজন যুবকের নিজের জন্য কী কী করা উচিত?

১. স্বপ্ন পূরনে তাৎক্ষনিক উদ্যোগ নেয়া

২. বর্তমানে যা করছে তার উপর ১১০% প্রচেষ্টা চালানো।

৩. প্রতিদিন বেয়াম করা।

৪. প্রতিদিন কিছু পড়া, কিছু লেখা।

৫. অযথা পরামর্শ এড়িয়ে চলা

৬. অর্থনীতি কিভাবে কাজ করে জানা।

৭. কিছু জমা করা শুরু করে দেয়া এখনই।

৮. নিজের সবচেয়ে ভালো স্কিলকে টাকা উপার্জনের মাধ্যম হিসাবে ব্যাবহার করা।

৯. পরিবার আর বন্ধুদের সাথে সময় কাটান।

১০. ভ্রমন করুন।