Sunday, October 18, 2020

জীবনকে উপভোগ করার উপায় কী?


একটাই জীবন মানুষের। আর এই ছোট্ট জীবনটাকে ঘিরেই কত আয়োজন আমাদের সবার। ছোট বেলা থেকে বড় হওয়া পর্যন্ত যা কিছু করা হয়, সবই তো এই জীবনের জন্যই। আর এই জীবনটাকেই যদি উপভোগ না করে পৃথিবী থেকে চলে যেতে হয়? নিশ্চয়ই আফসোস থেকে যাবে তাই না? ছোট্ট এই জীবনটাকে উপভোগ করা খুব কঠিন কোনো কাজ নয়। খুব সহজেই জীবনটাকে উপভোগ করতে পারবেন। কেবল মনে রাখুন কিছু মূল মন্ত্র।

খারাপ বন্ধুদের থেকে দূরে থাকুন

জীবনটাকে উপভোগ করতে হলে খারাপ বন্ধুদের থেকে দূরে থাকার চেষ্টা করুন। খারাপ বন্ধুরা খুব সহজেই জীবনের মজাটাকে মাটি করে দিতে পারে। কিছু বন্ধু একেবারেই নেতিবাচক ধরণের হয়। এধরণের নেতিবাচক বন্ধুদের থেকে দূরত্ব বজায় না রাখলে আপনারও জীবন সম্পর্কে নেতিবাচক ধারণা জন্মে যাবে। তাই এধরণের বন্ধুদের সাথে মেলামেশা না করাই ভালো।

নিজের ইচ্ছার প্রাধান্য দিন

নিজের ইচ্ছার প্রাধান্য দিন সবসময়েই। নাহলে মন থেকে কখনোই সন্তুষ্ট হতে পারবেন না। আপনার মন যদি কোনো ব্যাপারে সায় দেয় এবং সেটা যদি কোনো অন্যায় কাজ না হয়ে থাকে তাহলে অবশ্যই মনের কথা শুনুন। প্রয়োজনে গতানুগতিক নিয়ম ভেঙে ফেলুন।

নিজের জন্য সময় রাখুন

নিজের জন্য কিছুটা সময় রাখুন সবসময়েই। জীবনের হাজারো ব্যস্ততার মাঝেও একটুখানি সময় সবসময়েই নিজেকে দেয়ার চেষ্টা করুন। এই সময়টা নিজেকে না দিলে সারাজীবন আফসোস থেকে যাবে। নিজের জন্য বিশেষ এই সময়টাতে শুধু নিজের পছন্দের কাজ করুন। নিজেকে নিজেই উপভোগ করুন এই সময়ে।

নতুন নতুন বিষয় শিখুন

শেখার মধ্যে আছে আনন্দ। নতুন কিছু শিখলে জীবনের একঘেয়েমি অনেকটাই দূর হয়ে যায়। তাই প্রতিনিয়তই নতুন নতুন বিষয় শেখার চেষ্টা করুন। নিজেকে ব্যস্ত রাখুন নানান কোর্সে। নিজের শখের বিষয়গুলোতেও আরেকটু এক্সপার্ট হয়ে নিন কিছু কোর্সের মাধ্যমে। এতে জীবনটাকে অনেকটাই উপভোগ্য মনে হবে।

ছোটখাটো বিষয় লক্ষ্য করুন

জীবনের চলার পথে ছোটখাটো বিষয় গুলোকে লক্ষ্য করুন। একটু লক্ষ্য করলেই আনন্দ খুঁজে পাবেন ছোটখাটো নানান বিষয় থেকে। পথের ধারের চায়ের দোকানের আড্ডা থেকে ঘরের বেডরুমে ভুল করে ঢুকে যাওয়া একটি প্রজাপতি, সব কিছু দেখেই জীবনটাকে অনেক সুন্দর মনে হবে।

মাঝে মাঝে অ্যাডভেঞ্চার করুন

জীবনটাকে উপভোগ করতে হলে মাঝে মাঝে একটু ঝুঁকি নেয়ার প্রয়োজন আছে। সবসময়েই গদ বাঁধা নিয়মের বেড়াজালে

নিজেকে জড়িয়ে না রেখে মাঝে মাঝে একটু অ্যাডেভেঞ্চার করুন। হুট করেই ঘুরে আসুন অ্যাডভেঞ্চারাস কোনো স্থান থেকে।

Wednesday, October 14, 2020

মানুষের জীবনে শান্তি নেই কেন?


১। সন্তুষ্টি, মানুষের সন্তুষ্টির লেভেল অনেক নিচে চলে গিয়েছে। এক সময় আপনি বাজার থেকে একটা ড্রেস কিনে পড়লেই চলতো এখন ব্র্যান্ডের জিনিস না পড়তে পারলে আপনার অসস্তি লাগে।

২। যুগের পরিবর্তন, বর্তমান প্রযুক্তির পৃথিবী অনেক দ্রুত পরিবর্তন হচ্ছে। তাই যুগের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে চলতে আমাদের চাওয়াটা বেড়েই চলছে।

৩। অন্যকে অনুসরন, চোখের লোভ। আপনি না চাইলেও আপনার পরিবারের কেউ না কেউই চাইবে আপনার প্রতিবেশী বা তার কলিগের চাইতেও ভালো ভাবে থাকতে বা ভালো কিছু করতে তখন আপনি প্রতিযোগিতার মধ্যে চলে আসবেন।

৪। মানুষের রুচির পরিবর্তন, আপনি হয়তবা আনমনে আপনার কলিগ বা বন্ধুদের দেখলেন তারা ঘুরতে যায়, মার্কেট করে কিন্তু আপনি তা পারছেন না। তখন আপনার মন খারাপ লাগবে নিজের অবস্থানের উপর বিরক্তি আসবে। আপনিও চাইবেন তাদের মত চলতে।

৫। অসুস্থ প্রতিযোগিতা, বিশেষ করে পাশের বাসার ভাবী বা অমুকের ছেলের ভালো রেজাল্ট থেকে এই প্রতিযোগিতা আসে। আপনার ছেলের পরীক্ষার রেজাল্ট পাশের বাসার আনিকার চাইতে খারাপ হলে আপনার অশান্তি বেড়ে যায়। আপনি তখন আপনার ছেলেকে প্রেসার দিতে থাকেন।

৬। বৈশ্বিক পরিবর্তন, সারা বিশ্বের পরিবর্তনের সাথে সাথে আপনাকে নিয়মিত আপডেট রাখতে হয়। নতুন কিছু শিখার পিছনে দৌড়াতে হয়। এটা এখন সবার জন্য অনেক চ্যালেঞ্জ। করোনা পরবর্তিতে সবাইকে তার জব ঠিক রাখার জন্য অনেক লড়াই করতে হচ্ছে।

৭। ধর্মীয় মূল্যবোধের অবক্ষয়, ধর্ম অনুসরন মানুষকে মানুষিক শান্তি দেয়। কোন ধর্মই মানুষকে খারাপ কিছুই শেখায় না। মানুষ তার নিজের প্রয়োজনে ধর্মীয় নিয়ম পরিবর্তন করে। ইসলাম ধর্মের সব নিয়ম মেনে চললে আজকে আমি নিজেও জানতাম না আমি কেন কেন এত অসুখী।

৮। বোঝাপোড়ায় গড়মিল, বর্তমান সময়ে কেউ কাউকে কোন বিষয়ে ছাড় দিতে চায় না। সবাই অহংকার আর ইগোর জালে আটকে আছে। তাই ছোট খাটো সমস্যা মানুষ অনেক বড় করে দেখে। তাই অল্পতেই মানুষের সুখ হারিয়ে যায়।

Tuesday, October 13, 2020

এমন একটি গোপন বিষয় কী, যা আপনার জীবনকে বদলে দিয়েছে?


উত্তরঃ অনুপ্রেরণামূলক হাদিস গুলো আপনাকে জীবনের যে কোনও ক্ষেত্রে বিশ্বাস ও অনুপ্রেরণা পেতে সাহায্য করবে। সত্যি কথা বলতে, রাসুল (স:) এর প্রতিটি বাণীতেই অনুপ্রেরণার উৎস রয়েছে।

ইসলামিক জীবন ব্যবস্থা যেসব জিনিসের ওপর দাঁড়ানো, তার প্রধান একটি হল হযরত মোহাম্মদ (স:) এর বানী ও জীবনাচরন। নবীজীর জীবনাচরন ও বাণী গুলোই হাদিস। আল্লাহ রব্বুল আলামীনের বাণী – অর্থাৎ কুরআনকে বুঝতে হলে, এবং ইসলামের আদর্শে সঠিক ভাবে জীবন পরিচালনা করতে হলে হাদীস জানা ও চর্চা করার কোনও বিকল্প নেই।

অনুপ্রেরণামূলক হাদিস:

০১. “যার দুটি দিন একই রকম কাটলো, সে ক্ষতিগ্রস্ত হলো। ”

– আল হাদিস

(অর্থাৎ, যে আজকের দিনটিকে গতকালের চেয়ে বেশি কাজে লাগাতে পারলো না, সে উন্নতি করতে পারলো না)

০২. ”তোমরা একে অন্যের প্রতি হিংসা করোনা , ঘৃণা বিদ্বেষ করোনা এবং একে অপরের থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়োনা

– মুসলিম

০৩. “তোমাদের মধ্যে সে-ই উত্তম, যে তার পরিবার পরিজনের কাছে উত্তম। ”

– ইবনে মাজাহ

০৪. “আল্লাহ ততোক্ষণ বান্দাহর সাহায্য করেন, যতোক্ষণ সে তার ভাইকে সহযোগীতা করে।”

– সহীহ মুসলিম

০৫. “যে পবিত্র থাকতে চায় , তাকে আল্লাহ পবিত্র রাখেন।

– সহীহ বুখারী

১) জনসন্মুখে জোড়ে হাই তোলা

২) হাই তোলার সময় মুখ না ঢাকা

৩) কারও সামনে নাক কান খোঁচানো

৪) কারও সন্মুখে হাত বা নখ দিয়ে দাঁতে আটকানো খাবার বের করা

৫) না ঢেকে হাঁচি কাশি দেওয়া

৬) শব্দ করে খাওয়া

৭) যে হাতে খাবার খাচ্ছি সেই এঁটো হাত দিয়েই তরকারির চামচ বা গ্লাস ধরা

৮) কারও সামনে থুতু ফেলা

৯) বিকট শব্দ করে ঢেঁকুর তোলা

১০) কারও উপস্থিতিতে শব্দ করে নাক ঝাড়া বা পরিষ্কার করা

১১) চেঁচিয়ে ও উদ্ভট অঙ্গভঙ্গি করে আড়মোড়া ভাঙ্গা।

Monday, October 12, 2020

মেয়েদর জন‍্য নিজেকে ধর্ষনের মুহুর্তে রক্ষা করার উপায়:


মেয়েদর জন‍্য নিজেকে ধর্ষনের মুহুর্তে রক্ষা করার উপায়:
১. ভীত না হয়ে প্রথমেই গা ছেড়ে না দিয়ে মাথা ঠান্ডা রাখুন।
২. ধাক্কা, থাপ্পড়, আচড় না দিয়ে পারলে নাক বরাবর ঘুষি দিন, চেষ্টা করবেন ঘুষিটা এমভাবে দিতে, আঙ্গুল প‍্যারালাল রেখে লম্বালম্বি ঘুষি। এতে সে কিছুক্ষনের জন‍্য ব‍্যলেন্স হারাবে।
৩. পরে জোরে তালি দেওয়ার মতো দুই হাত দিয়ে তার দুই কান বরাবর জোরে থাপ্পড় দিন। এতে সে পুরোপুরি ব‍্যালেন্সহারাবে।
৪. নিরব থাকবেন না। এতে আত্মভরসায় সমস্যা হবে। যতটা সম্ভব পুরোটা সময় চিৎকার করুন 
৫. কাপড়ে সেফটিপিন থাকলে ঠান্ডা মাথায় সেগুলো খুলে তার গলায় ঠুকিয়ে দিন। এতে সে পুরোপুরি অঙ্গান হয়ে যাবে।
৬. কঁনুই এর সৎ ব‍্যবহার করুন। কেননা মার্শাল আর্ট ট্রেনিংয়ে কনুইকে বিশেষ ভাবে প্রাধান‍্য দেওয়া হয়।
৭. চুলে চিন পিন থাকলে ক‍ৌশলে তার কানের গোড়ায় ঠুকিয়ে দিন।
৮. ধর্ষক যখন উভয়ের কাপড় অপসারনের চেষ্টা করবে সুযোগ বুঝে তার অন্ডকোষে জোরে লাথি মারুন। এতে সে লুটিয়ে পড়বে।
৯. ধর্ষক যখন আপনার দুই হাতের উপর হাত রেখে আপনার মুখের কাছে মুখ আনাবে তখন আপনার কপাল দ্বারা তার মুখে আঘার করুন। এতে তার দাত দ্বারা ঠুট কেটে যাবে। 
১০. একটা বিশ্বাস রাখবেন সৃষ্টিকর্তা ধর্ষকের তুলনায় আপনাকে কমজোড় করে সৃষ্টি করেন নাই।"আমি মার্শল আর্টিস্টের একজন ছাত্র" আমরা যখন ফাইট ট্রেনিং করি তখন মাঝে মধ‍্যে ছেলেদের সাথে মেয়েদের ফাইট হয়। এতে ছেলেদেরকেও হার মানতে হয়। আমি নিজেও হার মানতে বাধ‍্য হয়েছি। সুতরাং নিজেকে দূর্বল বা নিজের প্রতি বিশ্বাস হারাবেন না।

পোষ্ট কপি,,?✊✊✊✊✊

বাংলাদেশে বিগত ১০ বছরের মধ্যে ১০ জন সফল উদ্যোক্তা কে কে?

1.ওয়াসিম আলিম, Chaldal 🥚 Online Grocery Shopping and Delivery in Dhaka | Buy fresh food items, personal care, baby products and more প্রতিষ্ঠাতা। নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস হোম ডেলিভারি সার্ভিস দিচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি।

২. ইকবাল বাহার,To Be an Entrepreneur নিজের বলার মত একটা গল্প Foundation এর প্রতিষ্ঠাতা । সারাদেশে উদ্যোক্তা তৈরির কাজ করছেন।

৩.কামাল কাদির, যিনি কিনা বিকাশের স্বপ্নদ্রষ্টা। এর আগে তিনি সেলবাজার.কম এর প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন। বাংলাদেশের মোবাইল ব্যাংকিংয়ের প্রায় ৭০ ভাগ বিকাশের দখলে আছে।

৪. সানজিদা খন্দকার। খুলনার মেয়ে, জন্ম চট্টগ্রামে। বড় হয়েছেন আরেক শহর রাজশাহীতে। বাবা সরকারি কর্মকর্তা ছিলেন। লেখাপড়া করেছেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে ব্যবসায় প্রশাসনে। সানজিদার আশপাশের অনেককেই সন্তান হওয়ার পর চাকরি ছেড়ে দিতে দেখে ‘টু আওয়ার জব’ আইডিয়াটা আসে তার মাথায়। ভাবলেন, তথ্যপ্রযুক্তির এই যুগে চাকরি কীভাবে তাদের কাছে পৌঁছে দেওয়া যায়। যারা ৮ ঘণ্টা অফিস করতে পারছেন না, তারা কি অল্প সময়ের জন্য কিছু করতে পারেন না!

এই সমস্যার সমাধানে নিজের মেধাকে কাজে লাগিয়ে শুরু করেন তার নিজের প্রতিষ্ঠান ‘দ্য টু আওয়ার জব’ নারীদের জন্য সানজিদাই বাংলাদেশে প্রথম এ ধরনের উদ্যোগ নিয়েছেন। বর্তমানে ৪ হাজারের বেশি মেম্বার, ৬০০-এর বেশি কর্মকর্তা আছেন এই প্রতিষ্ঠানে, যারা নিয়মিত কাজ করে যাচ্ছেন। দেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতে সফল নারীদের এগিয়ে যাওয়ার তালিকায় সানজিদা খন্দকার একটি তারার নাম।

৫. ইশরাত জাহান নিপা ঢাকার তিনটি রেস্তোঁরার মালিক তিনি। নিজের রান্নাঘর থেকে তিনি এই ব্যবসা শুরু করেছিলেন ২০১৪ সালে। শুরুটা হয়েছিল মাত্র ৩০ হাজার টাকা দিয়ে। কিন্তু মাত্র চার বছরেই তার ব্যবসার পরিমাণ এখন প্রায় ২৫ লাখ টাকা।

৬.হুসেইন এম ইলিয়াস, পাঠাও এর সহ প্রতিষ্ঠাতা। পাঠাও বাংলাদেশে রাইড শেয়ারিং সিস্টেমে এক বিপ্লব বয়ে এনেছে। বর্তমানে এটি নেপালেও সার্ভিস চালু করেছে।

Sunday, October 11, 2020

দুধ আর আনারস একসাথে খেলে কী হয়? আনারস এবং দুধ একসাথে খেলে কী হয়?


অনেকে বিশ্বাস করেন আনারস এবং দুধ একসাথে খেলে বা একের পর এক খেলে মানুষ মারা যায়। আসলে এই ধারণাটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং ভুল। এগুলি খাদ্য কুসংস্কার বা খাদ্য ট্যাবু নামে পরিচিত।

তবে আনারস যেহেতু একটি ভেষজ এবং অম্লীয় ফল, তাই এটি দুধ খাওয়ার আগে বা পরে বা একসাথে খেলে স্বাস্থ্যকর সমস্যা হতে পারে। তবে কখনই হয়নি যে একসাথে দুধ-আনারস খেয়ে মানুষ মারা গিয়েছিল।

আনারস অম্লীয় ফল তাই আপনি যদি এই টক ফলকে দুধে দেন তবে দুধ ছানা বা ফাটার কারণ হতে পারে। যেটা সাধারনত দুধে লেবু বা অন্যান্য টক কিছু দিলেও হবে।

তাছাড়া আপনারা সকলেই জানেন যে আমাদের পেট অ্যাসিডিক। তাই পেটে যাওয়ার পরে দুধ নষ্ট হয়ে যায়, আপনি আনারস দিয়ে না পান করলেও। এবং যাদের গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা রয়েছে, তারা খালি পেটে আনারস খেলে তাদের সমস্যা বাড়াতে পারে।

তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, আনারস এবং দুধ দুই থেকে তিন ঘন্টা বিরতি দিয়ে খাওয়া ভালো অন্যথায় পেটে হজমের সমস্যা হতে পারে। আমাদের মধ্যে অনেকেরই গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা এবং ল্যাকটোজ অসহিষ্ণুতা রয়েছে, আনারস এবং দুধ একসাথে হওয়ার কারণে বা খেলে পেটের পোড়া, ডায়রিয়া, দুর্গন্ধ, অ্যাসিড ইত্যাদির মতো সমস্যা হতে পারে তবে মারা যায় যে বিষয়টা এমন না।

আমি নিজেও কয়েকবার আনারস আর দুধ একসাথে খেয়েছি। উৎসাহ পেলে আরো খাবো। আপনারা চাইলে আমাকে আনারস আর দুধের দাওয়াত দিতে পারেন।😊

H.M.Arif