Monday, June 15, 2020

কোন সাধারণ আইনগুলি বাংলাদেশীরা জানে না Insaf trust.com


এই আইন অনুসারে

(১) প্রত্যেক সন্তানকে তাহার পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ নিশ্চিত করিতে হইবে।

(২) কোন পিতা-মাতার একাধিক সন্তান থাকিলে সেইক্ষেত্রে সন্তানগণ নিজেদের মধ্যে আলাপ-আলোচনা করিয়া তাহাদের পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ নিশ্চিত করিবে।

(৩) এই ধারার অধীন পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ নিশ্চিত করিবার ক্ষেত্রে প্রত্যেক সন্তানকে পিতা-মাতার একইসঙ্গে একই স্থানে বসবাস নিশ্চিত করিতে হইবে।

(৪) কোন সন্তান তাহার পিতা বা মাতাকে বা উভয়কে তাহার, বা ক্ষেত্রমত, তাহাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে, কোন বৃদ্ধ নিবাস কিংবা অন্য কোথাও একত্রে কিংবা আলাদা আলাদাভাবে বসবাস করিতে বাধ্য করিবে না।

(৫) প্রত্যেক সন্তান তাহার পিতা এবং মাতার স্বাস্থ্য সম্পর্কে নিয়মিত খোঁজ খবর রাখিবে, প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সেবা ও পরিচর্যা করিবে।

(৬) পিতা বা মাতা কিংবা উভয়, সন্তান হইতে পৃথকভাবে বসবাস করিলে, সেইক্ষেত্রে প্রত্যেক সন্তানকে নিয়মিতভাবে তাহার, বা ক্ষেত্রমত, তাহাদের সহিত সাক্ষাত করিতে হইবে।

(৭) কোন পিতা বা মাতা কিংবা উভয়ে, সন্তানদের সহিত বসবাস না করিয়া পৃথকভাবে বসবাস করিলে, সেইক্ষেত্রে উক্ত পিতা বা মাতার প্রত্যেক সন্তান তাহার দৈনন্দিন আয়-রোজগার, বা ক্ষেত্রমত, মাসিক আয় বা বাৎসরিক আয় হইতে যুক্তিসঙ্গত পরিমাণ অর্থ পিতা বা মাতা, বা ক্ষেত্রমত, উভয়কে নিয়মিত প্রদান করিবে।

পিতা-মাতার অবর্তমানে দাদা-দাদী, নানা-নানীর ভরণ-পোষণ

৪। প্রত্যেক সন্তান তাহার—

(ক) পিতার অবর্তমানে দাদা-দাদীকে; এবং

(খ) মাতার অবর্তমানে নানা-নানীকে—

ধারা ৩ এ বর্ণিত ভরণ-পোষণ প্রদানে বাধ্য থাকিবে এবং এই ভরণ পোষণ পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ হিসাবে গণ্য হইবে।

পিতা–মাতার ভরণ–পোষণ না করিবার দণ্ড

৫। (১) কোন সন্তান কর্তৃক ধারা ৩ এর যে কোন উপ-ধারার বিধান কিংবা ধারা ৪ এর বিধান লংঘন অপরাধ বলিয়া গণ্য হইবে এবং উক্ত অপরাধের জন্য অনূর্ধ্ব ১ (এক) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবে; বা উক্ত অর্থদণ্ড অনাদায়ের ক্ষেত্রে অনূর্ধ্ব ৩ (তিন) মাস কারাদণ্ডে দণ্ডিত হইবে।

(২) কোন সন্তানের স্ত্রী, বা ক্ষেত্রমত, স্বামী কিংবা পুত্র-কন্যা বা অন্য কোন নিকট আত্নীয় ব্যক্তি—

(ক) পিতা-মাতার বা দাদা-দাদীর বা নানা-নানীর ভরণ-পোষণ প্রদানে বাধা প্রদান করিলে; বা

(খ) পিতা-মাতার বা দাদা-দাদীর বা নানা-নানীর ভরণ-পোষণ প্রদানে অসহযোগিতা করিলে—

তিনি উক্তরূপ অপরাধ সংঘটনে সহায়তা করিয়াছে গণ্যে উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত দণ্ডে দণ্ডিত হইবে।

( পরিশেষে একটিকথাই বলতে চাই এ আইনে যারা অভিযোগ করার কথা তারা কখনও অভিযোগ করেন না। কেন না তারাএমন ব্যক্তি তারা জোর করে সন্তানের উপার্জন খেয়ে বাঁচতে চায় না। তারা সন্তানেরকরুনার পাত্র হতে চায় না। তারা যা দিয়েছেন স্বার্থ ত্যাগ করেই দিয়েছেন । আইনের আশ্রয়নিয়ে তার স্নেহের সন্তানকে বিপদে ফেলতে চান না। এ আইনের প্রয়োগ করতে না হয় তাইকাম্য, প্রতিটি সন্তানের সাথে সুখে থাকুকতার মা বাবা ।)

(সংগৃহীত)

Sunday, June 7, 2020

জীবনকে সহজ করার জন্য কিছু ভাল অভ্যাস কী? Insaf Trust24.com



১। জীবনকে সহজ করার জন্য প্রথমেই দরকার অল্পতেই সন্তুষ্টি।

২। তর্ক করে নিজেকে বড় প্রমানের চেষ্টা করবেন না

৩। যাদের আপনাকে খুব ভালো লাগে তাদেরকে ফলো করুন।

৪। ক্ষমা করতে শিখুন। তবে সব কিছুতে ক্ষমা করলে আপনি ছিটকে যাবেন।

৫। খুব বেশি চিন্তা না করে যেটা আপনার কাছে ভালো মনে হবে সেটাকে নিয়ে এগিয়ে যান।

৬। কর্ম ক্ষেত্রে কখনো অযথা ঝগড়া করবেন না।

৭। বড়দের সন্মান দিতে শিখুন তারাও আপনাকে স্নেহ করবে।

৮। খুব রাগ থাকলে রাগ নিয়ন্ত্রণ করুন, সুন্দর ব্যবহার করতে শিখুন।

৯। প্রেম করবেন না।

১০। খেলাধুলা করুন নিয়মিত মন ভালো থাকবে।

১১। মোবাইল গেম বা মুভি দেখার বেশি অভ্যাস থাকলে ত্যাগ করুন।

১২। বই পড়ুন এবং নিজেকে সব সময় পড়ুয়া মনে করুন।

১৩। সব সময় নিজেকে পরিষ্কার পরিচন্ন রাখুন।

১৪। ধর্মকে অনুসরন করুন এতে আপনার অনেক সমস্যার সমাধান এমনিতেই হয়ে যাবে।

১৫। সর্ব শেষে বলব নিজের মধ্যে শিখার আগ্রহ বাড়ান এতে আপনার অনেক কিছুই চেঞ্জ হয়ে যাবে।

ধন্যবাদ পড়ার জন্য। :)

H.M Arif

একা একা থাকলে কী কী সুবিধা ও কী কী অসুবিধা হতে পারে H.M Arif Hossain.



একা থাকার সুবিধা:

  • একা একা নিরবে শান্তির ঘুম দেবেন।
  • আপনাকে বিরক্ত করার কেউ থাকবে না।
  • কাজে ব্যাঘাত ঘটানোর কেউ থাকবে না।
  • কেউ আপনাকে হিংসে করবে না।
  • আপনাকে রাগ দেখিয়ে কথা বলার কেউ থাকবে না।
  • কেই বলবে না, "এই, এটা করো না, ওটা কর""এভাবে না, ওভাবে"
  • চারিদিক থাকবে শান্ত, নিস্তব্ধ, নিরব।

আর অসুবিধা:

  • আপনাকে নিজের সব কাজ নিজে করতে হবে।
  • কোনো সমস্যায় পড়লে একটা Helping Hand কাছে পাবেন না।
  • ভালোবাসা, আবেগ, ভাব, অনুভূতি আদান প্রদান করার কেউ থাকবে না। ফলে আপনি আস্তে আস্তে রোবট টাইপের হতে থাকবেন।
  • আপনার রাগ করার জন্য কেউ থাকবে না। কার উপর আপনি রাগ করবেন?? কেউ তো নেই। রাগ করার কেউ না থাকলে এর উল্টোটাও সত্যি। দিনদিন "হাসি" নামক জিনিসটা আপনার মধ্য থেকে হারিয়ে যাবে।
  • আর "হাসি" নামক জিনিসটা না থাকলে কিন্তু আপনার হৃদয়ে অবস্থিত "তেল" এবং "রঙ" সবকিছু দিনদিন ফুরিয়ে যাবে।
  • আর দিনদিন বেঁচে থাকার ইচ্ছাই হারিয়ে ফেলবেন।
  • এর একটাই পরিণতি -- বিষাদগ্রস্ত হওয়ার কারণে "আত্মহত্যা"

মানুষ

  • সমাজবদ্ধ জীব।
  • একে অপরকে ছাড়া চলতে পারে না।
  • একাকিত্ব সহ্য করতে পারে, তবে সেটা সাময়িক।
  • কিছু সময় পার হলে, তার ওই একাকিত্বকে অসহ্য লাগতে থাকে।
  • আর সে আবার ফিরে পেতে চায় কারো সঙ্গ।
  • শুধু একা একা কোনো মানুষ আজীবন বেঁচে থাকতে পারে না।

সংঘবদ্ধ থাকুন, অন্যকে অনুপ্রেরণা দিন।

জীবনটা অনেক ছোট। এটা অতিবাহিত করার জন্যে নয়, বরং উপভোগের জন্যে।

H.M Arif hossain

Friday, June 5, 2020

জীবনে প্রকৃত সুখী হওয়ার দশটি মূলমন্ত্র কী insaf trust.com



জীবনটাকে আর কতটুকুই বা দেখলাম! সুখী হওয়ার মূলমন্ত্র কী?

এই প্রশ্নের উত্তরে নিজের ঝুলি থেকে কিছু বের করতে হলে কপটতাই করা হবে।

এত সুন্দর একটা প্রশ্ন। ছেড়ে দিতে গিয়েও পারলাম না। শেষে মাথায় এলো পছন্দের লেখকদের সুখী হওয়ার মূলমন্ত্রগুলো ভাগাভাগি করতে পারি।

এখানে ইংরেজি কোরা থেকে ১০ জন সেরা লেখকের সুখী হওয়ার মূলমন্ত্র ভাগাভাগি করছি।


১। Anubhav Jain

মশলা, লবণ, মরিচ, লেবু এসবের মতো অমিষ্টি জাতীয় খাবার আছে বলেই আমাদের মিষ্টি যেমন মিষ্টি লাগে, তেমনি—ব্যথা, সমস্যা, কিছুটা চাপ এবং সংগ্রাম আছে বলেই সুখের এত মূল্য।

অন্যান্য আবেগের স্বাদ না নিয়ে কেবল সুখবোধ করা সম্ভব নয়। এবং আপনি যদি এমন সুযোগ পেয়েও যান তবে খুব শীঘ্রই সুখ তার মূল্য হারাতে পারে।

খুব বেশী কিছু প্রত্যাশা করা ছাড়াই জীবনযাপন করুন। সুখ উপভোগ করুন এবং দুর্ভোগকে শ্রদ্ধা করুন।

২। Ramit Sethi

কাউকে প্রশংসা করা

  • কাজের লোকটি যখন সকালবেলা আপনার হাতে গরম ধোঁয়াওঠা চা দিয়ে যায়, চায়ে একটা চুমুক দিয়ে তাকে বলুন, "চা'টা সেরা হয়েছে।"
  • কোনও সহকর্মীর সাথে যখন সভা করছেন, তাকে বলুন আপনার তার শার্ট/শাড়িটি পছন্দ হয়েছে। জিজ্ঞাসা করুন শার্ট/শাড়িটি কোথায় পেয়েছে।
  • রোজ ব্যায়াম করা আপনার কোনও বন্ধুর সাথে দেখা হলে, তাকে বলুন, "আরে তুমি জান আমি সত্যিই তোমার প্রশংসা করি। তুমি এমন একজন ব্যক্তি যে কখনই কোনও ব্যায়াম মিস করে না।"

এর ফলে যা হবে— আপনি অন্যকে খুশি করার সময় নিজে খুশি হবেন।

৩। Sean Kernan

ভারসাম্য রেখে চলা

আমার মন্ত্রটি বরাবরই ভারসাম্য।

কিছু সময় আপনাকে নিখুঁত পরিপাটী হতে হবে। অন্য সময়ে, আপনাকে আপনার সর্বশেষ বিব্রতকর অবস্থা হেসে উড়িয়ে দিতে শিখতে হবে।

৪। James Altucher

যদি অসুখী হওয়ার কারণ অবস্থা (স্ট্যাটাস) হয়ে থাকে তবে তা নির্ধারণ করা

উত্তর যদি হ্যাঁ হয়, তবে আপনার সম্পর্কে অন্যরা কি ভাবে না ভাবে সেসব মতামত পরিবর্তনের চেষ্টা করার চেয়ে নিজের দক্ষতা বাড়ানোর এবং উন্নতির দিকে মনোনিবেশ করুন।

যেমন- আমি লিখি। আমার আইডিয়া আছে। আমি পড়ি। আমি তাই করি যা আমার সুযোগ বৃদ্ধি করে।

আমি আমার সম্পর্কে অন্য কারও প্রতিচ্ছবি উন্নত না করে নিজেকে উন্নত করার চেষ্টা করি।

৫। Dushka Zapata

বিশ্বাস করা যে যা ঘটে তা আমাদের সর্বোত্তম স্বার্থে ঘটে

এটি হ'ল আত্মসমর্পণের আসল সংজ্ঞা। হাল ছেড়ে না দেয়া কিন্তু বিশ্বাস রাখা যে সবকিছু একসময় ঠিক মিলে যাবে।

৬। Nela Canovic

নিজের ভিতরের বাচ্চাটির সাথে বন্ধুত্ব করা

আমরা সকলেই বড় হয়েছি এবং প্রাপ্তবয়স্কের মত দায়িত্ব পালন করি তার অর্থ এই নয় যে আমাদের মধ্যে থাকা বাচ্চাটিকে আমাদের উপেক্ষা করা উচিত।

তাকে স্বীকার করুন, তাকে জিজ্ঞেস করুন সে আজ কী করতে চায়, নিজেকে নির্বোধ হওয়ার জন্য কিছু সময় দিন।

  • একটি আইসক্রিম নিন এবং ধীরে ধীরে খেতে খেতে কোনো পার্কের মধ্য দিয়ে হাঁটুন।
  • আপনার জলের রঙগুলি বের করুন এবং কেবল মজার জন্য কিছু আঁকুন।
  • স্ট্র দিয়ে একটি লেমনেড, একটি মিল্কশেক বা বুদবুদ ওঠা চা পান করুন এবং সেটি উপভোগ করুন।
  • ইউটিউবে আপনার প্রিয় কার্টুন দেখুন। আর খুব জোরে হাসুন।

৭। Lukas Schwekendiek

সত্যিকারের সুখ তখনই ঘটে যখন আমরা নিজেদের তৈরি খাঁচার বাইরে পা রাখি

  • যখন আমরা কারও কাছ থেকে না লুকিয়ে বা ঠিক না বেঠিক সেসব না ভেবে সমস্ত হৃদয় দিয়ে প্রকাশ্যে কাঁদতে পারি।
  • আমরা যত জায়গাতেই যায় আর হাসি মসকরা করি আর লোকেরা আমাদের দেখে অদ্ভুত ভাবে তাকিয়ে থাকা সত্ত্বেও যখন আমরা আমরাই হয়ে উঠতে পারি।
  • যখন আমরা আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে কোনোরকম বিচার (জাজ) না করে নিজেকে দেখে গর্ব বোধ করতে পারি।

আপনি যখন বিশ্বের এইসব নিয়ম, আপনার নিজের বানান নিয়ম এবং অন্য লোকেদের নিয়মগুলি পরোয়া করা বন্ধ করবেন এবং নিজের জীবনকে পুরোপুরি স্বীকার করে নিবেন তখনি সুখের দেখা পাবেন।

৮। Ryan Holiday

অবজ্ঞার চর্চা করা

আমি আমার স্ত্রী, ছেলে, ঘর, পেশা'কে ভালোবাসি এবং অনেক বন্ধুবান্ধব আছে যাদের আমি প্রশংসা করি এবং শ্রদ্ধা করি।

এই সবকিছু এতটাই নিখুঁত এবং অনিবার্য যে এই জিনিসগুলি দিয়ে পুরো জীবন পার করে দেয়ার চিন্তা করাটা খুব লোভনীয়। কিন্তু এটি বিপজ্জনক এবং বিভ্রান্তিকর।

কারণ আর সকল বাহ্যিক জিনিসের মতো এগুলোও আমাকে হতাশ করতে পারে, মর্মান্তিক কোনো দুর্ঘটনা আমার কাছ থেকে এগুলো কেঁড়ে নিতে পারে। যে কোনও কিছুই ঘটতে পারে।

তাই সবকিছুর প্রতি সামান্য অবজ্ঞা হ'ল উদ্দেশ্যমূলকতা এবং দৃষ্টিভঙ্গি তৈরির জন্য সহায়ক।

সবকিছুই আপনাকে চুষে ফেলতে পারে। জিনিসের আসল মর্ম উপলব্ধি করাই সুখের রহস্য।

৯। Awdhesh Singh

আমার সুখের মূল কথাটি হল আমি কখনই সুখের পিছনে ছুটি না।

বরং যা কিছু আমার এবং বাকিদের জীবনে ইতিবাচক পার্থক্য আনতে পারে আমি সেসবে মনোনিবেশ করি। যেমন—

  • নিজেকে ফিট ও সুস্থ রাখার জন্য আমি নিয়মিত হাঁটি এবং ব্যায়াম করি
  • আমি স্বাস্থ্যকর খাবার খাই
  • আমি অভিযোগকারী লোকেদের এড়িয়ে চলি
  • আমি প্রতিদিন পড়ি এবং আমার জ্ঞান বৃদ্ধি করি
  • আমি প্রতিদিন লিখি যেন আমার জ্ঞান এবং জীবনের অভিজ্ঞতা অন্য লোকেদের সাহায্যে কাজে লাগে

আমি গীতার নীতিতে দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে— "আমাদের কর্মফল নিয়ে মাথা না ঘামিয়ে আমাদের অবশ্যই আমাদের সমস্ত কাজ করে যেতে হবে।"

কষ্টকর বলে আমাদের সঠিক কাজগুলো এড়িয়ে যাওয়া বা ভুল কাজগুলি মনোরম বলে সেগুলি করা উচিত নয়।

১০। Shovan Chowdhury

আমার মন্ত্র খুব সাধারণ : আমি আমার প্রত্যাশার মাত্রা কমিয়ে দিয়েছি। আমি সর্বদা বিশ্বাস করি যে এই পৃথিবীতে আমার কোনোকিছু পাওয়ার অধিকার নেই। যাই হোক না কেন, সেটা আমার কাছে একটা বোনাস।

আমার এমবিএ ডিগ্রি, চাকরী, সুস্বাস্থ্য, থাকার জন্য সুন্দর ফ্ল্যাট, ফ্রিজ ভর্তি খাবার, ২৪ ঘন্টা ইন্টারনেট সুবিধা, চাইলেই মানুষকে সাহায্য করার সুযোগ- সবকিছুই আমার জন্য বোনাস।

আমার চারপাশের লোকেরা আমাকে 'ব্যর্থ' বলে ডাকে এবং বলে যে আমি জীবনের এই ইঁদুর দৌড়ে অনেক পিছিয়ে আছি। তবে তাতে আমার আপত্তি নেই।

আমি হাসি, স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করি এবং নিজেকে উন্নত করার জন্য আরেকটা লক্ষ্য স্থির করি।

“একটি সুখী জীবন গড়ার জন্য খুব অল্প কিছু প্রয়োজন হয়, সব আপনার নিজের মধ্যেই আছে; আপনার চিন্তাভাবনাতে"— মার্কাস অরেলিয়াস


সুখ? সুখী হতে আর কী লাগে যদি আপনার একটা সুন্দর স্বাস্থ্য থাকে?!

আমেরিকার সবথেকে বয়স্ক যুদ্ধপ্রবীণ, ১১২ বছর বয়সের রিচার্ড আরভিন ওভারটন যেমনটা বলেছেন—

"আমার সুস্বাস্থ্য আছে এবং যতক্ষণ আমার সুস্বাস্থ্য থাকবে আমি আনন্দে নাচতে থাকব।"


H.M Arif Hossain.


Thursday, June 4, 2020

জীবনে সেরা উপদেশটি কি দিবেন?


  1. আজকের কাজ আগামীকাল করার জন্য রেখে দিবেন না। পরে দেখা যাবে কাজগুলো জমা হয়ে যাবে এবং আপনি কিছুই অর্জন করতে পারবেন না।
  2. সবচেয়ে সুখী ব্যক্তিই সেই যাকে আল্লাহ তা’আলা একজন পূণ্যবতী স্ত্রী দান করেছেন।
  3. মৃত্যুকে খুঁজো (অর্থাৎ, সাহসী হও) তাহলে তোমাদেরকে জীবন দান করা হবে।
  4. সেই ব্যক্তিই অভিশপ্ত যে মরে যায় অথচ তার খারাপ কাজগুলো পৃথিবীতে রয়ে যায়।
  5. যিনি ছাড়া কোন রব নেই সেই আল্লাহর কসম, যদি আমার কাছে দুনিয়ার সকল স্বর্ণ এবং রৌপ্য থাকতো, আমি সেগুলোর বিনিময়ে হলেও মৃত্যুর পরে যে ভয়াবহতা রয়েছে তা থেকে বাঁচার চেষ্টা করতাম।
  6. নিজেকে নিয়মিত জাহান্নামের (আগুণের) কথা স্মরণ করিয়ে দিন, কেননা নিশ্চিতভাবেই জাহান্নামের উত্তাপ অত্যন্ত বেশি, গভীরতা অত্যাধিক এবং তার অস্ত্র হলো লোহা।
  7. আল্লাহকে ভয় করো, কেননা যে তাকে ভয় করে সে কখনো একাকীত্ব অনুভব করে না।
  8. আমাদের জীবনের সবচাইতে স্বাস্থ্যকর উপাদান হচ্ছে সবর (ধৈর্য)।
  9. দুনিয়া নিয়ে দুঃশ্চিন্তা করা অন্তর হলো অন্ধকারাচ্ছন্ন, আখিরাত নিয়ে দুঃশ্চিন্তা করা অন্তর হলো আলোকিত।
  10. কারো অধঃপতনে আনন্দ প্রকাশ করো না, কেননা ভবিষ্যত তোমার জন্য কী প্রস্তুত করে রেখেছে সে সম্পর্কে তোমার কোন জ্ঞানই নেই। Md Arif hossain.

ইসলামিক উপায়ে জীবনে স্বচ্ছলতা লাভের ১০ টি উপায় জেনে নিন Insaf trust.com


ইসলামিক উপায়ে জীবনে স্বচ্ছলতা লাভের ১০ টি উপায় জেনে নিন

আমাদের প্রাত্যহিক জীবনে এমন কিছু কাজ আছে যেগুলো করার মাধ্যমে আমরা আল্লাহ তায়ালার নৈকট্য লাভ করতে পারি।

আর যে বান্দা আল্লাহ তায়ালার নৈকট্য লাভ করতে পারবে তার ওপর আল্লাহ রহমত ও নিয়ামত দুইটাই বষর্ণ করেন।আল্লাহ কে খুশি করার মাধ্যমে জীবনের সকল সমস্যা দূর করা সম্ভব।জীবনকে সুন্দরভাবে সাজানো সম্ভব।

আমাদের নবী-রাসূল এবং তাদের পরবর্তী গোষ্ঠীরাও তাদের জীবনে স্বচ্ছলতা আনয়নে কোরআন হাদিসের আলোকে কাজ করে গেছেন।তাই আমাদের সবার উচিত জীবনের অস্বচ্ছল অবস্থা থেকে অবতরণ করে স্বচ্ছলভাবে জীবনযাপন করা।

তাহলে এখন জেনে নেওয়া যাক কোরাআন হাদিসের আলোকে কীভাবে জীবনে স্বচ্ছলতা আনয়ন করা যায়ঃ

১.তওবা-ইস্তিগফার করা:জীবনে স্বচ্ছলতা আনয়নের জন্য তওবা-ইস্তিগফার অতুলনীয়।কারণ তওবার মাধ্যমে আল্লাহর কাছে সকল গুনাহের মাফ চাওয়া যায়।

তওবাকারী পবিত্র মনে আল্লাহর দরবারে ক্ষমা প্রার্থনা করলে ওই বান্দাকে ক্ষমা করে দেন।তার ওপর রহমত বষর্ণ করেন।এ প্রসঙ্গে হযরত নূহ (আ.) স্বীয় কওমকে উদ্দেশ্য করে বলেছেন,’তোমরা তোমাদের পালনকর্তার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করো,তিনি অত্যন্ত ক্ষমাশীল,তিনি তোমাদের ওপর অজস্র বৃষ্টিধারা বষর্ণ করবেন,তোমাদের ধন সম্পদ ও সন্তান-সন্তুতি বৃদ্ধি করে দেবেন,তোমাদের জন্য উদ্যান স্থাপন করবেন,তোমাদের জন্য নদী-নালা প্রবাহিত করবেন।’ (সূরা:নূহ,আয়াত:১০-১২)।

সুতরাং জীবিকার সচ্ছলতা প্রত্যাশীদের জন্য অধিক পরিমাণে তওবা ও ইস্তিগফার করতে থাকা উচিত।

২.আল্লাহর ওপর ভরসা:যেকোনো বিপদে আল্লাহর ওপরে ভরসা রাখা উচিত।আল্লাহর শরণাপন্ন হয়ে তার কাছে বিপদ থেকে মুক্তি লাভের দোয়া করতে হবে।হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর (রা.) থেকে বর্ণিত,রাসূল (স.) বলেন,’আল্লাহ পাকের ওপর যেমন ভরসা করা উচিত তোমরা যদি তার ওপর তেমন ভরসা করো,তাহলে পাখিদেরকে যেভাবে রিজিক প্রদান করা হয়,অর্থাৎ সকালে তারা শূন্য উদারে বেরিয়ে যায় আর অন্ধকারে পূর্ণ উদারে ফিরে আসে।’ (জামে তিরমিজি,হাদিস:২৩৪৪)।

৩.তাকওয়া ও খোদাভীড়ি অর্জন করা:তাকওয়া ও খোদাভীড়ি জীবিকা লাভের অন্যতম পন্থা।আল্লাহ তায়ালা ইরশাদ করেন,’যে ব্যক্তি আল্লাহকে ভয় করে,আল্লাহ তার চলার পথ বের করে দেবেন।তাকে তার ধারণাতীত জায়গা থেকে রিজিক দিবেন।’ (সূরা:তালাক,আয়াত:২-৩)।যে আল্লাহকে ভয় করবেন আল্লাহ তার সব বিপদ-আপদ দূর করে দেবেন।যেখান থেকে রিজিক লাভ করার কথা সে চিন্তা করে না,সেখান থেকে সে রিজিক লাভ করবে।

৪.ইবাদতের জন্য ফারেগ হওয়া:এ প্রসঙ্গে নবীজি (স.) একটি হাদিস কুদসিতে বলেন,আল্লাহ পাক বলেছেন,’হে বনি আদম!তুমি আমার ইবাদতের জন্য নিজেকে ফারেগ করো।আমি তোমার মিনাকে সম্পদশালী করে দেবো এবং তোমার দরিদ্রতাকে দূর করে দেবো।আর যদি তা না করো তাহলে তোমার হাত কাজে ব্যস্ত করে দেবো আর লোকের কাছে তোমাকে মুখাপেক্ষী করে রাখবো।’ (জামে তিরমিজি,হাদিস:২৪৬৬)।

৫.আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষা করা:আত্মীয়দের সাথে ভালো ব্যবহার করলে এবং বিপদ-আপদে তাদের সাহায্য করলে আল্লাহ খুশি হন।আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত,নবীজি বলেন,’যে ব্যক্তি রিজিকের স্বচ্ছলতা ও দীর্ঘজীবন পছন্দ করে,সে যেন আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষা করে চলে।’ (সহীহ বুখারি,হাদিস:৫৯৮৫)।

৬.আল্লাহর রাস্তায় ব্যয় করা:আমাদের রিজিকের মালিক একমাত্র আল্লাহ তায়ালা।তার দেওয়া অসংখ্য নিয়ামতের সাগরে আমরা ডুবে আছি।এজন্য আল্লাহর তরফ থেকে যারা অসংখ্য নিয়ামত লাভ করেছেন,তারা যেনো তাদের সম্পদকে পুঞ্জীভূত করে না রাখে।সেসব নিয়ামত যেনো আল্লাহর পথে ব্যয় করেন।আল্লাহ তায়ালা বলেন,’তোমরা যা কিছু ব্যয় করো,আমি তার বিনিময়ে তোমাদের আরো অনেক কিছু দেব।’ (সূরা:সাবা,আয়াত:৩৯)।

৭.দুর্বল ও অসহায়দের প্রতি সদয় হওয়া:যারা দুর্বল ও অসহায় তাদের প্রতি সদয় হওয়ার মাধ্যমে স্বচ্ছলতা লাভ করা যায়।নবীজি বলেন,’তোমরা দুর্বল ও অসহায় ব্যক্তিদের সাহায্য করার মাধ্যমে আমার সন্তুষ্টি অর্জন করো।তাদের কারণেই তোমরা রিজিক লাভ করে থাকো এবং সহযোগিতা পেয়ে থাকো।'(সুবানে আবু দাউদ,হাদিস:২৫৯৪)।

৮.দ্বীনের শিক্ষার্থীদের পেছনে ব্যয় করা:যাদের ধর্মীয় জ্ঞান লাভের ইচ্ছা আছে কিন্তু আর্থিক সংক’ট ও অস্বচ্ছলতার জন্য পারছে না,তাদের অবশ্যই সাহায্য করতে হবে।কারণ এমন নেককারজনক কাজের জন্যও আল্লাহ তায়ালা রিজিক বৃদ্ধি করে দেন,আর্থিক সমস্যা দূর করে দেন।

৯.আল্লাহর পথে হিজরত করা:নবী করিম (স.) বলেন,আল্লাহ পাক ইরশাদ করেন,যে কেউ আল্লাহর পথে দেশ ত্যাগ করে, সে এর বিনিময়ে অনেক স্থান ও স্বচ্ছলতা প্রাপ্ত হবে।'(সূরা:নিসা,আয়াত:১০০)।অর্থাৎ আল্লাহর পথে হিজরত করে নিজ স্থান ত্যাগ করে অন্য স্থানে যেয়ে থাকলে,আল্লাহ তার সম্মান বৃদ্ধি করে দেন।

১০.ধারাবাহিকভাবে হজ্জ ও ওমরাহ পালন করা:হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) থেকে বর্ণিত,নবীজি বলেন,’হজ্জ ও ওমরাহ একের পর এক আদায় করো।কারণ এ দু’টি দরিদ্রতা ও গুনাহকে এমনভাবে দূর করে দেয় যেমন অগ্নি-লৌহ ও স্বর্ণ-রৌপ্যর ময়লা দূর করে দেয়।আর হজ্জ মাবরুর এর প্রতিদান শুধুই জান্নাত।'(জামে তিরমিজি,হাদিস:৮১০)।

আরো পড়ুনঃ