Sunday, February 7, 2021

কোরআন ও হাদিসের বহু স্থানে আল্লাহর জিকির করার প্রতি বিশেষ তাগিদ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু জিকির আস্তে করবে, না জোরে করবে এ নিয়েও সমাজে মতপার্থক্য দেখা যায়। সুরা আরাফের আয়াত থেকে আস্তে জিকির করা উত্তম বলে প্রমাণিত হয়। খায়বর যুদ্ধে সাহাবায়ে কেরামের তাকবির ধ্বনি উচ্চস্বরে হয়ে গেলে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, 'হে জনগণ, নরম হও, বিনম্র আওয়াজে ডাকো...তোমরা কোনো বধির বা অনুপস্থিত কাউকে ডাকছ না।' (মুসলিম)

হজরত হাসান বসরি (রহ.) বলেন, 'পূর্ববর্তী মনীষীরা বেশির ভাগ সময় আল্লাহর জিকির ও দোয়ায় মশগুল থাকতেন; কিন্তু কেউ তাঁদের আওয়াজ শুনতে পেত না।' তবে শরিয়তে যেসব স্থানে সরব ও উচ্চস্বরে জিকির করার নির্দেশ দিয়েছে, সেখানে সরব জিকির উত্তম। যেমন-আজান, ইকামত, কোরআন তিলাওয়াত, নামাজের তাকবির, তাকবিরে তাশরিক ও হজের 'লাব্বাইকা' ইত্যাদি উচ্চস্বরে বলা উত্তম।

আর অন্যান্য ক্ষেত্রে উচ্চস্বরে জিকির করার জন্য কয়েকটি শর্ত রয়েছে। এক. এতে লোক দেখানো মনোভাব থাকতে পারবে না। দুই. নিজের জিকিরের শব্দে অন্যের নামাজ, তেলাওয়াত, কাজকর্ম বা বিশ্রামে ক্ষতি করা যাবে না। তিন. জিকিরের এ পদ্ধতিকেই একমাত্র সঠিক পদ্ধতি হিসেবে জ্ঞান করা যাবে না।

হরযত মুহাম্মদ সঃ - তার আঙুলের ইশারায় চাঁদ দ্বিখন্ডিত হয়ে গেছে কথাটা কতটুকু সত্য?

আমাদের প্রিয় নবী হজরত মুহাম্মাদ (সা.) এর মোজেযার প্রকাশ হিসেবে তাঁর আঙ্গুলের ইশারায় পূর্ণ চাঁদ দ্বিখণ্ডিত হয়েছিল। অলৌকিক এ মোজেযার ঘটনাটি ঘটেছিল আরবি হিজরি সনের ১৪ জিলহজ তারিখে।

আবু জাহলের নেতৃত্বে একদল মূর্তিপূজারী ও ইহুদি জানায় যে, মুহাম্মাদ (সা.) যে আল্লাহর রাসূল তা তারা মেনে নেবে যদি তিনি চাঁদকে দ্বিখণ্ডিত করে দেখাতে পারেন। তখন রাসূল (সা.) আল্লাহর কাছে দোয়া করে আঙ্গুলের ইশারা করলে ওই অলৌকিক ঘটনাটি ঘটে।

চাঁদের মাঝখানে দ্বিখন্ডিত হওয়ার দাগ।(ছবিঃ সংগৃহীত)

আরব মুশরিকরা এই মোজেজা অস্বীকার করে একে জাদু বলে অভিহিত করে। কিন্তু উপস্থিত ইহুদিরা চাঁদ দুই ভাগ হওয়ার ঘটনা ঘটার সঙ্গে সঙ্গেই ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে। কারণ, ওই ইহুদিরা তাওরাতে পড়েছিল যে হজরত মূসা (আ.) এর উত্তরসূরি হজরত ইউশা (আ.) এর জন্য মহান আল্লাহ চাঁদ ও সূর্যকে স্থির করে রেখেছিলেন।

রাসূল (সা.) চাঁদকে এত স্পষ্টভাবে দুই টুকরা করেন যে ওই দুই টুকরার ব্যবধানের মধ্যে হেরা পর্বত দেখা যাচ্ছিল। কিন্তু আবু জাহল বলে ওঠে, ‘তিনি নজরবন্দি করেছেন। যেসব লোক বিদেশে গেছে তারা ফিরে এসে সমর্থন জানালে তখন বুঝব।’ বিদেশ থেকে আসা লোকেরা দেশে ফিরে এসে এ ঘটনার সত্যতাকে সমর্থন করলেও আবু জাহল বলে, ‘তিনি গোটা পৃথিবীর সব লোককে নজরবন্দী করেছেন।’

ভারতের দক্ষিণাঞ্চলে অবস্থিত মালাবার রাজ্যের (বর্তমান কেরালা অঞ্চল) ততকালীন রাজা চক্রবর্তী ফারমাস (চেরামান পিরুমেল) আকাশে চাঁদ দুই টুকরো হয়ে যাওয়ার ওই অলৌকিক ঘটনাটি স্বচক্ষে দেখেছিলেন। যখন তিনি জানতে পারেন যে আরব দেশে শেষ নবীর আবির্ভাব ঘটেছে ও রাসূল (সা.)-ই চাঁদ দ্বিখণ্ডিত করেছেন, তখন তিনি মক্কায় গিয়ে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। ভারতের ইতিহাস গ্রন্থ ‘তারিখে ফেরেশতা’য় ওই ঘটনা উল্লেখিত হয়েছে। চেরামানের নামে ভারতের কেরালা রাজ্যে একটি মসজিদ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
মার্কিন মহাশূন্য গবেষণা সংস্থা নাসার নভোচারীদের মাধ্যমে তোলা ছবিতেও চাঁদের মধ্যে গভীর ফাটলের চিহ্ন বা দাগ দেখা গেছে এবং এ থেকে স্পষ্ট হয়, কোনো এক সময় চাঁদ দ্বিখণ্ডিত হয়েছিল। ভারতীয় রাজা যে ওই ঘটনা দেখেছিলেন তার লিখিত বিবরণের একটি প্রাচীন দলিল বর্তমানে লন্ডনে ভারতীয় দূতাবাসের লাইব্রেরিতে সংরক্ষিত রয়েছে। ওই দলিলে ভারতীয় সেই রাজার ভ্রমণের বিস্তারিত বর্ণনা রয়েছে। ওই রাজা ভারতে ফেরার পথে ইয়েমেনে মারা যান।

১৯৬৯ সালে এ্যাপোলো -১১ নামের একটি মার্কিন মহাকাশযানে মানুষ সর্বপ্রথম চাঁদে অবতরন করে। এর আগেও চাঁদ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণার জন্য এ্যাপোলো-১০ নামের রকেট চাঁদে পাঠানো হয় চাঁদের সর্বাধিক ছবি তুলে আনার জন্য। ওই সময়ে চাঁদের যেই ছবি এলো, এতে দেখা যায় চাঁদের বুকচিরে একটি ফাঁটল বিদ্যমান। ফাঁটলটি লম্বায় ২০০ (কি:মি:) এর ও বেশি এবং চওড়ায় ৩ (কি:মি:)
বিজ্ঞানীগণ এর নাম দিয়েছেন ‘হাইজিনাস রিলী’।

হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু বলেন, আমরা মিনায় নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে ছিলাম। তিনি চন্দ্রকে দিখন্ডিত করলেন এবং এক খন্ড পাহাড়ের পশ্চাতে চলে গেল ও এক খন্ড পাহাড়ের উপরে রইল। তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তোমরা সাক্ষী থেকো। (সহীহ বুখারী শরিফ ১/৫৪৬; সহিহ মুসলিম শরিফ ২/৩৭৩)।

আমরা মুসলিম হিসেবে ইসলামকে বিশ্বাস করব কোরআন ও হাদিস অনুসারে। ইসলামের যেকোনো কথা আজকের কথিত বিজ্ঞান সমর্থন করুক বা না করুক এতে আমাদের কিছু যায় আসে না। বিজ্ঞানের ওপরে নির্ভর করে ইসলামে বিশ্বাস করাটা আসলে একটা প্রতারণা ও মূর্খতা ছাড়া কিছু না, এক ধরণের ভন্ডামী। নিজেকে একজন মুসলিম দাবী করে, এদিকে ওদিকে বিজ্ঞানে সমর্থিত হলে ইসলামের কথা বিশ্বাস করে এমন ভন্ডকে ইংরেজীতে hypocrite বলে যেটার আরবি সমার্থক শব্দ হলো মুনাফেক। ইসলামের তথ্যমতে মুনাফেকের স্থান ৭ম জাহান্নামের সর্বনিম্ন স্তরে যেখানে কোনো কাফের ও প্রবেশ করবে না।

সরাসরি না বলেও, আমি বাবা-মাকে কিভাবে বোঝাব যে আমি বিয়ে করতে চাই?

আপনার বিয়ের বয়স হয়েছে, কিন্তু মা-বাবা বিয়ে দিচ্ছেন না? লজ্জায় মুখ ফুটে বলতেও পারছেন না বিয়ের কথা? আকারে-ইঙ্গিতে মাকে সেটা বুঝিয়ে দেওয়ার কিছু পরামর্শ জেনে নিন।

১. আপনার মায়ের সামনে বন্ধুপত্নীদের বেশি বেশি প্রশংসা করুন। যেমন অমুকের বউ অমুকের মায়ের খুব যত্ন নেয়। তমুকের বউ তমুকের মায়ের সব কাজে সহযোগিতা করে।

২. বাসায় আপনার বিবাহিত বন্ধুদের ঘন ঘন দাওয়াত দিন বউ-বাচ্চাসহ। আপনার মা বন্ধুদের বউ-বাচ্চা দেখে আপনার বিয়ের কথা ভাবতেও পারেন।

৩. আপনার রুম সব সময় অগোছালো রাখুন। আপনার মা রুম গোছাতে গোছাতে বিরক্ত হয়ে একসময় আপনার বিয়ের ব্যবস্থা করেও ফেলতে পারেন।

৪. আপনার রুমের ডবল খাটটা বদলে সিঙ্গেল খাট নিয়ে আসুন। কিছু জিজ্ঞেস করলে বলবেন, এত বড় খাট জায়গার অপচয় ছাড়া আর কিছু নয়।

৫. ঘরের দেয়ালে ছোট শিশুদের ছবি টাঙিয়ে রাখুন। বলা তো যায় না শিশুদের ছবি দেখলে আপনার মায়ের মনে নাতি-নাতনি পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা জাগতে পারে।

৬. মাঝেমধ্যে রাত করে বাসায় ফিরুন। কিছু জিজ্ঞেস করলে বলবেন, বাসায় জলদি এসে কী লাভ? একা একা বোরিং লাগে।

৭. এত কিছুর পরও যদি আপনার মা বিয়ের জন্য না ভাবেন, তাহলে সরাসরি তাঁর পা ধরে মুখ ফুটে বিয়ের কথা বলুন। সৌভাগ্য কেবল সাহসীদের সঙ্গেই থাকে।

(ছবি ও মজাঃসংগৃহীত)

মজার কথা থাক। এবার আসল কথায় আসি। বিয়ে কেন দিচ্ছে না সেটাও দেখা দরকার। এমন না যে- ছেলে সাবালক হলো আর বিয়ে দিয়ে দিবে। ভরন পোষন করতে না পারলে বিয়ে করা ঠিক না। সাংসারিক দায়িত্বজ্ঞান ইত্যাদিও থাকতে হবে।

আর্থিক সামর্থ আছে তারপরও বিয়ে না দিলে ছেলের কৃত গুনাহের কারণে বাবা কে গুনাহগার হতে হবে। মাও যদি বাঁধ হয়ে থাকেন তবে মাকেও গুনাহগার হতে হবে। আপনি মা বাবার মধ্যে যে বেশি নরম তাকে বুঝান। আপনার নিকটাত্মীয়দের মাধ্যমে মা বাবাকে বুঝান। কিন্তু হ্যা- মা বাবাকে কষ্ট দিয়ে বিয়ে করা যাবে না। তাদের কষ্ট দিলে দুনিয়া ও আখিরাত দুটিই বরবাদ হয়ে যাবে। ধৈর্য ধারণ করুন। রোযা রাখুন। রোযা রাখার কারণ জিজ্ঞেস করলে বলবেন ইসলাম বলেছে বিয়ে কর না হলে রোযা রাখো। মার্জিত ভাষায় মা বাবাকে এভাবে একবার বললেই তারা এ বিষয়ে অবশ্যই ভেবে দেখবেন।

পিতামাতার উচিত কখনোই সন্তানের বিয়ে দেয়াতে দেরি না করা।

হজরত আবু জর রা. থেকে বর্ণিত, একবার রাসুলুল্লাহ সা. আক্কাফ রা. কে বললেন, হে আক্কাফ! তোমার স্ত্রী আছে? তিনি বললেন, না। রাসুলুল্লাহ সা. বললেন, তোমার কি সম্পদ ও স্বচ্ছলতা আছে? তিনি বললেন, আছে। রাসুলুল্লাহ সা. বললেন, তুমি এখন শয়তানের ভাইদের দলভূক্ত। যদি তুমি খ্রিস্টান হতে তবে তাদের রাহেব (ধর্ম গুরু) হতে। নিঃসন্দেহে বিয়ে করা আমাদের ধর্মের রীতি। তোমরা কি শয়তানের সঙ্গে সম্পর্ক রাখতে চাও? শয়তানের কাছে নারী হলো অস্ত্র। সবাই নারী সংক্রান্ত ফেৎনায় জড়িয়ে পড়ে। কিন্তু যারা বিয়ে করেছে তারা নারীর ফেৎনা থেকে পবিত্র। নোংড়ামি থেকে মুক্ত। তারপর বলেন, আক্কাফ! তোমার ধ্বংস হোক। তুমি বিয়ে কর নতুবা তুমি পশ্চাৎপদ মানুষের মধ্যে থেকে যাবে। [মুসনাদে আহমদ, জমউল ফাওয়ায়েদ, ইমদাদুল ফাতওয়া : ২/২৫৯]। যখন শারীরিক চাহিদা থাকে এবং এই পরিমাণ সামর্থ্য থাকে যে তার এবং স্ত্রীর প্রতিদিনের খরচ বহন করতে পারবে, তখন বিয়ে করা ফরজ। এ অবস্থায় বিয়ে থেকে বিরত থাকলে গুনাহগার হবে।

‘সততার পুরস্কার’ গল্পের ইহুদি বংশের শারীরিক ত্রুটিপূর্ণ তিনজন ব্যক্তির কাছেই আল্লাহ তাঁর ফেরেশতাকে পাঠিয়েছিলেন পরীক্ষা করার জন্য। ফেরেশতা মানুষের ছদ্মবেশে গিয়ে তাদের দুঃখ-কষ্টের কথা শুনে তাদের শরীরে হাত বুলিয়ে তাদের সুস্থ ও সুন্দর করে তোলেন। শুধু তা-ই নয়, তাদের গাভিন উট, গাই ও ছাগল দিয়ে অভাব দূর করে সম্পদশালী করেন। কিন্তু পরবর্তী সময়ে ফেরেশতা গরিব বিদেশির ছদ্মবেশে তাদের কাছে গেলে প্রথম দুজন সব অস্বীকার করে। কিন্তু তৃতীয় অন্ধ ব্যক্তিটি সব স্বীকার করে আল্লাহর প্রতি তার কৃতজ্ঞতা প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে ফেরেশতাকে তাঁর ইচ্ছে মতো সব কিছু দিতে রাজি হয়। লোকটির কৃতজ্ঞতায় আল্লাহ ও ফেরেশতা খুশি হলেন এবং তার সম্পদ তারই রয়ে যায়।

তৃতীয় অন্ধ ব্যক্তি একজন পরোপকারী মানুষ। এ শুধু নিজেকে নিয়ে ব্যস্ত থাকেনি। সমাজের দীন-হীন মানুষের প্রতিও জেগে উঠেছে তার মমত্ববোধ।

ধর্মান্তরিত মুসলিম হয়ে আপনি কেন গর্ববোধ করেন?

এক ভিক্ষুক ছিলো। সে ছিলো বিশ্বের সবচেয়ে বুদ্ধিমান ভিক্ষুক’। ভিক্ষুকটি ভিক্ষার জন্য এক কৌশল বেছে নিয়েছিল। সে মাটিতে আলাদা আলাদা কাগজের ওপর বিভিন্ন ধর্মের নাম লিখেছিল এভাবে-মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ইত্যাদি। এরপর প্রতিটি কাগজের সাথে একটি করে ভিক্ষার পাত্র বসিয়েছিলো। আর নিজের হাতে একটা কার্ডবোর্ড নিয়ে তাতে লিখে রেখেছে- কোন ধর্ম অসহায়দের সবচেয়ে বেশি সাহায্য করে?

যারা ঐ পথ দিয়ে যায়, লেখাটি পড়ে নিজের ধর্মকে সবচেয়ে বড় এবং উদার প্রমাণ করতে নিজ ধর্মের নাম লেখা ভিক্ষার পাত্রে দান করে যায়।

ভিক্ষুককে কেমন বুদ্ধিমান মনে হলো আপনার?

পৃথিবীর সব মানুষই নিজ ধর্মকে সবার চেয়ে উজ্জ্বল দেখতে চায়। একজন হিন্দুকে হিন্দুধর্মের সমালোচনা করে কিছু বললে সেও নিশ্চয়ই ক্ষেপে উঠবে। খোঁজ নিয়ে দেখবেন সে কোনদিন বেদ বা গীতা ছুঁয়েও দেখে নি। খ্রীস্টানরা বলে তাদের বাইবেল পড়া লাগে না। পাপ যত বিশালই হোক না কেন যিশুর নামে ক্ষমা চাইলেই সব ধুয়েমুছে সাফ হয়ে যাবে। তাদের মতে খ্রীষ্টধর্ম শ্রেষ্ঠ, এতে কোন ভুল নেই, যিশুই সেরা, যিশুই সব ইত্যাদি।

মুসলিমরাও নিজেদের ধর্মকে বড় রাখতে একই পথ অবলম্বন করে। ‘নামাজ পড়ি না তো কি হয়েছে!! একজন মুসলিম হিসেবে আমি গর্বিত। কেউ নিজেকে মুসলিম দাবি করলেই সে মুসলিম হয়ে যায় না, জান্নাত লাভ তো অনেক দূরে থাকলো।

আল্লাহ্‌ তায়ালা নিজে ঘোষণা করেছেন মুসলিমরা শ্রেষ্ঠ জাতি।

[সূরা আল ইমরানঃ ১১০]

যেদিন স্পেন হাতছাড়া হল সেদিন কি মুসলিমরা গর্বিত ছিলো? গর্বিত ছিলো কি সেদিন, যেদিন অভিশপ্ত ইহুদীরা মসজিদুল আকসা দখল করল? যখন সোমালিয়া, মালিতে গণহত্যা হল? মধ্য আফ্রিকায় মানুষ পুড়িয়ে মাংস ছেড়া হল, কিংবা যখন বসনিয়ায় মুসলিমদের গলা কেটে রাস্তা ভেজানো হল। তখন মুসলিমদের শির উঁচু ছিলো কিনা বোঝা যায়নি। যে পর্দানশীন বোনদের চুলটুকুও গায়েরে মাহরামরা কোনদিন দেখতে পায় না, তাদের ধরে ধরে আবু গারাইবে যখন ধর্ষণ করা হল, সেসময় মুসলমানের গর্ব কোথায় ছিলো? আরাকানে যখন ভিক্ষুরা মুসলিমের লাশের পাহাড় বানালো, তখনও মুসলমানের গর্বে কোন দাগ পড়ে নি। নব্য ফেরাউন বাশার যখন কেমিক্যাল অস্ত্র দিয়ে একসাথে দুশো বাচ্চা মারল, তখনও মুসলিম গর্বিত ছিলো। মুসলমানের গর্ব চুরমার হলো যখন তালেবানরা বৌদ্ধ মূর্তি ভাঙ্গল তখন। সে নিন্দের ঝড় বয়ে গেলো। তীব্র সমালোচনা চললো ধর্মের নামে মূর্তি ভাঙ্গা হয়েছে বলে। আপনার প্রশ্ন ছিলো-ধর্মান্তরিত মুসলিম হয়ে আপনি কেন গর্ববোধ করেন?

আল্লাহ্‌ তায়ালা বলেছেন, ফিতনা সৃষ্টি হত্যা অপেক্ষা জঘন্যতর। [সূরা বাক্বারাঃ ২১৭]

আজ বিশ্বজুড়ে দেড়শোকোটি তেলাপোকার পাল মুসলিম পরিচয়ে পরিচিত। এই তেলাপোকারা নিজেদের অস্তিত্ব নিয়ে গর্বিত।

মিউজিক সেলিব্রিটি মাইকেল জ্যাকসন মুসলিম হয়েছে শুনলে ‘মুসলিম’ গর্ববোধ করে। জিদানের মত বড় ফুটবলার ‘মুসলিম’ শুনলে তাদের ইমেজ চকচক করে। তারা আমাদের ভাই-বোনদের কান্না শুনতে পায় না। পঙ্গপালের মত ধেয়ে আসা শত্রুবাহিনী দেখে নিশ্চিন্ত থাকে। এরা তেলাপোকা খাবে না, বলে-‘আমি তো আর জঙ্গিবাদী নই।’

শেষ বিচারের দিন সব মুনাফিকির হিসাব চোকাতে হবে। নিশ্চিতভাবে হবেই হবে।

নিজেকে দিন দিন ইতিবাচক ও সজীব রাখার সর্বোত্তম উপায় কী?

১! প্রথমত অন্যের বিষয়ে কথা বলা হতে বিরত থাকেন। সে নিজে না বলা পর্যন্ত কিছু বলবেন না।

২! নিজের বেস্টফ্রেন্ড এর সাথেও খারাপ কিছু ঘটলে কথার মাধ্যমে সহানুভূতি দেওয়ার চেষ্টা করবেন না। তারপাশে চুপচাপ বসে থাকেন, এতেই বরং খুশি হবে সে।

৩! খুব সকালে ঘুম থেকে উঠার চেষ্টা করেন, এবং পারলে ৩০-৩৫ মিনিট হাঁটার চেষ্টা করবেন।

৪! আপনি কথা বলতে থাকেন, ইচ্ছা হলেই বলবেন। আশেপাশে কে কি বলছে কানে নেবার দরকার নেই।

৫! সব কিছুর ওপরে নিজের পরিবারকে সময় দিবেন, এ নিয়ে কোনো আপোষ করবেন না।

৬! নিজের খুশি হওয়া, মন খারাপ করা এ বিষয় গুলো সবার সাথে শেয়ার করবেন না। বিশেষ করে খুব কাছের কেউ ছাড়া মন খারাপের কথা ভুলেও শেয়ার করবেন না।

৭! নিজের সফলতার কথা নিজে প্রচার করবেন না, নিজে সিরিয়াস, কিন্ত অন্যের সামনে ফানি মুডে থাকার চেষ্টা করেন। আর আপনার সফলতার কথা অন্যকে প্রচার করতে দিন।

৮! যে বিষয়ে আপনি অভিজ্ঞ, আত্মবিশ্বাস সর্বোচ্চ, সে বিষয়ে নিজেকে ইম্প্রুভ করতে আরো সময় দেন।

৯! ঘুমানোর সময় ছাড়া বিছানা পরিহার করার চেষ্টা করেন।

১০! এইখানে কিছু লিখবোনা, এটা আপনার উপলব্ধি থেকে ভেবে নেন।

Saturday, February 6, 2021

প্রশ্ন : রাসূল সাঃ কি মাটির তৈরি, না নূরের তৈরি ??


প্রশ্ন : রাসূল সাঃ কি মাটির তৈরি, না নূরের তৈরি ??

======= জানতে হলে পড়তে হবে 💖💖💖

উত্তর : অবশ্যই মাটির তৈরি!শুধু রাসূল (সাঃ) নয়,পৃথিবীতে যত নবী-রাসূল এসেছেন,তারা সবাই মাটির তৈরি।
1/ আল্লাহ তা’লা বলেন :
" হে রাসুল আপনি বলে দিন যে, নিশ্চয়ই আমি তোমাদের মতোই একজন মানুষ। "
[সূরা কাহাফ, -আয়াত সংখ্যা :১১০]
2/ রাসুল (সাঃ) অন্যান্য নবীদের মত মৃত্যু বরণ করেছেন।
এরশাদ হচ্ছে :
“নিশ্চয়ই তুমি মৃত্যুবরণ করবে এবং তারা সকলে মৃত্যু বরণ
করবে”।[সূরা যুমার, আয়াত সংখ্যা :৩০]
3/ . “তুমি বল, " আমি তো তোমাদের মত একজন মানুষই ,ওহীর মাধ্যমে আমাকে প্রত্যাদেশ দেয়া হয়েছে
যে, তোমাদের উপাস্য এক আল্লাহ্। সুতরাং তাঁর দিকে সত্য পথে চল; এবং তাঁর নিকট ক্ষমা প্রার্থনা কর।” -
[সূরা হামীম সিজদাহ, আয়াত সংখ্যা :০৬]
4/ “(শুধু তুমিই মানুষ যে তা নয়) তোমার পূর্বে যে সব
পয়গম্বর আমি প্রেরণ করেছিলাম তারাও ছিলো মানুষ ,
যাদের জন্য আমি ওহী মঞ্জুর করেছিলাম। যদি তোমরা তা না বুঝে থাক, তবে তাদের জিজ্ঞাসা কর যারা [আল্লাহ্র] বাণীকে ধারণ করে থাকে ।”
[সূরা আম্বিয়া, আয়াত সংখ্যা :০৭]
5/ . “তোমাদের মধ্য থেকেই তোমাদের প্রতি রাসূল
প্রেরণ করেছি , যে তোমাদের নিকট আমার আয়াতসমূহ আবৃত্তি করে, তোমাদের পরিশুদ্ধ করে, এবং তোমাদের কিতাব ও প্রজ্ঞা এবং নূতন জ্ঞান শিক্ষা দেয়।” - [সূরা বাকারা, আয়াত সংখ্যা : ১৫১]
6/. “বল: " আমার প্রভু মহিমান্বিত! আমি তো হচ্ছি কেবল একজন মানুষ,একজন রাসুল মাত্র ।”
[সূরা বনী ইসরাইল, আয়াত সংখ্যা :৯৩]
৭. “এটা কি মানুষের জন্য আশ্চর্য্যের বিষয় যে, আমি
তাদেরই একজনের নিকট আমার ওহী প্রেরণ করেছি ?” [-সূরা ইউনুসঃ০২]
৮. “তাদের অন্তর [তা নিয়ে] তুচ্ছ বিষয়ের মত খেলা
করে। পাপীরা তাদের গোপন পরামর্শ লুকিয়ে রেখে
[বলে] " সে কি তোমাদের মত একজন মানুষ নয়? তোমরা কি দেখে শুনে যাদুর কবলে পড়বে ?”
(-সূরা আম্বিয়াঃ০৩)
9/. “এরা আশ্চর্য হচ্ছে এই ভেবে যে, তাদের মধ্য
থেকেই তাদের জন্য একজন সর্তককারী এসেছে এবং
অবিশ্বাসীরা বলে যে, " এ তো একজন যাদুকর , মিথ্যা
বলছে ।” ( -সূরা ছোয়াদঃ০৪)
১০/. “তারা আশ্চর্য হয় যে , তাদের মধ্যে থেকেই
তাদের নিকট একজন সতর্ককারী এসেছে। সুতরাং
অবিশ্বাসীরা বলে, " এটা তো বড় আশ্চর্য ব্যাপার !”-
(সূরা কাফঃ০২)
১১/ . “এবং তারা বলে, " এ কি রকম রসুল, যে [সাধারণ মানুষের মত] আহার করে এবং রাস্তা দিয়ে চলাফেরা করে ? তার নিকট
কোন ফেরেশতা কেন অবতীর্ণ করা হলো না , যে
তাঁর সাথে থাকতো সতর্ককারীরূপে? অথবা তাকে ধন
ভান্ডার দেয়া হয় নাই কেন অথবা উপভোগের জন্য তার
কোন বাগান নাই কেন ? " দুষ্ট লোকেরা বলে, "
তোমরা তো এক যাদুগ্রস্থ লোকেরই অনুসরণ করছো।
("-সূরা ফুরকানঃ০৭-০৮)

******************************

উপরের অংশে প্রমাণ হইছে নবী সাঃ মানুষ আর মানুষ মাত্রই মাটির তৈরি।
মহান আল্লাহ্ বলেন,
1/ " আমি মানবকে পচা কর্দম থেকে তৈরী বিশুষ্ক ঠনঠনে মাটি দ্বারা সৃষ্টি করেছি। "সূরা হিজর-২৬।
2/ " আল্লাহ তাআলা তোমাদেরকে মৃত্তিকা থেকে উদগতকরেছেন। "সূরা নূহ্-১৭।
3/ " তিনি মানুষকে সৃষ্টি করেছেন পোড়া মাটির ন্যায় শুষ্কমৃত্তিকা থেকে। "সূরা আর রাহমান-১৪।
4/ " এ মাটি থেকেই আমি তোমাদেরকে সৃজন করেছি,
এতেই তোমাদেরকে ফিরিয়ে দিব এবং পুনরায় এ থেকেই আমি তোমাদেরকে উত্থিত করব। "
সূরা ত্বো-হা-৫৫।
5/ (ইবলীস) বলল, আমি এমন নই যে, একজন মানবকে সেজদা করব, যাকে আপনি পচা কর্দম থেকে তৈরী ঠনঠনে বিশুষ্ক মাটি দ্বারা সৃষ্টি করেছেন।
সূরা হিজর-৩৩।
6/ রাসুল (সাঃ) বলেন :
" মানুষ মাটির তৈরী, ফেরেশতা নূরের এবং জ্বিনজাত
আগুনের তৈরী।[মুসলিম-৫৩৪]
******************************

@ কিছু মানুষ, কুরআনের  আয়াতের ভুল ব্যাখ্যা জাল হাদীস কে
তফসির করে বলে, রাসূল সাঃ নূরের তৈরি :
" তোমাদের কাছে একটি উজ্জল জ্যোতি এসেছে এবংএকটি সমুজ্জল গ্রন্থ। " (সূরা মায়েদা, আয়াত : 15)
এখানে উজ্জল জ্যোতি বলতে হেদায়াতের আলো বা
নূরকে নির্দেশ করা হয়েছে,
এ আয়াতে বলা হয়নি যে, রাসূল সাঃ নূরের তৈরি।
পবিত্র কোরআনে আল্লাহ বহু জায়গায় কোরআনকেও নূর বলেছেন।যেমনঃ কাজেই তোমরা ঈমান আনো আল্লাহর প্রতি ও তাঁর রাসূলের প্রতি আর সেই
নূরের এর প্রতি যা আমি নাযিল করেছি।[সূরা তাগাবুন আয়াতঃ ৮]
এখানে কোরআনকে নূর বলা হয়েছে।
এখন যদি বলেন, কোরআন নূরের তৈরি তাহলে আপনার ইমান চলে যাবে।কারণ কোরআনকে আল্লাহ নূরের তৈরি বলেন নি।
এখানে আল্লাহ নূর বলতে কোরআনকে বুঝানো হয়েছে।
আর কোরআন হচ্ছে হেদায়েতের নূর।
তেমনি নবী (সঃ) কেও হেদায়েতের নূর বলা হয়েছে।
তাদের আরেকটি জাল হাদীস এ বলে 'আউয়ালুমা খালাকাল্লাহু ফীনুরি'
অর্থঃ আমি প্রথম সৃষ্টি করেছি আল্লাহর নূর!
এই কথাটি পৃথিবীর কোনো হাদীস গ্রন্থে নেই।এটি শয়তানের পক্ষ হতে জাল হাদীস।
এবার নূর নিয়ে আরোও কিছু আলোচনা করা যাকঃ
নূর শব্দের অর্থ আলো,জ্যোতি। নূর শব্দটির প্রকৃত
অর্থে “দৃশ্যমান” আলো আর রূপক অর্থে “অদৃশ্যমান
আলো” তথা হেদায়েত, জ্ঞান ইত্যাদি অর্থে ব্যবহৃত হয়ে
থাকে। কুরআন-হাদিছে উভয় অর্থে নূর শব্দটির ব্যবহার পাওয়া
যায় ।
এ নূরদ্বয়ের মধ্য হতে অদৃশ্য নূরই আল্লাহ তায়ালার সন্তুষ্টি
ও নৈকট্য লাভের উপায় ।তাইতো ফেরেশতাগণ বাহ্যিক
নূরের সৃষ্টির পাশাপাশি অদৃশ্য নূরের অধিকারী ছিলেন ।
আর আদম (আঃ) মাটির সৃষ্টি হওয়া সত্ত্বেও ফেরেশতাদের
থেকে অনেক বেশি অদৃশ্য নূরের ( জ্ঞান ) অধিকারী
ছিলেন বিধায় তার মর্যাদাও ফেরেশতাদের ঊর্ধ্বে। আর
বাশার বা ইনসান শব্দের অর্থ হল মানবজাতি,আদম সন্তান।
মহান আল্লাহ ‘নূর’ দ্বারা কি বুঝিয়েছেন তা আমরা নিম্নোক্ত
আয়াতে কারীমাসমূহ দ্বারা অনুধাবন করতে পারবো ইনশাআল্লাহ।
আয়াত-১ : আল্লাহ বলেছেন,
" যারা ঈমান এনেছে আল্লাহ তাদের ওলী। তিনি তাদেরকে
যুলুমাত তথা অন্ধকার হ’তে নূরের প্রতি বের করেন "
(সূরা আল-বাক্বারা, আয়াত-২৫৭)।
হাফেয জালালুদ্দীন সুয়ূত্বী বলেছেন :
নূরের প্রতি বলতে ঈমানের প্রতি বের করে এনেছেন
(তাফসীরুল জালালাইন পৃঃ ৫৬)
:
হাদীছে বর্ণিত ‘নূর’ এর অর্থ
:
হাদীছ-১ : ইবনে আব্বাস (রাঃ) বলেছেন :
" যেনা করার সময় যেনাকারী থেকে ঈমানের নূরকে
খুলে নেয়া হয়"
(বুখারী হা/৬৭৭২)।
:
হাদীছ-২ : আবূ মালেক আশ‘আরী (রাঃ) বলেছেন,
রাসূলুল্লাহ ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন,…… ছালাত
হ’ল নূর। ছদক্বা হচ্ছে দলীলস্বরূপ। আর ছবর হ’ল
জ্যোতি। এবং কুরআন তোমার পক্ষ্যে বা বিরুদ্ধে
দলীলস্বরূপ হবে
(মুসলিম, হাদীছ-২২৩)।
:
এই হাদীছে ছালাতকে নূর বলা হয়েছে।
তার মানে কি এই যে, ছালাত নামক বস্তুকে বা ইবাদাতকে
আল্লাহ ‘নূর’ দ্বারা সৃষ্টি করেছেন ???
@ যারা রাসূল সাঃ কে নূরের তৈরি বলে বিশ্বাস করেন,
তাদের উদাহরণ নূহ আঃ এর যমনার মুশরিকের মত :
:
মহান আল্লাহ বলেন :
.
" আমি নূহকে তার সম্প্রদায়ের কাছে প্রেরণ করেছিলাম।
সে বলেছিল :হে আমার সম্প্রদায়, তোমরা আল্লাহর বন্দেগী কর। তিনি ব্যতীত তোমাদের কোন মাবুদ নেই। তোমরা কি ভয় কর না।
:
তখন তার সম্প্রদায়ের কাফের-প্রধানরা বলেছিল :
এ তো তোমাদের মতই একজন মানুষ বৈ নয়। সে তোমাদের
উপর নেতৃত্ব করতে চায়।
আল্লাহ ইচ্ছা করলে ফেরেশতাই নাযিল করতেন। আমরা
আমাদের পূর্বপুরুষদের মধ্যে এরূপ কথা শুনিনি। "
:
[সুরা মুমিনূন, আয়াত : 23-24]
:
আর মানুষ মাত্রই মাটির তৈরি, ফেরেস্তারা হল নূরের তৈরি,
.
মাজার পূজারীরা এবং পীর -সুফীবাদিরা রাসূল সাঃ কে নূরের তৈরি
বলে মিথ্যা অপপ্রচার চালাচ্ছে।
:
:
নবী (সাঃ)বলছেন :
:
" তোমরা আমাকে নিয়ে (আমার তা'যীমে) বাড়াবাড়ি
করো না, যেমন খৃষ্টানরা ঈশা বিন মারয়্যাম (যীশু) -কে
নিয়ে করেছে।
আমি তো আল্লাহর দাস মাত্র। অতএব তোমরা আমাকে
আল্লাহর দাস ও তাঁর রাসুলই বলো "
:
[বুখারী, মুসলিম, মিশকাত/৪৮৯৭]
:
পরিশেষে, একটা কথা বলতে চাই,কেউ বিভ্রান্তির স্বীকার হবেন না।নিজে কোরআন হাদীস পড়ুন তাহলে প্রকৃত সত্য জানতে পারবেন।