Monday, January 25, 2021

কিছু কঠিন বাস্তব সত্য যা আপনি জীবনে উপলব্ধি করেছেন সে সম্পর্কে জানাতে পারবেন?

  • কেউ আপনার খোঁজ নেবে না, যতক্ষন না আপনি নিজে থেকে তার খোঁজ খবর নেন।
  • কেউ কাউকে ভুলে যায় না, আসলে প্রয়োজন থাকে না তাই যোগাযোগ রাখে না।
  • মোটিভেশন বা অনুপ্রেরণা এসব দিয়ে কিচ্ছু হবে না, যতক্ষন না। আপনি নিজে থেকে উপলব্ধি করেন।
  • সবাই আপনাকে উপদেশ দিবে কিন্তু খাইয়ে দিবে না, নিজের কাজ নিজেকেই করতে হবে।
  • অন্যের ভুল থেকে শিক্ষা নিন, সফলতা থেকে কৌশল নয়! অন্যের সাফল্যের গল্প পড়ে শুধু আক্ষেপ বাড়বে আর কিছু নয়। অন্যের ব্যার্থতার কারন বের করে তার ভুল থেকে শিক্ষা নিন।
  • ক্ষণিকের বিনোদনের জন্য তৃতীয় শ্রেণীর (Third class) বিনোদন দেখে নিজের চিন্তা ভাবনাকে দুষিত করবেন, অনেক বড় বিপদ ডেকে আনবে আপনার উজ্জ্বল ভবিষ্যতের পথে।
  • যে আপনার কদর বুঝে না, তার সাথে সম্পর্ক রেখে ফালতু সময় নষ্ট করার দরকার নেই, বরং যে আপনার কদর দিতে জানে তাকে অবজ্ঞা নয় বরং অগ্রাধিকার দিন।
  • কোনো কিছুর একটি নির্দিষ্ট পক্ষ থাকে না, দুটি পক্ষ থাকে! যেমন- বিজ্ঞান আশীর্বাদ ও আবার অভিশাপও, বই পড়ার ভালো দিক ও আছে আবার খারাপ দিক ও আছে। একজন ভালো মানুষের মধ্যে খারাপ স্বত্তাও থাকতে পারে আবার একজন খারাপ মানুষের মধ্যে ভালো স্বত্তাও থাকতে পারে! কোন সম্ভাবনা কে উড়িয়ে দেয়া যায় না।

আল্লাহর নাম "আল্লাহ" কে দিয়েছেন? নাকি উনি নিজেই রেখেছেন?

আল্লাহর নাম "আল্লাহ" কে দিয়েছেন? নাকি উনি নিজেই রেখেছেন?

১.সমস্ত প্রশংসা আল্লাহ তা'য়ালার জন্য যিনি সমস্ত সৃষ্টি জগতের মালিক। (সূরা : আল ফাতিহা, আয়াত -১)

২.বলুন, আল্লাহ এক ও অদ্বিতীয়।(সূরা : আল ইখলাস, আয়াত -১)

৩.আল্লাহ, তিনি ছাড়া সত্যিকারের কোনো ইলাহ নেই, তিনি চিরঞ্জীব সকলের রক্ষণাবেক্ষণকারী। (সূরা : আলে ইমরন, আয়াত - ২)

এরকম আরো অনেক আয়াত আছে যেগুলোতে আল্লাহ নিজেই আমাদেরকে নিজের নাম জানিয়েছে। শুধু " আল্লাহ " এই নামটিই নয় আল্লাহর আরো যে ৯৯ টি নাম রয়েছে আল্লাহ সেগুলো বিভিন্ন সূরার বিভিন্ন আয়াতে আল্লাহ আমাদের জানিয়েছেন।

কুরআন যেহেতু আল্লাহ নাযিল করেছেন এবং এর কোনো পরিবর্তনকারী নেই বা কেউ এতে নতুন কোন শব্দ যুক্ত করতে বা বাদ দিতে পারবে না। সুতরাং অন্য কেউ আল্লাহর নাম দিয়েছেন এটা গ্রহণযোগ্য না।

আমি জানি না এই ধরনের প্রশ্নগুলোর উদ্দেশ্য কী।

" মানুষ কি দেখে না যে, আমি তাকে সৃষ্টি করেছি বীর্য থেকে ? অতঃপর তখনই সে হয়ে গেল প্রকাশ্য বাক-বিতন্ডাকারী। সে আমার সম্পর্কে এক অদ্ভুত কথা বর্ণনা করে , অথচ সে নিজের সৃষ্টি ভুলে যায়। " ( সূরা : ইয়াসীন)

মহানবী (সা.)-এর মেহমানদারিতে মুগ্ধ-বিস্মিত হতেন অতিথিরা



মহানবী (সা.)-এর মেহমানদারিতে মুগ্ধ-বিস্মিত হতেন অতিথিরা

প্রকাশিতঃ অক্টোবর 21, 2020 আপডেটঃ 4:14 অপরাহ্ন

অতিথিপরায়ণতা ও মেহমানদারির আদর্শ ছিলেন মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)। অতিথিদের সামনে তিনি সদা হাস্যোজ্জ্বল থাকতেন। যেকোনো অতিথিকেই তিনি সাদর আমন্ত্রণ ও উষ্ণ অভ্যর্থনা জানাতেন। অতিথিদের ক্ষেত্রে ধর্ম-বর্ণ ও শত্রু-মিত্রের ফারাক করতেন না। কোনো অতিথির কাছ থেকে অসৌজন্য প্রকাশ পেলেও ধৈর্য ধরতেন।

অতিথির আদর-আপ্যায়নে যাতে কোনো ত্রুটি না হয় সেদিকে সম্পূর্ণ খেয়াল রাখতেন। বিদায়বেলায় মেহমানের হাতে তুলে দিতেন বিভিন্ন রকম উপহার-উপঢৌকন। তার আন্তরিক আতিথেয়তায় অতিথিরা মুগ্ধ-বিস্মিত হতো। সেই মুগ্ধতা-বিস্ময় অনেক অতিথিকে ইসলাম গ্রহণে উৎসাহিত করেছে। আতিথেয়তা সম্পর্কে তার নির্দেশনাবলি যুগ যুগ ধরে আভিজাত্যের আকাশে আলো ছড়াতে থাকবে।

আতিথেয়তার ফজিলত

মেহমানদারি ও আতিথেয়তার ফজিলত বর্ণনা করে রাসুল (সা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি আল্লাহ ও পরকালে বিশ্বাস রাখে, সে যেন তার মেহমানের সমাদর করে।’ (মুসলিম, হাদিস : ৭৯)

সালমান ফারসি (রা.) বলেন, একবার আমি রাসুল (সা.) এর কাছে এলাম। একটি বালিশে হেলান দিয়ে তিনি বসা ছিলেন। আমাকে দেখে তিনি বালিশটি আমার দিকে এগিয়ে দিলেন। বললেন, ‘সালমান, যখন কোনো মুসলমান তার ভাইয়ের কাছে আসে, তখন তার সম্মানে যদি একটি বালিশও সে এগিয়ে দেয়, আল্লাহ তাকে ক্ষমা করে দেন।’ (হায়াতুস সাহাবা, পৃষ্ঠা : ৪৪৬)

সর্বজনীন আতিথেয়তা

রাসুল (সা.)-এর আতিথেয়তার শর্তের কোনো বেড়াজাল ছিল না। ধনী-দরিদ্রের তফাৎ ছিল না। মুসলিম-অমুসলিমের তারতম্য ছিল না। শত্রু-মিত্রের কোনো ফারাক ছিল না। রাসুল (সা.) বলেন, ‘যে ওলিমায় শুধু ধনীদের আমন্ত্রণ জানানো হয় এবং গরিবদের বাদ দেওয়া হয়, তা সবচেয়ে নিকৃষ্ট খাবার।’ (বুখারি, হাদিস : ৪৭৯৯)

এক সাহাবি রাসুল (সা.) কে জিজ্ঞেস করলেন, আল্লাহর রাসুল, ধরুন আমি এক লোকের কাছে গেলাম কিন্তু সে আমাকে মেহমানদারি করল না। পরে সে যদি আমার মেহমান হয় আমি কী তাকে সমাদর করব, না তার মতোই আচরণ করব? রাসুল (সা.) জবাবে বললেন, ‘না, বরং তুমি তাকে মেহমানদারি করবে।’ (মিশকাত, পৃষ্ঠা : ৩৬৯)

সাহাবি রুশদ ইবনে আবদুর রহমান (রা.) বলেন, ‘ইসলাম গ্রহণের আগে আমি রাসুল (সা.)-এর মেহমান হয়েছিলাম। তিনি আমার খোঁজ-খবর নিলেন। তার কাছে আমাকে বসালেন। যতক্ষণ আমি তার কাছে ছিলাম ততক্ষণ তার আতিথেয়তায় মুগ্ধ হয়েছি। তার এই অসাধারণ আতিথেয়তায় সন্তুষ্ট হয়ে আমি ইসলাম গ্রহণ করেছি। (হায়াতুস সাহাবা, পৃষ্ঠা : ৪৪৭)

উষ্ণ অভ্যর্থনা

প্রিয়নবী (সা.) মেহমানদের উষ্ণ অভ্যর্থনা জানাতেন। দরোজার বাইরে এসে কুশল বিনিময় করতেন। হাসিমুখে আন্তরিক অভিনন্দন জানাতেন। নিজের চাদর বিছিয়ে বসতে দিতেন। কখনো নিজের আসন ছেড়ে দিয়ে মেহমানকে বসাতেন। মেহমানদের সঙ্গে কোনো শিশু এলে তাদের তিনি কোলে তুলে নিতেন এবং পরম মমতায় তার গালে চুমো এঁকে দিতেন।

হাদিসে এসেছে, ‘কোনো মেহমানের আগমনবার্তা জানলে রাসুল (সা.) দরোজার বাইরে এসে তাকে অভ্যর্থনা ও সাদর সম্ভাষণ জানাতেন।’ (মিশকাত, পৃষ্ঠা : ৩৭০)

শত্রু যখন অতিথি

আরবের মুহারিব গোত্র খুবই উগ্র ছিল। তারা ছিল কট্টর ইসলামবিরোধী। ইসলামের মাধুর্যে মুগ্ধ হয়ে যখন মানুষ দলে দলে মদিনায় আসতে লাগল, তখন মুহারিব গোত্রেরও দশজন লোক মদিনায় এলো। রাসুল (সা.) তাদের অভ্যর্থনা-আপ্যায়নের জন্য বেলাল (রা.)-কে দায়িত্ব দেন। সকাল-বিকেল তাদের আহারের সুব্যবস্থা করেন। এতে তারা খুবই মুগ্ধ-বিস্মিত হলো এবং ইসলাম গ্রহণ করে নিজ দেশে ফিরে গেল। (আসাহহুস সিয়ার, পৃষ্ঠা : ৪৪৪)

অতিথির অসৌজন্যে ধৈর্য ধারণ

অতিথিদের নানা দুর্ব্যবহারে তিনি সহনশীলতার পরিচয় দিতেন। তাদের অসৌজন্য নীরবে সয়ে যেতেন। ক্ষমার চাদরে ঢেকে দিতেন তাদের। একটু কটুবাক্যও তিনি কখনো বলতেন না। অন্যদেরও কঠোরভাবে নিষেধ করতেন। একবার এক গ্রাম্য বেদুইন লোক নবী (সা.)-এর কাছে আসে। কিন্তু হঠাৎ সে মসজিদে নববীর ভেতরেই প্রস্রাব করতে শুরু করে। সাহাবায়ে কেরাম তাকে বাঁধা দিতে গেলে রাসুল (সা.) বললেন, ‘তাকে সুযোগ দাও এবং তার প্রস্রাবে এক বালতি পানি ঢেলে দাও। তোমরা অন্যের প্রতি কঠোর হওয়ার জন্য নয়, বরং নম্র ব্যবহারের জন্যে প্রেরিত হয়েছো।’ (বুখারি, হাদিস : ২২০)

মেহমানের খাতির-যত্ন

অতিথির আদর-আপ্যায়ন ও খাতির-যত্নে রাসুলের কোনো সংকোচবোধ ছিল না। তিনি মেহমানের সঙ্গে একই পাত্রে বসে খেতেন। মেহমান তৃপ্তিসহকারে খেয়ে না ওঠা পর্যন্ত তিনি উঠতেন না। বসে থাকতেন। ভালো খাবারগুলো মেহমানে দিকে এগিয়ে দিতেন। খাবার সংকট থাকলে নিজের পরিবারকে অভুক্ত রেখে তিনি মেহমানদের খাওয়াতেন।

‘আসহাবুস সুফফার (যারা মসজিদে নববীতে থাকতেন, তাদের বাড়ি-ঘর ছিল না) সদস্যরা ছিলেন রাসুল (সা.) এর নিত্য মেহমান। তিনি তাদের খাতির-যতেœর কোনো কমতি রাখতেন না। অন্যান্য মেহমানদের তিনি আসহাবুস সুফফার সঙ্গে মসজিদে নববীতে থাকার ব্যবস্থা করতেন। তাছাড়া সাহাবি রামলা ও উম্মে শরিক (রা.)-এর ঘরেও মেহমানদের থাকার বিশেষ ব্যবস্থা ছিল। (শারহুল মাওয়াহিবিল লাদুন্নিয়্যাহ, খন্ড : ৪, পৃষ্ঠা : ৮০)

এতেও সংকুলান না হলে তিনি সাহাবাদের মধ্যে মেহমানদের বণ্টন করে দিতেন। তাদের খাতির-যত্নের তাগিদ দিতেন। সাহাবারাও তাদের সমাদর করতেন।

মক্কা বিজয়ের পর মদিনায় অতিথির কোনো অভাব ছিল না। রাসুল (সা.) নিজেই তাদের খেদমত আঞ্জাম দিতেন। আর সাহাবি বেলাল (রা.)-কে রাষ্ট্রীয় মেহমানদের বিশেষ তত্ত্বাবধায়ক হিসেবে নিযুক্ত করেন। (সিরাতুন নবী, খন্ড : ২, পৃষ্ঠা : ৫০৪)

অতিথির সঙ্গে হাস্যরস

রাসুল (সা.) বলেন, ‘মেহমানের সঙ্গে হাসিমুখে সাক্ষাৎ করা এবং কথা বলা সাদাকাহ। (তিরমিজি, খন্ড : ২, পৃষ্ঠা: ১৮)

মেহমানের সঙ্গে তিনি অন্তরঙ্গ হয়ে আলাপ করতেন। মাঝেমধ্যে হাস্যরস করতেও ভুলতেন না। একবার এক মেহমান বলল, আল্লাহর রাসুল, আমার কোনো বাহন নেই। চড়ার জন্যে আমাকে বাহন দিন। রাসুল (সা.) তাকে কৌতুক করে বলেন, তোমাকে একটি উটের বাচ্চা দেব। লোকটি বলল, উটের বাচ্চা দিয়ে আমি কী করব হে আল্লাহর রাসুল? রাসুল (সা.) বললেন, এমন কোনো উট আছে কী, যা কোনো উটের গর্ভ থেকে জন্ম নেয়নি? (তিরমিজি, খন্ড: ২, পৃষ্ঠা: ২০) অর্থাৎ উটের বাচ্চা মানে তাকে উট দেওয়ার কথাই বলেছেন রাসুল (সা.)।

বিদায়কালে উপহার

রাসুল (সা.) বিদায়কালে মেহমানদের পথখরচ ও উপহার দিতেন। কখনো পর্যাপ্ত উপহার দিতে না পারলে অল্প হলেও দিতেন। তাদের কাছে ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টি কামনা করতেন। কখনো বিশেষ সাহাবিকে বলে দিতেন, যাতে তিনি তাদের পথখরচ দিয়ে দেন। অন্যান্য উপহার তো থাকতই। বিশেষত যখন কেউ তার কাছে উপহার নিয়ে আসতেন, তখন তিনি তা গ্রহণ করতেন। পাশাপাশি বিদায়কালে তাকে নিজের পক্ষ থেকে অবশ্যই উপহার দিতেন।

হারিস ইবনে আউফের নেতৃত্বে এক প্রতিনিধি দল একবার রাসুল (সা.)-এর অতিথি হয়। বিদায়কালে রাসুল (সা.) তাদের প্রত্যেককে ১০ উকিয়া পরিমাণ রুপা দেন। সাহাবি হারিসকে দেন ১২ উকিয়া পরিমাণ রুপা। (আসাহহুস সিয়ার, পৃষ্ঠা : ৪৪৩)

মহানবী (সা.)-এর আতিথেয়তা মুসলমানদের অনুপম আদর্শ। আধুনিক যুগেও এসব সুন্নাত আভিজাত্যের নিদর্শন। এসব সুন্নাহ থেকে মুসলমানরা নিত্যদিন দূরে সরে যাচ্ছে। তাই আসুন, অতিথি ও মেহমানের সমাদর করি। তাদের আদর-যত্ন ও খাতির-আপ্যায়নে মহানবী (সা.)-কে অনুসরণ করি। পৃথিবিময় ছড়িয়ে দেই ইসলামের সৌন্দর্য-

Sunday, January 24, 2021

কোন ১০টি জিনিস আপনার কখনও করা উচিত নয়?

  1. সোশ্যাল মিডিয়ায় আপনার সুখী বিয়ের বিজ্ঞাপন দেবেন না। আপনি একজন ঈর্ষান্বিত প্রাক্তন খলনায়কের ক্রোধ আকর্ষণ করতে পারেন।
  2. আপনার ব্যক্তিগত পারিবারিক ছবি ইন্টারনেটে পোস্ট করবেন না। কেউ এগুলো ব্যবহার করে আপনার প্রিয়জনদের জীবন নষ্ট করতে পারে।
  3. সোশ্যাল মিডিয়ায় আপনার ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে আলোচনা করবেন না। আপনি জানেন না কে পড়ছে বা শুনছে।
  4. যারা সোশ্যাল মিডিয়ায় আপনার সাথে বন্ধুত্ব করতে অনুরোধ করে তাদের সাথে বন্ধুত্ব করবেন না।
  5. আপনার পাসওয়ার্ড বা নিরাপত্তা প্রমাণপত্রাদি অনলাইনে সংরক্ষণ করবেন না। ডাটাবেস হ্যাক করা যেতে পারে
  6. সোশ্যাল মিডিয়ায় কারো প্রেমে পড়বেন না। তারা সহজেই তোমার উপর ঝাঁপিয়ে পড়তে পারে।
  7. সোশ্যাল মিডিয়ায় আপনার গর্ভাবস্থার বিজ্ঞাপন দেবেন না। একজন বিকৃত উন্মাদ অকল্পনীয় কাজ করতে পারে এবং গর্ভপাত ঘটাতে পারে।
  8. সোশ্যাল মিডিয়ায় আপনার বাচ্চাদের সাফল্যের বিজ্ঞাপন দেবেন না। বিদ্বেষী লোকেরা তাদের জীবন নষ্ট করে দিতে পারে।
  9. সোশ্যাল মিডিয়ায় আপনার দামী কেনাকাটার বিজ্ঞাপন দেবেন না। তুমি চোর বা ডাকাতদের ও আকর্ষণ করতে পারো।
  10. সোশ্যাল মিডিয়ায় কখনও কোন আপোষমূলক ছবি শেয়ার করবেন না। এগুলো অবশ্যই ইন্টারনেটে শেয়ার করা হবে।

১। শিরক করা।

২। বিদআত করা।

৩। মা বাবাকে কষ্ট দেওয়া।

৪। সুদ ঘুষ প্রভৃতির মাধ্যমে হারাম উপার্জন করা।

৫। গালি দেওয়া বা মুখ খারাপ করা এবং গীবত করা।

৬। অন্যের উপকার করে খোটা দেওয়া এবং অন্যকে অপমানিত করা।

৭। অহংকার করা ।

৮। লোভ করা।

৯। হিংসা করা।

১০। অপচয় করা তা সময়ই হোক বা টাকা পয়সা।

উল্লিখিত কাজগুলো না করা এবং তা থেকে দূরে থাকা জরুরী।

Thursday, January 21, 2021

কোন ভুলগুলি মানুষের জীবনে একবার হলেও করা উচিত?

জেনে শুনে কি ভুল করতে যাবে মানুষ এমন বোকা লোক খুবই কম পাওয়া যাবে।

আপনি নিজেও জেনেশুনে ভুল করবেন না, আমি যদি বলি পাঁচতলা বিল্ডিং থেকে লাফ দিন তাহলে কেমন হবে একটু কল্পনা করুন।

ঠিক তেমনি মানুষ যখন ভুল করে মানুষ এমনই আশ্চর্য হয় কেন সে ভুল করলো।

আপনি যখন বলছেন তাহলে একটু উওর দিয়ে দেখি দিতে পারি কিনা।

  1. প্রেমে পড়ে দেখুন সত্যিকারে যখন ব্রেকআপ হবে তাহলে বুঝবেন এটা কি ছিলে 😄😄 এমন সৌভাগ্য মানুষ খুঁজা কম পাওয়া যাবে।
  2. টাকা ধার দিয়ে দেখুন কাছের মানুষ কে। সেটা নিতে গেলে অনেক কিছু হয়ে যাবে 💰👈।
  3. বিয়ে করুন তার পর জীবনের স্বাধীনতা মরে যাবে এমন না যে বিয়ে নিয়ে খারাপ মন্তব্য করিতেছি এখনো সিঙ্গেল😄😄😄। খুব শিগগিরই একটা উওর দিতে যাচ্ছি বিয়ে করলে মানুষ অন্যকে পরামর্শ দেয় কেন বিয়ে না করতে এটা নিয়ে।
  4. মানুষ চাই ভুল না করতে আপনি চাচ্ছেন ভুল একবার হলেও করতে খুবই ইন্টারেস্টিং।
  5. জীবনে অনেক ভুল হবে অনেক মানুষের সাথে দেখা হবে, অনেক বেঈমান মানুষ দেখবেন চোখের সামনে বেঈমানী করতে পারে এক পলকের মধ্যে এমন মানুষ ও পাবেন জীবনে।
  6. একটা ভালো জব করুন। তার পর সে জব টা ছেড়ে দিয়ে এর চেয়ে কম টাকায় একটা কষ্টের জব করুন তার পর দেখুন কি ভুল করেছেন আপনি জাস্ট ফান এমন করা উচিত নয় তবে আপনি করতে পারেন এনজয় করুন।
  7. পড়াশোনার টাইমে প্রেম করা, তার পর সময় চলে গেলে বলবেন কি করলাম এতো বড় ভুল কেমনে কি করে হলো।
  8. ছেলে হলে ভুল মেয়ের সাথে পরিচয় হন, মেয়ে হলে ভুল ছেলের সাথে পরিচয় হন। জীবনে অনেক কিছু শিখতে পারবেন এবং শিক্ষা ও নিতে পারবেন।

একটা৷ অনুরোধ করবো জেনেশুনে ভুল না করতে, এমন কোন ভুল করিবেন না যাতে জীবনটা সেই ভুলের জন্য জন্য প্রস্তাতে হয়।

ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন ভুল থেকে শিক্ষা নিন।

Wednesday, January 20, 2021

সত্যিকার অর্থে কিছু ভালো অভ্যাসগুলো কী কী?

  • সময় থাকতে আশপাশের মানুষের মূল্য বোঝে দূরত্ব বাড়ার আগেই তাদেরকে সময় দেয়া।
  • সবসময় সবকিছুর সাথে নিজেকে তুলনা না দেয়া।
  • অন্যের কারণে নিজের মানসিক শান্তি নষ্ট না করা।
  • প্রতিদিন কিছুটা হলেও নিজেকে সময় দেয়া।
  • খারাপ সময়ে নিজেকে দোষারোপ না করে নিজের জন্য নিজেকে সাহস জোগানো।
  • উপকারী ব্যক্তির প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা।
  • ভুল মানুষের সাহচর্য এড়িয়ে চলা।
  • বন্ধু নির্বাচনে সতর্ক থাকা।
  • নিজের ব্যক্তিগত এবং পারিবারিক সিদ্ধান্তে অন্য কোন ব্যক্তির উপর নির্ভরশীল না হওয়া বা অন্য কোন ব্যক্তিকে না জড়ানো।
  • নিজের ব্যর্থতার দায় অন্য কাউকে না দেয়া।
  • নিজের ব্যক্তিগত হতাশা এবং সংকীর্ণতা অন্য মানুষের উপর উগরে না দেয়া।
  • অতীত নিয়ে হা-হুতাশ করে বর্তমানকে নষ্ট না করা।
  • শত ব্যস্ততায়ও পরিবারকে সময় দেয়া।
  • কাউকে "Taken for granted" হিসেবে না নেয়া।
  • সর্বদা আপনার খেয়াল রাখা, যত্ন নেয়া মানুষটির প্রতিও খেয়াল রাখা, তার প্রতি কৃতজ্ঞ থাকা।
  • অন্যায়ের সাথে আপোষ না করা।
  • অন্যের বিপদে এগিয়ে আসা।
  • সর্বদা নিজের স্বার্থ নিয়ে না ভাবা।
  • সর্বদা লাভ-ক্ষতির হিসেব না করা।
  • নেতিবাচক মনোভাব বিশিষ্ট মানুষকে বন্ধু হিসেবে নির্বাচন না করা।
  • অভাবী মানুষদের গোপনে সাহায্য করা।
  • পরচর্চা এবং পরনিন্দা না করা এবং পরচর্চা ও পরনিন্দাকারীদের যথাসম্ভব এড়িয়ে চলা।
  • কারও প্রতি আবেগে অন্ধ হয়ে না যাওয়া।
  • নিজের জীবনের নিয়ন্ত্রণ অন্য মানুষের উপর হারিয়ে না ফেলা।
  • ভুল থেকে শিক্ষা নেওয়া।
  • সময় থাকতেই সময়ের মূল্য বোঝা।
  • অপ্রয়োজনীয় ব্যয় না করা।
  • সঠিক সময়ে সঠিকভাবে খাবার গ্রহণের অভ্যাস করা।
  • শরীরের যত্ন নেওয়া।
  • পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকা।
  • নিয়মিত শরীর চর্চা করা।
  • রাস্তা-ঘাট, যানবাহন ও যেখানে সেখানে ময়লা না ফেলা।
  • রাস্তায় মূত্র ত্যাগ না করা।
  • মাদক এবং সকল ধরনের নেশা থেকে নিজেকে বিরত রাখা।
  • পরম করুণাময়ের প্রতি কৃতজ্ঞ থাকা।