Friday, November 13, 2020

কোন খারাপ অভ্যাসগুলো অবিলম্বে বন্ধ করা উচিত, নতুবা পরবর্তীকালে আমাকে অনেক পস্তাতে হবে?


১। অন্যের কথা শুনতে গিয়ে, নিজের কথা বলা শুরু করে দেয়ার অভ্যাস, বন্ধ করা উচিৎ।

২। অন্যের ত্রুটি, বিচ্যুতি নিয়ে সমালোচনা করার অভ্যাস, বন্ধ করা উচিৎ।

৩। পোষাক পরিচ্ছদ দেখে, কাউকে মূল্যায়ণ করার অভ্যাস, বন্ধ করা উচিৎ।

৪। অন্যের সার্থকতা, নিজের সাথে তুলনা করে ঈর্ষান্বিত হয়ে, বিমর্ষ হয়ে পড়ার অভ্যাস, বন্ধ করা উচিৎ ।

৫। সময়ানুবর্তিতা (punctuality) কে গুরুত্ব না দেয়ার অভ্যাস, বন্ধ করা উচিৎ।

৬। বাস্তবকে অনুধাবন না করে, কল্পনায় ভেসে বেড়ানোর অভ্যাস, বন্ধ করা উচিৎ।

৭। কাউকে প্রশংসা করতে গিয়ে, অন্যের সাথে তুলনা করে, অন্যকে ছোট করার অভ্যাস, বন্ধ করা উচিৎ।

৮। নিজের কথা বলতে গিয়ে, প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে, আত্মপ্রচারের জন্য উন্মুখ হয়ে উঠার অভ্যাস, বন্ধ করা উচিৎ।

৯। নিজের দু:খ কষ্টের কথা অন্যকে বলে, সহানুভূতি আদায় করার অভ্যাস, বন্ধ করা উচিৎ।

১০। অন্যের ধর্ম, খাদ্যাভ্যাস, পোশাক পরিচ্ছদ, সংস্কৃতি, নিজের পছন্দ না হলেই, সে সম্পর্কে নিন্দা, সমালোচনা করার অভ্যাস, বন্ধ করা উচিৎ।

১১। কাউকে কথা দিয়ে নিশ্চিন্ত করে, কথা না রাখার অভ্যাস, বন্ধ করা উচিৎ।

১২। অন্যের একান্ত ব্যক্তিগত ব্যাপারে, অহেতুক কৌতুহলী হওয়ার অভ্যাস, বন্ধ করা উচিৎ।

১৩। ঘরোয়া আসরে, কাউকে, "প্লিজ, প্লিজ, একটা গান করুন, একটা গান শোনান, প্লিজ" বলে, জোর জবরদস্তি করে, তাঁকে দিয়ে গান শুরু করিয়ে দিয়েই, নিজেদের মাঝে, গল্প, হাসি, ঠাট্টা, চালিয়ে যাওয়ার অভ্যাস, বন্ধ করা উচিৎ।

১৪। অধিক রাত করে কোনো একটি মেয়ে বাড়ীতে ফিরছে দেখলেই, মেয়েটির অত রাতে বাড়ী ফেরার কারণ না জেনেই, মেয়েটি সম্পর্কে, একটি নেতিবাচক ভাবনা, চিন্তা, করার অভ্যাস, বন্ধ করা উচিৎ।

১৫। উচ্চশিক্ষিত, ডক্টরেট হলেই, বিশাল জ্ঞানী বলে, ভাবার অভ্যাস বন্ধ করা উচিৎ। (একজন অল্পশিক্ষিত বা অশিক্ষিত রিকশা চালক বা ঝাড়ুদার ও, একজন উচ্চ শিক্ষিতের চাইতে অধিক জ্ঞানী হওয়ার সম্ভাবনাকে উড়িয়ে দেয়া যাবে না।)

১৬। কেউ খুবই কম কথা বলেন বলেই, তিনি অহংকারী, বা কিছু বুঝেন না, জানেন না, ভাবার অভ্যাস, বন্ধ করা উচিৎ।

১৭। হঠাৎ করেই কেউ রাগ করে কথা বললেই, তিনি রাগী বা বদমেজাজি ভাবার অভ্যাস, বন্ধ করা উচিৎ। (কারণ, ফোন করে সাধারণ কথা বলতে গিয়ে, যাঁর কাছ থেকে খুবই বিরক্তিকর উত্তর পেলাম, পরে জানতে পারলাম, তাঁর সন্তান সে সময়, হাসপাতালে, আই, সি, ইউ তে, শুয়ে, লড়াই করছে)।

১৮। হাতে টাকা থাকলেই, অপ্রয়োজনে খরচ করার অভ্যাস, বন্ধ করা উচিৎ।

১৯। স্বাস্থ্য সংক্রান্ত ব্যাপারে, অবহেলা, খামখেয়ালিপনা করা, শারীরিক অসুবিধা বা অসুখ, বিসুখের উপসর্গ কে, পাত্তা না দেয়ার অভ্যাস, বন্ধ করা উচিৎ।

২০। "না" এর সাথে মিত্রতার অভ্যাস। "এই কাজটা বোধ হয় আমি পারবো না, মনে হচ্ছে পরীক্ষা টা ভালো হবে না, চাকরী বোধ হয় পাবোই না, ব্যবসাতে মনে হচ্ছে টিকে থাকতে পারবো না, প্রেমের প্রস্তাব দিলে, বোধ হয় রাজী হইবো না,"।

এই "না" এর জন্য, জীবনে অনেক "হ্যাঁ" এসে, চুপিসারে পালিয়ে যায়। "না" এর সাথে, এই চিরসখ্যতা বজায় রাখার অভ্যাস, বন্ধ হওয়া উচিৎ ।

২১। নিজের সমস্যা সমাধানে, নিজে উদ্যোগী না হয়ে, অন্যের ভরসায়, বসে থাকার অভ্যাস, বন্ধ করা উচিৎ।

২২। কেউ সাহায্য করলেন না বলেই, তাঁর প্রতি বিরূপ মনোভাবাপন্ন হয়ে থাকার অভ্যাস, বন্ধ করা উচিৎ।

২৩। নিজের ভুল কখনোই স্বীকার না করার মতো মানসিকতা রাখার অভ্যাস, বন্ধ করা উচিৎ।

২৪। কোরাবাংলায় আছি ভেবে, অন্যান্য মাধ্যমকে তুলনার মাধ্যমে, সমালোচনা, অবহেলা করার অভ্যাস, বন্ধ করা উচিৎ।

২৫। আর উচিৎ হবে না, গুনমানের নিরিখে সমৃদ্ধ নয়, বা অকাঙ্খিত কিছু প্রশ্ন, উত্তর বা মন্তব্য দেখেই, কোরাবাংলার পরিবেশ এক্কেবারেই নষ্ট হয়ে গেছে, ভাবার অভ্যাস বজায় রাখা।

কারণ, নিজের জীবনে ও অনভিপ্রেত বা অকাঙ্খিত পরিস্তিতি আসে এবং এ ধরণের পরিস্থিতির সাথে মোকাবিলা করে, ছেঁটে ফেলতে হয়, সে সব পরিস্থিতিকে, থাকতে হয় বেঁচে।

বাদ দিয়ে ফেলা যায় না, জীবনকে।

ধন্যবাদ।

ছোট এবং ভাল জিনিসগুলি কী কী যা আমরা অন্যের জন্য করতে পারি এবং সবাইকে খুশি করতে পারি?

ছোট ছোট এবং ভালো জিনিস,

১। শপিং মলে, দোকানে যে কর্মী, জিনিসপত্র প্যাক করে, ব্যাগে ঢুকিয়ে দিলেন, তাঁকে একটু হাসি, ধন্যবাদ, একটু 'টিপস' দিলে, তিনি খুশী হন।

২। বাড়ীতে যিনি প্রতিদিনের কাজে সাহায্য করতে আসেন (domestic help), বা বাড়ীর গাড়ীর চালক অথবা যিনি, বাচ্চাকে পড়াতে আসেন, ছবি আঁকা বা নাচ, গান এসব শেখাতে আসেন, তাঁর জন্মদিনে, বাড়ীতে সবাই মিলে, তাঁকে দিয়ে একটা 'বার্থ ডে' কেক কাটানো, সবাই মিলে, তাঁর কেক কাটার সময়, 'Happy Birthday to you' গান করা, হাততালি দেয়া, একটু উপহার, তাঁর এবং বাড়ির লোকেদের নিজেদের ও ভালো লাগতে পারে।

৩। ভুল নম্বরে ফোন করে দিয়ে বুঝতে পেরে, যিনি, লজ্জিত বোধ করছেন, দু:খ প্রকাশ করছেন, সরাসরি ফোন কেটে না দিয়ে, তাঁকে একটু আশ্বস্ত করা যে, এটা তেমন ভুল কিছু নয়, এমনটা হতেই পারে।

৪। পরিচিতি নেই, তবু ও চোখে চোখ পড়ে যাওয়াতে, তাঁকিয়ে হাসি উপহার দিলেন যিনি, তাঁকে ও প্রত্যুত্তরে একটু হাসি উপহার দেয়া।

৫। জানা নেই বলে যখন কেউ কোনো ঠিকানা জানতে চাইছেন, তাঁকে চোখের ইশারায় বা মাথা নাড়িয়ে দিকনির্দেশ করে দেয়া যায়, তবে অনেকসময়ই সেটা বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে।

তাই, নিজের জানা থাকলে, ইশারা না করে, অসুবিধে না হলে, মুখেই স্পষ্ট করে বলে,দেখিয়ে, বুঝিয়ে দেয়া। যিনি জানতে চাইছেন, তাঁর জন্য এটা খুব সুবিধে হয়।

৬। বাড়ীতে এসে বসে, গল্প করে, যখন কেউ চলে যাচ্ছেন, যাওয়ার সময়, তাঁকে একটু বাড়ীর গেইট অবধি এগিয়ে দেয়া।

৭। কলিং বেল বাজলে, দরজা না খুলে, ভেতর থেকে, কে ? কে ? কী চাই ? বলা যেতেই পারে, তবে, দরজা খুলেই তাঁর সাথে, কথা বলাও যায়।

৮। নিজের পছন্দের অর্ডার করা জিনিষটি যে ক্যুরিয়ার কর্মী বা ডেলিভারী ম্যান নিয়ে এসেছেন, তাঁকে একটু হাসি, ধন্যবাদ। সারাটা দিন, তিনি ছুটে বেড়ান, ক্লান্ত থাকেন, তাই অসুবিধে না হলে, তাঁকে একগ্লাস জল বা একটু চা, বিস্কুট অফার করা।

৯। রাস্তায় দেখা হতেই, যিনি বললেন যে তিনি রক্তদান করতে যাচ্ছেন, তাঁকে ভূয়সী প্রশংসা করা।

১০। নার্সিং হোমের লাউঞ্জে, পাশে যিনি নিজের স্বজনের শারীরিক অবস্থার জন্য মন খারাপ করে বসে আছেন, তাঁর সাথে একটু কথা বলা, একটু সাহস দেয়া, একটু আশ্বস্ত করা।

১১। কোরাবাংলায় একদমই নতুন যিনি একটি প্রশ্ন, উত্তর বা মন্তব্য করতে গিয়ে, বানান ভুল করেছেন, ব্যাকরণগত ত্রুটি ঘটিয়ে ফেলেছেন, উপস্থাপনাটি ও অতি দুর্বল, তাঁকেই, একটি আপভোট দিয়েই ফেলা, মন্তব্যের মাধ্যমে ত্রুটি, বিচ্যুতি তুলে ধরা যেমন প্রয়োজন মনে হয়, পাশাপাশি, তাঁর এই উদ্যোগকেও প্রশংসা করা, তাঁকে উৎসাহিত করার গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয় বলেই, মনে হয়।

তাই, তাঁর জন্যই, একটু হাততালি দেয়া।

এসব করার প্রয়োজনীয়তা কিছু নেই, বাধ্য বাধকতাও নেই, কিন্তু, করলে, হয়তো বা, করার দরকার ছিলো না বলে, মনে হবে না।

হয়তো, এসব করার ফলে, যাঁর জন্য করা, তাঁর এবং যিনি করলেন, তাঁর নিজেরও, ভালো লাগতে পারে।

এবং, এই ভালোলাগাটুকু, নিজের মনে, থেকেই যায় দেখেছি,

হারিয়ে যায় না, কখনোই।

ধন্যবাদ।

কোন ১০টি জিনিস আপনার কখনই করা উচিত নয়। Insaf trust.com

কোন ১০টি জিনিস আপনার কখনই করা উচিত নয়। Insaf trust.com

  • অন্যের সাথে নিজেকে তুলনা করা। এই একটি অভ্যাস আপনাকে হতাশার দিকে ঠেলে দেবার জন্য যথেষ্ট।

.

  • মূর্খদের সাথে তর্ক করা। সবাইকে আপনার কথা শোনার যোগ্য ভাববেন না।

.

  • পরনিন্দা করা। আমার ব্যক্তিগত ধারণা, এই কাজে পৃথিবীর বেশিরভাগ মানুষ তাদের জীবনের সিংহভাগ ব্যয় করে।

.

  • নিজেকে অসুখী মনে করা। পরেরবার এই কথা বলার আগে ভেবে দেখবেন, আপনি আপনার জীবনে যেই সুযোগ-সুবিধাগুলো পেয়েছেন, পাচ্ছেন, তার ছিটেফোঁটাও অনেকে পায় না।

.

  • অকৃতজ্ঞ হওয়া। কোথায় যেন মার্টিন লুথার কিং-এর একটা বাণী পড়েছিলাম, "কেউ তোমার কোনো উপকার করলে তাকে এমনভাবে কৃতজ্ঞতা জানাও যাতে সে এই ভেবে আফসোস করে, কেন সে তোমার আরো বড় উপকার করল না"।

.

  • সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকে নিজের ধ্যান-জ্ঞান বানিয়ে ফেলা। ভার্চুয়াল জগতে সময় দিতে গিয়ে নিজের বাস্তবের কাছের মানুষগুলোকে হারিয়ে ফেলছেন না তো?

.

  • অন্যকে অপমান করা। আপনার প্রত্যেকটা আচরণের সমীকরণ থাকে। যা করবেন, শেষমেষ তাই ফেরৎ পাবেন।

.

  • অন্যের ব্যক্তিগত বিষয়ে অতিরিক্ত কৌতূহল প্রকাশ করা। এই স্বভাব আপনাকে সামনের মানুষটির চোখে অনেক নিচে নামিয়ে দেয়।

.

  • খাদ্যাভাসের প্রতি যত্নবান না হওয়া। শরীর ভালো না থাকলে আপনার কাঁড়ি কাঁড়ি টাকাও আপনাকে শান্তি দিতে পারবে না।

.

  • রাস্তাঘাটে উদাসীন হয়ে চলা। আমাদের দেশে প্রতিদিন যে পরিমাণ দুর্ঘটনা ঘটে তাতে রাস্তায় বেরোলেই আপনার এক-দুটি অঙ্গপ্রত্যঙ্গ খোয়া যাওয়া অত্যন্ত স্বাভাবিক ঘটনা। আর প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধ উত্তম।

Tuesday, November 10, 2020

দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করলে কী কী ক্ষতি হতে পারে?


একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে, দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করার ফলে শরীরে মারত্মক ক্ষতি সাধিত হতে পারে। বেশিরভাগ পুরুষই দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করেন। প্রস্রাব করার সময় পুরুষের এই অভ্যাস অতি পরিচিত।

কিন্তু জানেন কী, একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে,দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করার ফলে শরীরে মারত্মক ক্ষতি হয়ে থাকে।

দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করলে পুরুষের যেসব মারাত্মক ক্ষতি হয় আসুন তা জেনে নেওয়া যাক।

  • দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করলে প্রস্রাবের দূষিত পদার্থগুলো মূত্রথলির নিচে গিয়ে জমা হয়। অথচ বসে প্রস্রাব করলে মূত্রথলিতে চাপ লাগে, ফলে সহজেই এসব দূষিত পদার্থ শরীর থেকে তা বেরিয়ে যায়।
    • দীর্ঘদিন দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করলে প্রস্রাবের বেগ ধীরে ধীরে কমতে থাকে।
  • দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করলে পেটের উপরের অংশে কোনও চাপ পড়ে না। ফলে দূষিত বায়ু স্বাভাবিকভাবে বের হতে পারে না। উল্টো তা শরীরের উপর দিকে উঠে যায়। এর ফলে শরীরের অস্থিরতা, রক্তচাপ, হৃদস্পন্দনের গতি বৃদ্ধি পায়।
  • দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করলে প্রস্রাবের দূষিত পদার্থগুলো শরীর থেকে ঠিক বেরিয়ে যেতে পারে না। সেগুলো মূত্রথলির নীচে গিয়ে জমা হয়। দীর্ঘদিন দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করলে এই দূষিত পদার্থগুলো জমতে জমতে কিডনিতে পাথর সৃ্ষ্টি করে।
  • একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে,যাঁরা নিয়মিত দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করেন, তাঁরা শেষ জীবনে ডায়াবেটিস, জন্ডিস বা মারাত্মক কিডনির অসুখে আক্রান্ত হন।

সুতরাং, বদলে নিন অভ্যাস, সুস্থ শরীরে বাঁচুন দীর্ঘদিন।

Monday, November 9, 2020

১। সকালবেলা উঠে স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান আরেকটা দিন বেঁচে থাকার জন্য, ফ্রি অক্সিজেনের জন্য, খাবার এবং পানির জন্য, কাছের মানুষগুলোকে ভালোবাসতে পারার জন্য, তাদের ভালোবাসা পাওয়ার জন্য।

২। প্রতি মাসে অন্তত একটা দিন একবার হাসপাতালে ঘুরে আসুন। মানুষের দুঃখ-কষ্ট, যন্ত্রনা নিজ চোখে দেখে বিচার করুন আপনি কতটা ভালো আছেন। আপনার স্বাস্থ্যের মূল্য যে বস্তুগত অন্য সব কিছুর থেকে বেশী সেটাও বুঝতে পারবেন।

৩। জীবনে কোনকিছুই স্থায়ী নয়। প্রকৃতির মৌলিক বৈশিষ্ট্যই পরিবর্তন। এটা যত ভালোভাবে উপলব্ধি করতে পারবেন তত ভালো থাকতে পারবেন। এতে আপনি কোন বস্তু বা ব্যক্তিকে হারানোর ভয় থেকে মুক্তি পাবেন।

৪। জীবনের ছোট ছোট অর্জনে খুশি/সন্তুষ্ট হতে শিখুন।

৫। কারো উপরে রাগ পুষে রাখবেন না, ক্ষমা করতে শিখুন।

৬। কারো উপকার করার সময় প্রতিদানের আশা করবেন না।

৭। নিজের আয়ের কিছু অংশ তা সামান্য হলেও দান করে দিন। অন্যকে সাহায্য করার বিনিময়ে যে মানসিক প্রশান্তি এবং আত্নতৃপ্তি পাওয়া যায় তা অমূল্য। নিজের কাছে নিজের সম্মান বাড়বে এতে।

৮। সেই কাজটাকে পেশা হিসেবে নিন যা আপনি করতে ভালোবাসেন।

৯। সবসময় অর্থ/খ্যাতি উপার্জনে ব্যস্ত থাকবেন না, বিশ্রাম নিন, নিজেকে সময় দিন, বেঁচে থাকাকে উপভোগ করুন।

১০। নিজের সাথে অন্যের তুলনা করে দূখী হবেন না।

Friday, November 6, 2020

  1. জেনে বুঝে সময় নষ্ট করা।
  2. ধূমপান/মদ্যপান করা।
  3. কারো সাথে প্রতারণা করা।
  4. কারো সাথে তর্ক করা। কাউকে ঠান্ডা মাথায় বুঝানো আর তর্ক করা সম্পূর্ণ ভিন্ন জিনিস।
  5. আত্মীয়স্বজনদের সাথে যোগাযোগ না রাখা।
  6. প্রিয়জনের বিশ্বাস ভাঙ্গা। আপনি নিশ্চয়ই একজন মানুষের কাছে আমৃত্যু 'চিটার' উপাধি পেতে চাইবেন না।
  7. ফেসবুকে নিজের সব ইমোশন শেয়ার করা।
  8. কাউকে 'বলির পাঁঠা ' বানানো অর্থাৎ আপনার স্বার্থ হাসিলের জন্য কারো ওপর মিথ্যা দোষ চাপিয়ে দেয়া।
  9. বাবা, মা ও শিক্ষকের সাথে নিন্দনীয় আচরণ করা।
  10. আপনার চেয়ে পদমর্যাদায় নিচু কারো সাথে দুর্ব্যবহার করা। বাসের কন্টাক্টার, রিকশা চালক মামা, ভিখারি, উদ্বাস্তু এদের সাথে দম্ভ নিয়ে কথা বলা।

আপনার সবচেয়ে মূল্যবান পরামর্শ / জ্ঞান কী?

  1. জীবন অনিশ্চিত। জীবন যে সত্যিই অনিশ্চিত এই বিষয়টি আমরা ততক্ষণ পর্যন্ত ভুলে থাকি যতক্ষণ পর্যন্ত এই অনিশ্চিত বিষয়টি আমাদের সামনে না আসে। প্রতিটি সেকেন্ড ভালো থাকার সর্বোচ্চ চেষ্টা করুন। আমি মাঝে মধ্যে খারাপ অবস্থার মধ্য দিয়ে যাই। আবার স্বাভাবিক জীবনে ব্যাক করি। আপনিও ব্যাক করুন।
  2. প্রতিদিনের নতুন সূর্য আপনাকে নতুন করে সব কিছু শুরু করার আহ্বান জানায়। সূর্যের এই আহ্বান উপেক্ষা না করে সব কিছু শুরু থেকে শুরু করুন। সত্যিই সব কিছু নতুন করে শুরু করা যায়।
  3. আপনার দামী চাকরি আছে অনেক টাকা সেই সঙ্গে আছে সুন্দরী বউ। আপনার অহংকার থাকাটাই স্বাভাবিক। কিন্তু আপনি যদি অহংকারী না হন তাহলেই কেবল আপনি হিউম্যান হিসেবে ডিফাইন্ড হবেন। দামী চাকরি টাকা সুন্দরী বউ দরকার আছে কিন্তু অহংকার বিষয়টি অপ্রয়োজনীয়।
  4. নিজের শরীরের সুস্থতার বিষয়কে উপেক্ষা করবেন না কখনো। প্রতিদিন দৌড়ান শরীরচর্চা করুন তাহলে এর ওর লেখা পড়ে আপনাকে মোটিভেশন খুঁজতে হবে না।
  5. মার্ক জাকারবার্গের ফাঁদ থেকে নিজেকে দূরে রাখুন। ফেসবুক যদি আপনার আয়-রোজগারের উৎস না হয় তাহলে ডিলিট করে দিতে পারেন। আপনি ধ্বংসের হাত থেকে বেঁচে যাবেন। আমি বলতেছি না সমস্যাটা ফেসবুকের, সমস্যাটা আপনার আমার মাথার মধ্যে। কিন্তু এর থেকে দূরে থাকলে ভালো থাকবেন।
  6. ধর্ম দিয়ে মানুষ বিচার করবেন না। ধর্মের সৃষ্টি হয়েছিল মানুষ সুখে শান্তিতে মিলেমিশে বসবাস করবে এর জন্য। সবগুলো ধর্মের মূল সারাংশ হল প্রভুর ইবাদত করা এবং মিলেমিশে থাকা। বর্তমান প্রেক্ষাপটে বলতে গেলে মানুষে মানুষে পার্থক্য সৃষ্টির একটি অন্যতম হাতিয়ার হলো ধর্ম। ধর্মরক্ষার নাম করে মন্দির ভাঙ্গা কিংবা গরুর মাংস খাওয়ার অপরাধে মানুষ হত্যা করা অথবা আমি মুসলমান বলেই জান্নাতে যাব আর একজন হিন্দু বলে জান্নাতে যাবে না তখন বুঝতে হবে আসলেই কোথাও সমস্যা আছে। ধর্ম নিয়ে আপনি যেকোন ভাবে ভাবতে পারেন কিন্তু কারো ধর্ম নিয়ে প্রকাশ্যে কটূক্তি করা উচিত হবে না।
  7. আপনার ব্যক্তিগত গল্পগুলো ব্যক্তিগতই রাখুন। কাউকে বিশ্বাস করে ব্যক্তিগত গল্পগুলো বলে ভুল করবেন না। সবসময় মনে রাখবেন আপনার বিশ্বস্ত ব্যক্তিরও কিন্তু বিশ্বস্ত ব্যক্তি আছে।
  8. মানুষকে সম্মান করুন তাহলে দেখবেন আপনিও সম্মানিত হবেন। সম্মান ব্যাপারটা ম্যাজিকের মতো কাজ করে।
  9. বন্ধুত্বের সংজ্ঞা সংখ্যা দিয়ে নির্ধারণ করা উচিত হবে না। জীবনে আপনার অনেক বন্ধুর দরকার নেই কিন্তু কিছু প্রকৃত বন্ধুর দরকার আছে।
  10. আপনার মন্তব্য আমার কাছে যথেষ্ট পরিমাণ মূল্যবান। একটি বাক্য লিখে আমাকে উৎসাহিত করতে পারেন।