- সাহসী হতে হবে । ভবিষ্যতের ভালো কিছু করার জন্য সকল অস্বস্তিকর অভ্যাস বা কাজ গুলো ছেড়ে উদ্যমী হয়ে সামনে এগোতে হবে।
- আপনার মূল্যবান কথা গুলো উপস্থাপন করুন । আপনার চিন্তাভাবনাগুলি আপনাকে ছিন্ন করার পরিবর্তে আপনাকে গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি তৈরি করা একান্ত দরকার।
- প্রশ্নবিদ্ধ জিনিস। আপনি ভেড়া নন যে প্রত্যেকে এটি করছে বলে আপনাকেও সেটাই করতে হবে ।
- অন্যকে উৎসাহিত করা। বিশ্বে পর্যাপ্ত নেতিবাচকতা আছে, কেন আরও তৈরি করবেন?
- সততার সাথে চলুন । সামাজিক মর্যাদার জন্য কখনও কারও সাফাইকারী হবেন না।
- শক্তি তৈরি করুন। আপনি স্বাভাবিকভাবে ভাল এমন কোনো একটি বিষয়ে বিশেষ দক্ষ শক্তি সম্পন্ন হতে চেষ্টা করুন ।
- কৌতূহলী হউন । নতুন জিনিস শেখার জন্য আপনার নজর রাখা উচিত কারণ আপনি কখনই অত্যাধিক জ্ঞানসম্পন্ন ছিলেন না ।
- একটু সক্রিয় হউন । সমস্যা আজীবন থাকবে তাই সমাধানগুলিতে মনোনিবেশ করুন।
- না বলুন । যদি এটি আপনার জন্য অতিরিক্ত বাড়াবাড়ি মনে হয় তাহলে যেতে দিন। আপনি যা চান তা করার একটি উপায় খুঁজুন।
Monday, November 16, 2020
সত্যিকার অর্থে কিছু ভালো অভ্যাসগুলো কী কী?
Sunday, November 15, 2020
মধ্যবিত্তদের জীবনের অলিখিত নীতিগুলো কী কী?
মধ্যবিত্ত জীবন মানে সাশ্রয় ।কোনো কিছু নষ্ট না করে শেষ পর্যন্ত তার ব্যবহার।আর এই মধ্যবিত্ত জীবনের অলিখিত নিয়ম ⤵️
যতক্ষণ পর্যন্ত বেচারা টুথপেস্টের অবস্থা এরকম না হয়।⤵️
আর ব্রাশ বেচারাকে কিছু না কিছু কাজে ব্যবহার করা হয়।⤵️
সাবানের অবস্থা ঠিক এরকম হবে।⤵️
শাড়ি ও ওড়না পুরোনো হওয়ার পর ।⤵️
শাড়ি কখনো কখনো এরকম ভাবেও ব্যবহার করা যায় ।⤵️
আর বাড়িতে পেন্ট করতে আনা পেন্টের জায়গা জলের বালতিতে রূপান্তরিত হওয়া।⤵️
স্কুল ইউনিফর্ম এক সাইজ বড় কেনা ।
আর বেচারা টি শার্টকে ঠিক এরকম ভাবে ব্যবহার করা হয় ।⤵️
জলের বোতল,কোল্ড ড্রিঙ্কসের বোতল না ফেলে বাড়িতে নিয়ে এসে তা রেফ্রিজারেটরে জলের জন্য ব্যবহার করা হয় ।⤵️
আর এরকমটাও হয়ে থাকে ।
Saturday, November 14, 2020
মধ্যবিত্ত কাদের বলা হয়?
যেহেতু, কোরা বাংলায় প্রশ্নটি করা হয়েছে, উত্তরের অভিমুখ, বাঙালী মধ্যবিত্ত ঘেঁষাই হবে।
মধ্যবিত্ত বলতে বুঝায়, যিনি বিত্তের বৈভবে ঐশ্বর্যশালী নন আবার দারিদ্র্যের কষাঘাতে ও জর্জরিত নন। ধনী এবং দরিদ্রের মাঝামাঝি, তাঁর অবস্থান।
মোটামোটি এরকম একটা সংজ্ঞার মাধ্যমে মধ্যবিত্তকে চিহ্নিত করা যেতে পারে।
মধ্যবিত্তের আক্ষরিক অর্থ যাই হোক, বাস্তবে তিনি ধরা দিতে পারেন, নানারূপে।
আমি নিজে মধ্যবিত্ত, আরেকটু স্পষ্ট করে বললে, নিম্ন মধ্যবিত্ত শ্রেণীতে অবস্থান করি,
আমাকে চেনা যাবে, যে ভাবে,
১। আমার ঘরের আসবাবপত্র খুব দামী না হলেও, কাজ চালিয়ে দেওয়ার মতো।
২। ইন্টিরিয়র ডিজাইনার ডেকে ঘর সাজানোর মতো সামর্থ্য আমার নেই। তাই ঘরের আসবাবপত্রকে আমি নিজেই পরিপাটি করে সাজিয়ে রাখতে শিখে গেছি।
৩। গৃহশোভা বাড়াতে, আমি বসার ঘরের এক কোণে, একটি টবে চারাগাছ, জীবন্ত বা প্লাটিকেরই হোক, রেখে দিতে জানি।
৪। আমি তেমন দরকার না হলে, গাড়ী ভাড়া করি না। মেট্রো, বাস, অটো বা টোটো তে কাজ চালিয়ে দিতে জানি, পয়সা সাশ্রয় করতে বা অপব্যয় রুখতে জানি,
৫। আমার ঘরে, খুব দামী সাউন্ড সিষ্টেম নেই, কিনতু ওই মোটামোটি কম দামের একটা আছে, ওটা ও আমার খুব একটা কাজে আসে না, কারণ, প্রতিদিন সন্ধ্যেবেলা আমি, মেকানিক্যাল নয়, লাইভ সাউন্ড সিষ্টেম নিয়েই মেতে উঠি,
৬। আমি দুর্গাপুজোর সময় কেনাকাটা সেরে, বাড়ী ফেরার পথে, সুযোগ থাকলেও শেয়ারে অটো, টোটো এসবে উঠি না। একটা কোল্ড ড্রিংক্সের বোতল কিনে, ক্যাব ডেকে, তাতে উঠে বসে, ধীরে ধীরে আয়েশ করেই, কোল্ড ড্রিংক্সের বোতলটিতে ঠোঁট ছোঁয়াতে জানি।
৭। আমি উত্সব, অনুষ্ঠানে নিমন্ত্রিত হলে, এড়িয়ে যাই না, আপ্রাণ চেষ্টা করি নিমন্ত্রণ রক্ষার। উপহার দেয়ার ব্যাপারে, আমি কার্পণ্য করি না, খুব দামী উপহার না দিলেও, একটা ব্যালেন্স মেইনটেইন করে, একটি আকর্ষক উপহার নির্বাচন করতে জানি।
(এই উপহারের ব্যাপারে, মধ্যবিত্তের জীবন কে নিংড়ে তুলে এনেছেন, আমাদের কোরামিত্র শুভেন্দু দত্ত । কোরাবাংলায় করা, বিয়ে বাড়ীতে কী উপহার দিলে ভালো হয় একটি প্রশ্নের উত্তরে, তিনি লিখেছিলেন,
" সপরিবারে গেলে অবশ্যই একটু বড়সড় (মূল্য অর্থে) উপহার দিতেই দেখে অভ্যস্ত "
এবং,
"কী সম্পর্কের ভিত্তিতে নিমন্ত্রণ পেয়েছি এবং যিনি নিমন্ত্রণ করছেন, তার আর্থিক অবস্থা কেমন"
সপরিবারে গেলে, ধরি পরিবারের লোক সংখ্যা চারজন, সেখানে একটি স্বল্প মূল্যের উপহার, ধরে নিলাম, দু'শো টাকা দামের একটি ভ্যানিটি ব্যাগ ? হিসাবটা ঠিক মিলছেই না। চারজন লোক ওখানে উত্সব বাড়ীতে খাবো,দাবো, আর দেবো ওই দুশো টাকার ভ্যানিটি ব্যাগ, মন বিদ্রোহী হয়ে উঠে, সায় পাই না।
"কী সম্পর্কের ভিত্তিতে নিমন্ত্রণ পেয়েছি এবং যিনি নিমন্ত্রণ করছেন, তার আর্থিক অবস্থা কেমন ?" এ ব্যাপারটা ও মাথায় কাজ করে।
উপহার দেয়ার ক্ষেত্রে, মধ্যবিত্ত জীবনে এই হিসেব আসেই এবং এই হিসাব কে চমৎকারভাবে ব্যালেন্স করে দিতে জানেন যিনি, তিনি পারফেক্ট মধ্যবিত্ত।
আমি জানিনা শুভেন্দু দত্ত অফুরন্ত অর্থ, ধন, সম্পদ, ঐশ্বর্যের অধিকারী না মধ্যবিত্ত শ্রেণীতে পড়েন। কিনতু, ওই প্রশ্নটির উত্তরে, তিনি মধ্যবিত্ত জীবনের বাস্তবিক প্রতিচ্ছবিকে তুলে ধরেছেন বলেই, আমার মনে হয়েছে)
৮। আমি, কোনোকিছুর সর্বশেষ ব্যবহার বা সদ্ব্যবহারের শ্রেষ্ঠ প্রয়োগ বা বলা যেতে পারে, End use করতে পারঙ্গম।
আমি শেষ হয়ে আসা বডি ওয়াশের কৌটোয় একটু খানি জল মিলিয়ে, একদিন চালিয়ে দিতে জানি,
আমি শেষ হয়ে আসা টুথপেস্টের টিউব থেকে চেপে চেপে বা টিউবের নীচের দিক থেকে মুড়িয়ে, মুড়িয়ে, কাজ চালিয়ে দেয়ার মতো একটু পেষ্ট কীভাবে বের করে, কাজ চালিয়ে নিতে হয়, জানি,
৯। আমি বাজারে গিয়েই সামনে যা ই পেলাম, তাই কিনতে শুরু করি না। কোথায় তাজা সব্জী কম দামে বিক্রী হচ্ছে খুঁজে, কিনে ফেলতে জানি,
১০। আমি কাপড় চোপড় বা অন্য কিছু, কোথায়, কখন কম দামে ব্র্যান্ডেড বা ভালো জিনিষ পাওয়া যাবে, তন্ন তন্ন করে খুঁজে ঠিক জায়গাটায় পৌঁছে যেতে জানি,
১১। আমি, বাজারের ব্যাগের ওজন তেমন বেশী না হলে, ব্যাগ হাতে নিয়ে, হেঁটেই বাড়ী ফিরতে পারি,
১২। আমি, বাড়ীতে অতিথি এলে, বাজারে গিয়ে পয়সার হিসেব না করে, অতিথির জন্য মাছ, মাংস, মিষ্টি এসব কিনতে আগ্রহী হয়ে উঠতে জানি,
১৩। আমি, স্নানের জলে দু'ফোঁটা গোলাপ জল ঢেলে দিয়ে, নিজেকে রাজা বাদশা ভেবে, রাজকীয় স্নান টা সেরে ফেলতে জানি,
১৪। আমি, সন্ধ্যেবেলা হাত পা ধুয়ে, পাঞ্জাবী পড়ে, চুল ঠিক করে, গায়ে আতর মেখে বিছানায় কোলবালিশে হেলান দিয়ে, "কাহারবা নয়, দাদরা বাজাও" শুনে, কীভাবে জমিদার সূর্য কিশোর নাগ চৌধুরী হয়ে উঠতে হয় জানি,
১৫। আমি অসুখ হলে, ফিজ বেশী দিয়েও দক্ষ চিকিৎসক দেখাতে কম্প্রোমাইজ করি না, কিনতু, তাঁর চেম্বারে ঢোকার আগে, তিনি যেন আমায় scan, MRI, whole body চেক আপ করানোর ফর্দ না ধরিয়ে দেন, সেটার জন্য ঈশ্বরকে কেমন করে ডাকাডাকি করতে হয়, সেটা জানি।
১৬। আমি শীতকালে, রং চটা, বিবর্ণ শার্ট, সোয়েটারের নীচে চাপিয়ে দিয়ে কাজ চালিয়ে দিতে জানি,
আমি এসবই করি, কেন করি ?
আমি নিম্ন মধ্যবিত্ত, আমি সীমিত ক্ষমতার মাঝেই আমার স্বপ্ন পূরণ করার উপায়গুলি খুঁজে বের করতে জানি।
প্রশ্নটি করা হয়েছে, "মধ্যবিত্ত কাদের বলা হয়" ?
যাঁরা বিত্তের অপ্রতুলতা সত্বেও, জীবনকে নিজের মতো করেই সাজিয়ে, গুছিয়ে রাখতে জানেন, জীবনের সুখ দু:খ, হাসি, কান্নার হিসাবের ব্যালেন্স মিলিয়ে দিয়ে শেষ পর্যন্ত পরম তৃপ্তির হাসিটা হেসে উঠতে পারেন, সীমিত ক্ষমতা, বুকে অসীম স্বপ্ন নিয়ে, নায়েব মশাই, পারিষদবর্গ, পাইক, পেয়াদা ছাড়াই, সন্যাসী রাজা সিনেমার জমিদার, সূর্য কিশোর নাগ চৌধুরী হয়ে উঠার মতো হিম্মত বুকে রাখেন, তাঁরা।
ধন্যবাদ।
Friday, November 13, 2020
বড়োলোক হওয়ার ইচ্ছা সকলের আছে কিন্তু বড়োলোক হতে কিধরনের সভাব থাকা উচিত তা সকলের জানানেই। বিপুল অর্থ উপার্জন করলেই আপনি বড়োলোক হতে পারবেন এর কোনো গেরান্টি নেই। এর জন্য জানা দরকার অর্থ কিভাবে কাজ করে। এটুক সাধারণ গ্যান থাকলেই সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে। কারণ দেখবেন পৃথিবীতে প্রচুর মানুষ এক সময় হটাৎ লটারি পেয়ে রাতারাতি বড়োলোক হয়েছিল কিন্তু আজ তাদের বেশিরভাগ মানুষ ভিখারি। কারণ তারা অর্থের প্রয়োগ ও ব্যবহার জানেনা। তাই মাথায় রাখবেন সারাদিন গাধার মতন খেটে প্রচুর ইনকাম করলেও আপনি বড়োলোক হতে পারবেননা। তাহলে বড়োলোক হতেগেলে কি করতে হবে ? বা বড়লোকরা অর্থের ব্যবহার কিভাবে করেন ? বা প্ররিশ্রমের পাশাপাশি আর কি কি করতে হবে ?
* প্রয়জনীয় ও অপ্রয়জনীয় খরচকে চিনতে হবে। কোন জিনিস গুলি আপনার এখুনি দরকার আর কোনগুলি পরে দরকার সেগুলিকে চিনুন। পাশের বাড়ির ছেলেটা দামী গাড়ি কিনেছে বলেই আপনাকে কিনতে হবে তার কোন মনেনেই। আপনি আজ অর্থ সঞ্চয় করলে হয়তো আগামী দিনে তার থেকেও দামি গাড়ি কিনবেন।
* প্রতি ঘন্টায় আপনার ইনকাম কত হচ্ছে তার দিকে নজর রাখুন। প্রতি ঘন্টার ইনকাম কে বাড়িয়ে তুলুন।
* অপ্রয়জনীয় খরচা কমিয়ে অর্থকে সঞ্চয় করতে শিখুন।
* নিজের জন্য নিয়ম বানান ইনকামের কত শতাংশ আপনি খরচা করবেন আর কত শতাংশ জমাবেন।
* আপনার জমানো অর্থ যেনো ঘুমিয়েনাপড়ে সেদিকে নজরে রাখুন। অর্থাৎ আপনার জমানো টাকা যেন আপনার জন্য কাজ করে যায়। আপনার জমানো টাকা যেদিন থেকে আপনার জন্য কাজ করে নতুন উপার্জন শুরু করবে সেদিন থেকেই আপনি বড়োলোক হতে শুরু করবেন।
আপনার কাজ ইনকাম করে এক গুচ্ছ অর্থকে আপনার জন্য কাজ করানো। যেদিনথেকে আপনি জমানো টাকাকে আপনার জন্য কাজকরতে শিখবেন ঠিক সেদিন থেকেই আপনার বড়োলোক হওয়া শুরু। কারণ এবার আপনি যদি কাজ নাওকরেন পেছনে আপনার ইনকাক হতেই থাকবে।
কিছু কিছু ক্ষেত্রে, এরকমই অভিজ্ঞতা,
চাকরী পাওয়ার আগে,
১। বাউন্ডুইল্যা ছেলে,
২। এক্কেবারে ফালতু ছেলে,
৩। কোনো কাজের না,
৪। কোনোকিছু করার চেষ্টা বা উদ্যোগই নেই,
৫। যেসব ব্যাপারে বুঝে না, সেই সব ব্যাপারেও কথা বলে,
৬। কাজ, কর্ম নাই, ফালতু কোরা ছোরা লইয়া দিন কাটায়,
৭। সারাটা দিন বিনা কাজে, এইখানে সেইখানে ঘুইরা বেড়ায়, (ঘোরাঘুরি করা হচ্ছিলো কিনতু, চাকরীর খোঁজে),
৮ এ, জীবনে কিচ্ছু করতো পারবো না,
৯। এর ভবিষৎ ঘোর অন্ধকার।
চাকরী পাওয়ার পরে,
১। ভীষণ কাজের ছেলে, বুদ্ধিমান ছেলে,
২। খুবই উদ্যোগী, নিজের চেষ্টায় চাকরী যোগাড় করছে,
৩। যথেষ্ঠ বিচার, বুদ্ধি রাখে,
৪। ঘুইরা বেড়ায় ? কত ইমপর্ট্যান্ট কাজে ব্যস্ত থাকে,
৫। এ, জীবনে অনেক দূর যাবে,
৬। কোরার মতো একটা প্ল্যাটফর্মে লেখালেখি করে, অত সহজ না,
৭। এ, ভবিষ্যতে খুবই শাইন কইরা ফেলবো, এর ভবিষ্যত্ খুবই উজ্জ্বল, কোনো সন্দেহ নাই, আর উদ্যোগী লোক জীবনে ঠেকে না,
আগে, পরে, এসব ঘটনা যে ঘটতেই থাকে।
ঘটতে পারে, এসব ঘটনার ব্যতিক্রম ও।
চাকরী পাওয়ার আগে, মায়ের মুখে শুনতাম, "তোর মতো পাগল রে, কে চাকরী দিবো ?"
চাকরী পাওয়ার পর, মায়ের মুখে শুনতাম, "তোর মতো পাগলের ও চাকরী হয় ?"
পেশাগত ক্ষেত্রে, যখন পদোন্নতি ঘটে, কর্মদক্ষতার জন্য যখন কর্তৃপক্ষ আমাকে পুরষ্কৃত করেন, সংবর্ধিত করেন, সেটা শুনে মায়ের উক্তি, "তোর মতো পাগল রে ও পুরস্কার দেয় কেউ, ছি:, ছি:, ছি:"।
সুতরাং চাকরীর আগে, পরে, অনেক কিছুই পাল্টে যেতে পারে, বোধ হয়, পাল্টে যান না, "মা" এবং "বাবা"।
আরো হয়তো বা কেউ, পাল্টে যায় না,
কারণ, চাকরী পাওয়ার আগে যার মুখে শুনেছিলাম, "আমি শুধু তোমাকেই চাই", চাকরী পাওয়ার পর, তারই মুখে শুনি, "চাকরী যদি চলে ও যায়, তাও, আমি শুধু, তোমাকেই চাই"।
ধন্যবাদ।
উত্তরের অনুরোধ জানিয়েছেন, Vijay Sharma।
শুকনো মাছ বা শুঁটকি, ছোটবেলা থেকেই খেয়ে আসছি। এতে স্বাস্থ্য সংক্রান্ত কোনো সমস্যা অনুভব করি নাই।
বরঞ্চ, একটু ঝাল করে শুকনো মাছ রান্না করে, ভাত দিয়ে মেখে খেয়ে, একটা তৃপ্তি বোধ করি এবং মনে হয় শরীরে যেন নতুন করেই, এনার্জি সৃষ্টি হলো।
সুতরাং, আমার ক্ষেত্রে এটা, স্বাস্থ্যের উপর কোনো নেতিবাচক প্রভাব ফেলে নাই। তাই, ভালো, বলতেই হচ্ছে।
খারাপ বললে, অকৃতজ্ঞতার দায়ে, নিজে নিজেকে, দণ্ডিত করতে হবে।
শুটকি মাছ স্বাস্থ্যের পক্ষে ভালো কী ভালো না, সে নিয়ে বিভিন্ন মতামত আছে।
এ ব্যাপারে, গবেষণালব্ধ নির্দিষ্ট গ্রহনযোগ্য কোনো তথ্য নেই, তবে, ভারতের উত্তর পূর্বাঞ্চলে, কিছু কিছু জায়গায়, দৈনন্দিন খাদ্যাভ্যাসের মাঝেই স্থান করে নিয়েছে, এই শুকনো মাছ এবং অনেকের ধারণা, শুটকি মাছ, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় বা ইম্যুনিটি বুষ্ট করে।
আর, এর সাথে দোসর হয়ে, জন্ম নেয়, কিছু কিছু অনুমান নির্ভর সংবাদ।
ধন্যবাদ।
ভ্রমণ করে কী কী অভিজ্ঞতা অর্জন করা যায়?
ভ্রমণ করে কী কী অভিজ্ঞতা অর্জন করা যায় ?
ভ্রমণ করার দ্বারা,
১। নতুন জায়গা সম্পর্কে ধারণা সৃষ্টি হয়।
২। ভিন্ন, ভিন্ন, সংস্কৃতির সাথে পরিচিতি ঘটে।
৩। খাদ্যাভ্যাসের বৈচিত্র্য সম্পর্কে, ধারণা সৃষ্টি হয়।
৪। ভিন্ন ধরণের পোষাক পরিচ্ছদ সম্পর্কে নিজের ধারণা তৈরী হয়।
৫। ভিন্ন পরিবেশে, ভিন্ন সংস্কৃতিতে, নিজেকে মানিয়ে নেয়ার ক্ষমতা জন্মায়।
৬। ঐতিহাসিক স্থান ভ্রমণ করার দ্বারা, বইতে পড়া, ইতিহাসের ঘটনাবলী সম্পর্কে নিজের সৃষ্ট ধারণাকে প্রাঞ্জল করে তোলা যায়।
৭। ভ্রমণ করার দ্বারা, নিজেকে নিজে, নতুন ভাবে আবিষ্কার করা যায়।
ভ্রমণ করার অভিজ্ঞতার দ্বারা, নিজেকে বিভিন্ন দিক থেকেই সমৃদ্ধ করে তোলা যায়।
ধন্যবাদ।
